সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

চেয়ার মাথায় আত্মরক্ষার চেষ্টায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ নেতারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় চেয়ারকে ঢাল বানিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেছেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আজ সোমবার দুপুরে দিরাই উপজেলা বিএডিসি মাঠে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা মঞ্চে ওঠার পরপরই এ সংঘর্ষ শুরু হয়। তখন মঞ্চে থাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন আওয়ামী লীগের আরেক অংশের নেতাকর্মীরা।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, সম্মেলন শুরুর পরপরই বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মঞ্চের সামনে আসেন পৌরসভার সাবেক মেয়র মোশারফ মিয়া।

এর পরপরই কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন তার সমর্থকরা। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা। তখন কেন্দ্রীয় নেতারা বসার চেয়ার মাথায় নিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে পুলিশ এসে তাদের নিরাপদে মঞ্চ থেকে নামিয়ে নেন।

মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আজিজুস সামাদ আজাদ ডন প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাইদ বলেন, ‘সম্মেলন শুরুর পরপরই কিছু ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। ’

কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের এই সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

তার নাম আজমল হোসেন চৌধুরী, তিনি কুলঞ্জ গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া দাবি করেছেন, ‘নিহত আজমল হোসেন চৌধুরী তার কর্মী। সংঘর্ষের সময় তার সামনে প্রতিপক্ষের ইটের আঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পর আজমলের মৃত্যু হয়েছে’। অপরপক্ষ এটাকে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ বলে দাবি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চেয়ার মাথায় আত্মরক্ষার চেষ্টায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ নেতারা

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় চেয়ারকে ঢাল বানিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেছেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আজ সোমবার দুপুরে দিরাই উপজেলা বিএডিসি মাঠে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা মঞ্চে ওঠার পরপরই এ সংঘর্ষ শুরু হয়। তখন মঞ্চে থাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন আওয়ামী লীগের আরেক অংশের নেতাকর্মীরা।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, সম্মেলন শুরুর পরপরই বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মঞ্চের সামনে আসেন পৌরসভার সাবেক মেয়র মোশারফ মিয়া।

এর পরপরই কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন তার সমর্থকরা। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা। তখন কেন্দ্রীয় নেতারা বসার চেয়ার মাথায় নিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে পুলিশ এসে তাদের নিরাপদে মঞ্চ থেকে নামিয়ে নেন।

মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আজিজুস সামাদ আজাদ ডন প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাইদ বলেন, ‘সম্মেলন শুরুর পরপরই কিছু ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। ’

কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের এই সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

তার নাম আজমল হোসেন চৌধুরী, তিনি কুলঞ্জ গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মোশাররফ মিয়া দাবি করেছেন, ‘নিহত আজমল হোসেন চৌধুরী তার কর্মী। সংঘর্ষের সময় তার সামনে প্রতিপক্ষের ইটের আঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পর আজমলের মৃত্যু হয়েছে’। অপরপক্ষ এটাকে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ বলে দাবি করছে।