সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

নীলফামারীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ দুইজনের আত্মসমর্পণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২ ৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুজন মহিনুল,ক্রাইম রিপোর্টার।।নীলফামারীতে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অপরাধে মামলার পর ১৭ বছর পালিয়ে থাকা দুই আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচারিক আদালত তাদের মধ্যে একজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।তারা হলেন-টুললু মাহমুদ(৪২) ও তার সহযোগী জোবেদা বেগম (৪৯)।বিচারিক আদালত ২০২২ সালের ১২ই জুন টুললু মাহমুদকে অপহরণের দায়ে যাবজ্জীবন ও তার সহযোগী জোবেদাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
রোববার (৩০ অক্টোবর)দুপুরে আইনজীবির মাধ্যমে তারা নীলফামারীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন।পরে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২০০৫ সালের ১৩ই মার্চ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর থেকে তারা পলাতক ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ সন্ধ্যায় জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা শহরের দক্ষিণ রাজীর গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীকে (১২)বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অপহরণ করা হয়।
ঘটনার দু’দিন পর (১৫ মার্চ) ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে টুললু মাহমুদ ও জোবেদা বেগম ভেকরীসহ ছয় জনের নামে কিশোরগঞ্জ থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের তিন দিনের মাথায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ।মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৫ই মে টুললু মাহমুদ ও জোবেদা বেগম ভেকরীকে পলাতক দেখিয়ে দু’জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে কিশোরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. নুরুল হুদা।
এই মামলার অন্য চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়।নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর স্পেশাল পিপি আল মাসুদ আলাল জানান, মামলার পাঁচ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে টুললু মাহমুদকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং জোবেদা বেগম ভেকরীকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মাহাবুবুর রহমান।২০০৫ সালে মামলা দায়ের হওয়া ও রায় ঘোষণার আগ থেকেই ওই দুই আসামি পলাতক ছিলেন।আদালতের রায়ের পাঁচ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর রোববার দুপুরে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক মাহাবুবুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নীলফামারীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ দুইজনের আত্মসমর্পণ

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

সুজন মহিনুল,ক্রাইম রিপোর্টার।।নীলফামারীতে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অপরাধে মামলার পর ১৭ বছর পালিয়ে থাকা দুই আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচারিক আদালত তাদের মধ্যে একজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।তারা হলেন-টুললু মাহমুদ(৪২) ও তার সহযোগী জোবেদা বেগম (৪৯)।বিচারিক আদালত ২০২২ সালের ১২ই জুন টুললু মাহমুদকে অপহরণের দায়ে যাবজ্জীবন ও তার সহযোগী জোবেদাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
রোববার (৩০ অক্টোবর)দুপুরে আইনজীবির মাধ্যমে তারা নীলফামারীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন।পরে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২০০৫ সালের ১৩ই মার্চ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর থেকে তারা পলাতক ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ সন্ধ্যায় জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা শহরের দক্ষিণ রাজীর গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীকে (১২)বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অপহরণ করা হয়।
ঘটনার দু’দিন পর (১৫ মার্চ) ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে টুললু মাহমুদ ও জোবেদা বেগম ভেকরীসহ ছয় জনের নামে কিশোরগঞ্জ থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের তিন দিনের মাথায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ।মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৫ই মে টুললু মাহমুদ ও জোবেদা বেগম ভেকরীকে পলাতক দেখিয়ে দু’জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে কিশোরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. নুরুল হুদা।
এই মামলার অন্য চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়।নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর স্পেশাল পিপি আল মাসুদ আলাল জানান, মামলার পাঁচ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে টুললু মাহমুদকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং জোবেদা বেগম ভেকরীকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মাহাবুবুর রহমান।২০০৫ সালে মামলা দায়ের হওয়া ও রায় ঘোষণার আগ থেকেই ওই দুই আসামি পলাতক ছিলেন।আদালতের রায়ের পাঁচ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর রোববার দুপুরে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক মাহাবুবুর রহমান।