সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন অ্যাম্বুলেন্স চালক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২ ৭০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এক রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স চালক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখা গেছে। ছবিতে চালক কানে স্টেথিস্কোপ লাগিয়ে একজন রোগীকে সেবা দিতে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ছবিটি নিয়ে চলে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।

আমজাদ হোসেন হাসপাতালের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও সুরুজ্জামান শামীম জানায়, আমজাদ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক হলেও মূলত সে একজন দালাল। তিনি চিকিৎসক নয়। রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এলে কখনও কখনও ড্রেসিং কাজে সাহায্য করে। তিনি কিছুই জানেন না। রোগীদের টেস্ট দিলে তিনি নিজে টেস্ট করতে নিয়ে যায়। তাদের সমস্যা সমাধান করে রোগীদের আত্মীয়-স্বজনদের থেকে আর্থিক সুবিধা নেয়।

তিনি আরও জানান, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রভাবশালী। যার কারণে আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিলেও তা হয় না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার একেএম শাহাবুদ্দিন জানায়, বাইরের কোনো লোক কোনো ক্রমেই জরুরি বিভাগে কাজ করতে পারে না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযুক্ত অ্যাম্বুলেন্সের চালক আমজাদ হোসেন জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে পাশের মোমিনপুর এলাকার মারামারিতে আহত এক রোগী আসে। এ সময়ে স্টাফ ইয়াসমিন তাকে রোগীর প্রেসার মাপতে বললে তিনি কাজ করছিলেন। এ সময় কেউ জানালা দিয়ে গোপনে ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা: রোজি আরা খাতুন বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি, গতকাল রাতে তার কোনো এক আত্মীয়কে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল। আমি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। হাসপাতালে যেন পরবর্তীতে কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করতে না পারে সে জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন অ্যাম্বুলেন্স চালক

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এক রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স চালক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখা গেছে। ছবিতে চালক কানে স্টেথিস্কোপ লাগিয়ে একজন রোগীকে সেবা দিতে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ছবিটি নিয়ে চলে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।

আমজাদ হোসেন হাসপাতালের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও সুরুজ্জামান শামীম জানায়, আমজাদ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক হলেও মূলত সে একজন দালাল। তিনি চিকিৎসক নয়। রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এলে কখনও কখনও ড্রেসিং কাজে সাহায্য করে। তিনি কিছুই জানেন না। রোগীদের টেস্ট দিলে তিনি নিজে টেস্ট করতে নিয়ে যায়। তাদের সমস্যা সমাধান করে রোগীদের আত্মীয়-স্বজনদের থেকে আর্থিক সুবিধা নেয়।

তিনি আরও জানান, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রভাবশালী। যার কারণে আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিলেও তা হয় না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার একেএম শাহাবুদ্দিন জানায়, বাইরের কোনো লোক কোনো ক্রমেই জরুরি বিভাগে কাজ করতে পারে না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযুক্ত অ্যাম্বুলেন্সের চালক আমজাদ হোসেন জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে পাশের মোমিনপুর এলাকার মারামারিতে আহত এক রোগী আসে। এ সময়ে স্টাফ ইয়াসমিন তাকে রোগীর প্রেসার মাপতে বললে তিনি কাজ করছিলেন। এ সময় কেউ জানালা দিয়ে গোপনে ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা: রোজি আরা খাতুন বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি, গতকাল রাতে তার কোনো এক আত্মীয়কে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল। আমি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। হাসপাতালে যেন পরবর্তীতে কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করতে না পারে সে জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।