সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বানারীপাড়ার সেই হারিছাকে মুঠোফোনে অভিনন্দন জানালেন নৌ-প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি॥ দারিদ্রতাকে জয় করে রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বরিশালের বানারীপাড়ার অদম্য মেধাবী সাদিয়া আফরিন হারিছাকে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী মুঠোফোনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১৭ এপ্রিল রবিবার দুপুর দেড়টায় বানারীপাড়ার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে হারিছাদের বাসায় গিয়ে তাকে ও তার পিতা রিকশা শ্রমিক মিজানুর রহমান হাওলাদার এবং মাতা রাজিয়া বেগমকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। আনিসুর রহমান এসময় হারিছাকে লেখাপড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কল্যাণ ট্রাষ্ট ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে দুটি স্কলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলিয়ে দেন। এসময় নৌ-প্রতিমন্ত্রী প্রতিকুলতাকে জয় করে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করায় হারিছাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তার লেখাপড়ায় সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
প্রসঙ্গত সাদিয়া আফরিন হারিছা মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পরেও তার দু’চোখে অমানিশার ঘোর অন্ধকার দেখা দেয়। হারিছার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় ‘দারিদ্রতা’ নামক ‘অভিশাপ’। লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করা তার রিক্সা শ্রমিক পিতার পক্ষে দুঃসাধ্য ছিল। তাইতো মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েও স্বস্তি ছিলনা হারিছার মনে। তার এ সাফল্যে দরিদ্র পিতা-মাতা উচ্ছ্বসিত হলেও মেয়ের ডাক্তারী পড়ার ব্যয়ভার বহন করা নিয়ে তাদেরকে শঙ্কা ও দুঃশ্চিন্তা তাড়া করে ফিরছিল। এনিয়ে পত্রিকায় মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপ হারিছা ও তার তিন বোনের লেখাপড়াসহ দরিদ্র পরিবারটির সার্বিক দায়িত্ব নেয়। ফলে তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে আসে। ###

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ার সেই হারিছাকে মুঠোফোনে অভিনন্দন জানালেন নৌ-প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি॥ দারিদ্রতাকে জয় করে রাজশাহী মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বরিশালের বানারীপাড়ার অদম্য মেধাবী সাদিয়া আফরিন হারিছাকে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী মুঠোফোনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১৭ এপ্রিল রবিবার দুপুর দেড়টায় বানারীপাড়ার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে হারিছাদের বাসায় গিয়ে তাকে ও তার পিতা রিকশা শ্রমিক মিজানুর রহমান হাওলাদার এবং মাতা রাজিয়া বেগমকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। আনিসুর রহমান এসময় হারিছাকে লেখাপড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কল্যাণ ট্রাষ্ট ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে দুটি স্কলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলিয়ে দেন। এসময় নৌ-প্রতিমন্ত্রী প্রতিকুলতাকে জয় করে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করায় হারিছাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তার লেখাপড়ায় সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
প্রসঙ্গত সাদিয়া আফরিন হারিছা মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পরেও তার দু’চোখে অমানিশার ঘোর অন্ধকার দেখা দেয়। হারিছার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় ‘দারিদ্রতা’ নামক ‘অভিশাপ’। লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করা তার রিক্সা শ্রমিক পিতার পক্ষে দুঃসাধ্য ছিল। তাইতো মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েও স্বস্তি ছিলনা হারিছার মনে। তার এ সাফল্যে দরিদ্র পিতা-মাতা উচ্ছ্বসিত হলেও মেয়ের ডাক্তারী পড়ার ব্যয়ভার বহন করা নিয়ে তাদেরকে শঙ্কা ও দুঃশ্চিন্তা তাড়া করে ফিরছিল। এনিয়ে পত্রিকায় মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপ হারিছা ও তার তিন বোনের লেখাপড়াসহ দরিদ্র পরিবারটির সার্বিক দায়িত্ব নেয়। ফলে তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে আসে। ###