সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বানারীপাড়ার সেই হারিছাকে মুঠোফোনে অভিনন্দন জানালেন নৌ-প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২ ১২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি॥ দারিদ্রতাকে জয় করে রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বরিশালের বানারীপাড়ার অদম্য মেধাবী সাদিয়া আফরিন হারিছাকে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী মুঠোফোনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১৭ এপ্রিল রবিবার দুপুর দেড়টায় বানারীপাড়ার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে হারিছাদের বাসায় গিয়ে তাকে ও তার পিতা রিকশা শ্রমিক মিজানুর রহমান হাওলাদার এবং মাতা রাজিয়া বেগমকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। আনিসুর রহমান এসময় হারিছাকে লেখাপড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কল্যাণ ট্রাষ্ট ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে দুটি স্কলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলিয়ে দেন। এসময় নৌ-প্রতিমন্ত্রী প্রতিকুলতাকে জয় করে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করায় হারিছাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তার লেখাপড়ায় সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
প্রসঙ্গত সাদিয়া আফরিন হারিছা মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পরেও তার দু’চোখে অমানিশার ঘোর অন্ধকার দেখা দেয়। হারিছার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় ‘দারিদ্রতা’ নামক ‘অভিশাপ’। লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করা তার রিক্সা শ্রমিক পিতার পক্ষে দুঃসাধ্য ছিল। তাইতো মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েও স্বস্তি ছিলনা হারিছার মনে। তার এ সাফল্যে দরিদ্র পিতা-মাতা উচ্ছ্বসিত হলেও মেয়ের ডাক্তারী পড়ার ব্যয়ভার বহন করা নিয়ে তাদেরকে শঙ্কা ও দুঃশ্চিন্তা তাড়া করে ফিরছিল। এনিয়ে পত্রিকায় মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপ হারিছা ও তার তিন বোনের লেখাপড়াসহ দরিদ্র পরিবারটির সার্বিক দায়িত্ব নেয়। ফলে তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে আসে। ###

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ার সেই হারিছাকে মুঠোফোনে অভিনন্দন জানালেন নৌ-প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি॥ দারিদ্রতাকে জয় করে রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বরিশালের বানারীপাড়ার অদম্য মেধাবী সাদিয়া আফরিন হারিছাকে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী মুঠোফোনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১৭ এপ্রিল রবিবার দুপুর দেড়টায় বানারীপাড়ার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে হারিছাদের বাসায় গিয়ে তাকে ও তার পিতা রিকশা শ্রমিক মিজানুর রহমান হাওলাদার এবং মাতা রাজিয়া বেগমকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। আনিসুর রহমান এসময় হারিছাকে লেখাপড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কল্যাণ ট্রাষ্ট ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে দুটি স্কলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলিয়ে দেন। এসময় নৌ-প্রতিমন্ত্রী প্রতিকুলতাকে জয় করে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করায় হারিছাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তার লেখাপড়ায় সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
প্রসঙ্গত সাদিয়া আফরিন হারিছা মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পরেও তার দু’চোখে অমানিশার ঘোর অন্ধকার দেখা দেয়। হারিছার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় ‘দারিদ্রতা’ নামক ‘অভিশাপ’। লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করা তার রিক্সা শ্রমিক পিতার পক্ষে দুঃসাধ্য ছিল। তাইতো মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েও স্বস্তি ছিলনা হারিছার মনে। তার এ সাফল্যে দরিদ্র পিতা-মাতা উচ্ছ্বসিত হলেও মেয়ের ডাক্তারী পড়ার ব্যয়ভার বহন করা নিয়ে তাদেরকে শঙ্কা ও দুঃশ্চিন্তা তাড়া করে ফিরছিল। এনিয়ে পত্রিকায় মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপ হারিছা ও তার তিন বোনের লেখাপড়াসহ দরিদ্র পরিবারটির সার্বিক দায়িত্ব নেয়। ফলে তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে আসে। ###