সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

সারা বিশ্বে একইদিনে রোজা-ঈদ চান বিশেষজ্ঞরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মে ২০২২ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: সারা বিশ্বে রোজা ও ঈদ পালন নিয়ে মতপার্থক্যের অবসান চান বিশেষজ্ঞরা। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য থাকলেও বিশ্বে যেকোনো জায়গায় চাঁদ দেখা গেলেই সে অনুযায়ী রোজা-ঈদ পালন করার ওআইসির সিদ্ধান্ত মেনে চলা উচিত মুসলিম বিশ্বকে।

এক বিশ্ব, একটাই চাঁদ। কিন্তু ভৌগলিক কারণে একেক দেশে দেখা যায় একেক সময় ও একেক দিনে।

চাঁদ দেখে রোজা, চাঁদ দেখেই ঈদ। যেহেতু একেক দেশে একেক সময় চাঁদ দেখা যায় তাহলে রোজা ও ঈদ আলাদা আলাদাভাবে পালন করা হবে নাকি, মুসলিম বিশ্ব একসঙ্গে পালন করবে-এ নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েন মুসলিম উম্মাহ। যদিও বিশ্বের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে একসঙ্গে রোজা-ঈদ পালনে ১৯৮৬ সালে সিদ্ধান্ত হয় ওআইসি সম্মেলনে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ যা মেনে চলে।

অথচ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ এ অঞ্চলের কয়েকটি দেশে এ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। যে কারণে রোববার আফগানিস্তানে, সোমবার সৌদি আরবে এবং মঙ্গলবার ঈদ হচ্ছে বাংলাদেশে।

জ্যোতি বিজ্ঞানীদের প্রশ্ন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা হলেও রমজান মাস বা ঈদ কেনো একদিন পর হয়?

জ্যোতিবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী বলেন, এর কোনো কারণ দেখছি না। বাংলাদেশে যখন হরাইজন সেন্টারের দুই ডিগ্রি উপরে থাকে। সূর্য না ডুবলে ওই আলোতে চাঁদ দেখা যায় না।

চাঁদ যেহেতু প্রতি ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা সময়ে তার নিজস্ব পরিক্রমণ শেষ করে। ফলে এক চন্দ্রবছর হতে সময় লাগে ৩৫৪ দিন ৮ ঘণ্টা। সে হিসেবে আরবি মাস কখনও ২৯ দিনে আবার কখনও ৩০ দিনে হওয়ার কথা।

এ প্রশ্ন নিয়ে রয়েছে বিতর্ক, রয়েছে মতবিরোধ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানী বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহেদির রশিদ বলেন, একই সময়ে চাঁদ দেখা নিয়ে কিছুটা মতপার্থক্য হয়। যেহেতু চাঁদ দেখার প্রক্রিয়াটা পৃথিবীর রোটেশনের সঙ্গে দৃশ্যমান হতে থাকে।

সৌর বর্ষের তুলনায় চন্দ্রবর্ষ ১১ দিন কম থাকে আর এ কারণেই চন্দ্র মাস প্রতি বছর ১১ দিন পেছাতে থাকে যে কারণে সৌরসনের সঙ্গে পরের বছরই দেখা যায় চন্দ্রসনের বড় পার্থক্য।

তবে এ বিষয়ে অভিন্ন সিদ্ধান্তে আসা উচিত বলে মনে করেন বিশেজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সারা বিশ্বে একইদিনে রোজা-ঈদ চান বিশেষজ্ঞরা

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মে ২০২২

অনলাইন ডেস্ক:: সারা বিশ্বে রোজা ও ঈদ পালন নিয়ে মতপার্থক্যের অবসান চান বিশেষজ্ঞরা। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য থাকলেও বিশ্বে যেকোনো জায়গায় চাঁদ দেখা গেলেই সে অনুযায়ী রোজা-ঈদ পালন করার ওআইসির সিদ্ধান্ত মেনে চলা উচিত মুসলিম বিশ্বকে।

এক বিশ্ব, একটাই চাঁদ। কিন্তু ভৌগলিক কারণে একেক দেশে দেখা যায় একেক সময় ও একেক দিনে।

চাঁদ দেখে রোজা, চাঁদ দেখেই ঈদ। যেহেতু একেক দেশে একেক সময় চাঁদ দেখা যায় তাহলে রোজা ও ঈদ আলাদা আলাদাভাবে পালন করা হবে নাকি, মুসলিম বিশ্ব একসঙ্গে পালন করবে-এ নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েন মুসলিম উম্মাহ। যদিও বিশ্বের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে একসঙ্গে রোজা-ঈদ পালনে ১৯৮৬ সালে সিদ্ধান্ত হয় ওআইসি সম্মেলনে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ যা মেনে চলে।

অথচ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ এ অঞ্চলের কয়েকটি দেশে এ নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। যে কারণে রোববার আফগানিস্তানে, সোমবার সৌদি আরবে এবং মঙ্গলবার ঈদ হচ্ছে বাংলাদেশে।

জ্যোতি বিজ্ঞানীদের প্রশ্ন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা হলেও রমজান মাস বা ঈদ কেনো একদিন পর হয়?

জ্যোতিবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী বলেন, এর কোনো কারণ দেখছি না। বাংলাদেশে যখন হরাইজন সেন্টারের দুই ডিগ্রি উপরে থাকে। সূর্য না ডুবলে ওই আলোতে চাঁদ দেখা যায় না।

চাঁদ যেহেতু প্রতি ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা সময়ে তার নিজস্ব পরিক্রমণ শেষ করে। ফলে এক চন্দ্রবছর হতে সময় লাগে ৩৫৪ দিন ৮ ঘণ্টা। সে হিসেবে আরবি মাস কখনও ২৯ দিনে আবার কখনও ৩০ দিনে হওয়ার কথা।

এ প্রশ্ন নিয়ে রয়েছে বিতর্ক, রয়েছে মতবিরোধ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানী বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহেদির রশিদ বলেন, একই সময়ে চাঁদ দেখা নিয়ে কিছুটা মতপার্থক্য হয়। যেহেতু চাঁদ দেখার প্রক্রিয়াটা পৃথিবীর রোটেশনের সঙ্গে দৃশ্যমান হতে থাকে।

সৌর বর্ষের তুলনায় চন্দ্রবর্ষ ১১ দিন কম থাকে আর এ কারণেই চন্দ্র মাস প্রতি বছর ১১ দিন পেছাতে থাকে যে কারণে সৌরসনের সঙ্গে পরের বছরই দেখা যায় চন্দ্রসনের বড় পার্থক্য।

তবে এ বিষয়ে অভিন্ন সিদ্ধান্তে আসা উচিত বলে মনে করেন বিশেজ্ঞরা।