সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

১০ টাকা কেজির চালের তালিকায় পুলিশ কর্মকর্তার ছবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২ ৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা বরকত উজ্জামানের বিরুদ্ধে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

নাম ঠিক রেখে পুলিশ কর্তার ছবি, তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও অন্তর্ভুক্ত, টাকা আদায়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় স্থানীয় ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবরে ওই ইউপির চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টুসহ পৃথক ৭ জনের বেশি ব্যক্তি আলাদা আলাদা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্ত উদ্যোক্তা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নে ২০১৬ সালের দিকে ১ হাজার ৮২৩ জনকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আনা হয়।

সম্প্রতি ওই ইউনিয়নের সুফলভোগী ভোক্তা নিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হলে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. বরকত উজ্জামান দায়িত্বে অসংগতি করে নতুন নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত, তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও ইচ্ছামতো নিবন্ধনে ছবি ব্যবহার করেন।

তিনি হানিফ মিয়া নামে এক ভোক্তার নামের পাশে দশমিনা থানার এএসআই মো. মাহবুবের ছবি দিয়ে নিবন্ধন করেন।

এছাড়াও ভুয়া নাম-ঠিকানা, ছবি ও মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করে ডিলারদের সহযোগিতায় চাল আত্মসাৎ করেছেন বলে লিখিত অভিযোগে বলা হয়। যাদের নামে চাল উত্তোলন করা হচ্ছে তারা জানেন না বলে অভিযোগে বলা হয়।

দশমিনা থানার এএসআই মো. মাহবুব বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নামে আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে এমন বিষয় আমার জানা নেই।অভিযোগের বিষয় মো. বরকত উজ্জামান বলেন, চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু আমাকে পছন্দ করেন না, তাই আমাকে বাদ দিতে চায়।

তিনি উদ্যোক্তা হিসেবে নেওয়ার জন্য তার নিজস্ব লোকও ঠিক করে রেখেছেন। আমাকে বাদ দিয়ে তাকে নেবেন। তাছাড়া আমি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মহিবুলের আত্মীয়। বাদ দেওয়ার এটাও একটা কারণ।

তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, প্রাথমিকভাবে কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১০ টাকা কেজির চালের তালিকায় পুলিশ কর্মকর্তার ছবি

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা বরকত উজ্জামানের বিরুদ্ধে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নিবন্ধনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

নাম ঠিক রেখে পুলিশ কর্তার ছবি, তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও অন্তর্ভুক্ত, টাকা আদায়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় স্থানীয় ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবরে ওই ইউপির চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টুসহ পৃথক ৭ জনের বেশি ব্যক্তি আলাদা আলাদা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্ত উদ্যোক্তা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নে ২০১৬ সালের দিকে ১ হাজার ৮২৩ জনকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আনা হয়।

সম্প্রতি ওই ইউনিয়নের সুফলভোগী ভোক্তা নিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হলে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. বরকত উজ্জামান দায়িত্বে অসংগতি করে নতুন নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত, তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও ইচ্ছামতো নিবন্ধনে ছবি ব্যবহার করেন।

তিনি হানিফ মিয়া নামে এক ভোক্তার নামের পাশে দশমিনা থানার এএসআই মো. মাহবুবের ছবি দিয়ে নিবন্ধন করেন।

এছাড়াও ভুয়া নাম-ঠিকানা, ছবি ও মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করে ডিলারদের সহযোগিতায় চাল আত্মসাৎ করেছেন বলে লিখিত অভিযোগে বলা হয়। যাদের নামে চাল উত্তোলন করা হচ্ছে তারা জানেন না বলে অভিযোগে বলা হয়।

দশমিনা থানার এএসআই মো. মাহবুব বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নামে আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে এমন বিষয় আমার জানা নেই।অভিযোগের বিষয় মো. বরকত উজ্জামান বলেন, চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু আমাকে পছন্দ করেন না, তাই আমাকে বাদ দিতে চায়।

তিনি উদ্যোক্তা হিসেবে নেওয়ার জন্য তার নিজস্ব লোকও ঠিক করে রেখেছেন। আমাকে বাদ দিয়ে তাকে নেবেন। তাছাড়া আমি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মহিবুলের আত্মীয়। বাদ দেওয়ার এটাও একটা কারণ।

তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, প্রাথমিকভাবে কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হবে।