সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

হবিগঞ্জে ছাত্রীকে কুপানোর অন্তরালে প্রেমিকের চোখ ফাকি দিয়ে অন্য যুবকের সাথে রাত্রীযাপন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মার্চ ২০২১ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের ঘুমন্ত স্কুল ছাত্রীকে কুপিয়ে জখম করে থাকে দূর্বিত্তরা ১০ মার্চ বুধবার। গোঠা সিলেট জুড়ে চলে মিডিয়ায় আলোচনার ঝড়। লোক চোখে অন্তরালে ছিল ঘটনাকে ঘিরে নানা ধ্রুম জাল। অবশেষে তা গুমর পাশ হলো,স্থানীয় এক অনলাইন নিউজ পোর্টালে চলে আসে আসল রহস্য। পুলিশের ও এলাকা মানুষের কাছে ধীরে ধীরে বের হয়ে আসছে থলের বিড়াল। জানা যায, হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ঘুমন্ত স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশের সাড়াষি অভিযান চললেও গ্রেফতার হয়নি আসামী। সেই সাথে ঘটনার কারণ নিয়ে রয়েছে দ্বিমত। স্কুলছাত্রীর পরিবার বলছে, বড় বোনের হত্যা মামলার স্বাক্ষী হওয়ায় এই হামলা। অন্য দিকে পুলিশ বলছে, প্রেম ঘটিত কারণে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়েছে এক যুবক।
এদিকে, ঘটনার ক্লু সিহেবে স্কুলছাত্রীর ঘর থেকে এক যুবকের কাপড়, জুতা, মোবাইল ও কনডম উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১০ মার্চ) ভোরে বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামে ঘুমন্ত স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ সময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থার সকাল ১০টার দিকে তাকে সিলেটে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। বর্তমানে আহত স্কুল ছাত্রী এখন ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, মারজানা আক্তার (১৮) স্থানীয় হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। বাবা মোস্তফা মিয়া মারা যাওয়ার পর জীবিকার তাগিদে তার মা অন্যত্র থাকনে। যে কারণে মারজানা একাই থাকত বাড়িতে। মারজানার মা মাধুমালা জানান, তার বড় মেয়ে ফারজানাকে তিন বছর আগে একই এলাকার কয়েক জন হত্যা করে। সেই হত্যা মামলার স্বাক্ষী ছিল ছোট মেয়ে মারজানা। আসামিরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বেশ কিছু দিন ধরেই চাপ দিয়ে আসছিল। এ কারণেই মারজানার উপর হামলা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. সেলিম বলেন, স্কুলছাত্রীর পরিবার দাবি করছে পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশে প্রাথমিক ধারনায় বিষয়টি দেখা যাচ্ছে মূলত প্রেম ঘটিত কারণে এ মামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পর স্কুলছাত্রীর ঘর থেকে এক যুবকের কাপড়, জুতা, মোবাইল ও কনডম উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে বাকি তথ্য অভিযুক্ত যুবকে গ্রেফতারের পর জানানো হবে।
এদিকে পুলিশ সোর্স বলছে, একাধিক যুবকের সাথে মারজানার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন রাতে এক যুবকের সাথে সে রাত্রীযাপন করে। বিষয়টি জেনে অপর প্রেমিক তার উপর হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ শামীম বলেন, ঘটনাটি শুনার পরই আমি পুলিশের সাথে পরিদর্শনে যাই। কিন্তু এখনও ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ভিন্ন-ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ ঘটনার মূল হোতা গ্রেফতার হলে বের হয়ে থলের বিড়াল ও ছাত্রী কুপানোর অন্তরালে কি ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হবিগঞ্জে ছাত্রীকে কুপানোর অন্তরালে প্রেমিকের চোখ ফাকি দিয়ে অন্য যুবকের সাথে রাত্রীযাপন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মার্চ ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের ঘুমন্ত স্কুল ছাত্রীকে কুপিয়ে জখম করে থাকে দূর্বিত্তরা ১০ মার্চ বুধবার। গোঠা সিলেট জুড়ে চলে মিডিয়ায় আলোচনার ঝড়। লোক চোখে অন্তরালে ছিল ঘটনাকে ঘিরে নানা ধ্রুম জাল। অবশেষে তা গুমর পাশ হলো,স্থানীয় এক অনলাইন নিউজ পোর্টালে চলে আসে আসল রহস্য। পুলিশের ও এলাকা মানুষের কাছে ধীরে ধীরে বের হয়ে আসছে থলের বিড়াল। জানা যায, হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ঘুমন্ত স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশের সাড়াষি অভিযান চললেও গ্রেফতার হয়নি আসামী। সেই সাথে ঘটনার কারণ নিয়ে রয়েছে দ্বিমত। স্কুলছাত্রীর পরিবার বলছে, বড় বোনের হত্যা মামলার স্বাক্ষী হওয়ায় এই হামলা। অন্য দিকে পুলিশ বলছে, প্রেম ঘটিত কারণে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়েছে এক যুবক।
এদিকে, ঘটনার ক্লু সিহেবে স্কুলছাত্রীর ঘর থেকে এক যুবকের কাপড়, জুতা, মোবাইল ও কনডম উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১০ মার্চ) ভোরে বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামে ঘুমন্ত স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ সময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থার সকাল ১০টার দিকে তাকে সিলেটে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। বর্তমানে আহত স্কুল ছাত্রী এখন ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, মারজানা আক্তার (১৮) স্থানীয় হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। বাবা মোস্তফা মিয়া মারা যাওয়ার পর জীবিকার তাগিদে তার মা অন্যত্র থাকনে। যে কারণে মারজানা একাই থাকত বাড়িতে। মারজানার মা মাধুমালা জানান, তার বড় মেয়ে ফারজানাকে তিন বছর আগে একই এলাকার কয়েক জন হত্যা করে। সেই হত্যা মামলার স্বাক্ষী ছিল ছোট মেয়ে মারজানা। আসামিরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বেশ কিছু দিন ধরেই চাপ দিয়ে আসছিল। এ কারণেই মারজানার উপর হামলা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. সেলিম বলেন, স্কুলছাত্রীর পরিবার দাবি করছে পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশে প্রাথমিক ধারনায় বিষয়টি দেখা যাচ্ছে মূলত প্রেম ঘটিত কারণে এ মামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পর স্কুলছাত্রীর ঘর থেকে এক যুবকের কাপড়, জুতা, মোবাইল ও কনডম উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে বাকি তথ্য অভিযুক্ত যুবকে গ্রেফতারের পর জানানো হবে।
এদিকে পুলিশ সোর্স বলছে, একাধিক যুবকের সাথে মারজানার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন রাতে এক যুবকের সাথে সে রাত্রীযাপন করে। বিষয়টি জেনে অপর প্রেমিক তার উপর হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ শামীম বলেন, ঘটনাটি শুনার পরই আমি পুলিশের সাথে পরিদর্শনে যাই। কিন্তু এখনও ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ভিন্ন-ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ ঘটনার মূল হোতা গ্রেফতার হলে বের হয়ে থলের বিড়াল ও ছাত্রী কুপানোর অন্তরালে কি ছিল।