সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, বাবুগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজের উদ্বোধন বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে শয়ন কক্ষে ঢুকে ঘুমন্ত ছাত্রীকেকূপিয়ে আহত মারজিয়া ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাদিন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১ ১২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ বানিয়াচংয়ে ১০ মার্চ বুধবার ভোরে এক স্কুল ছাত্রী মারজিয়া বেগম (১৮) ঘুমন্ত অবস্থায় দূর্বত্তরা দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে এ অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা দিন রয়েছে। অচেতন অবস্থায় আহত মারজিয়াকে সিলেট ওসমানী হাসপালে প্রেরণ করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক, বর্তমানে সে ওসমানী হাসপাতালে মহিলা ওয়ার্ডের চিকিৎসাদিন আছে। তবে জ্ঞান ফিরলে সেও এখনও স্বাভাবিক ভাবে কথাবার্তা কিংবা নাড়াছাড়া করতে পারছে না। কর্তব্যরত চিকিৎসকের সাথে কথা বলে তারা জানান,মাথায় বেশ কয়েটি মারাত্মক জখম রয়েছে। তাছাড়া শরিরের বিভিন্ন জায়গায়ও জখম রয়েছে যার ফলে সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে।
আহত ছাত্রী মারজিয়া (১৮) বানিয়াচং উপজেলার ১২ নম্বর সুজাতপুর ইউপি‘র ইকরাম গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার কন্যা। সে স্থানীয় বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। আহত ছাত্রীর শয়ন কক্ষ থেকে পাশ্ববর্তী গ্রামের এক যুবকের মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন ও আইডি কার্ড উদ্ধার করেছে বানিয়াচং থানা পুলিশ। সন্দেহে ওই যুবকে খুঁজছে পুলিশ।
ওসমানী হাসপাতালে মারজিয়ার সাথে থাকা এক নারী জানান, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে আহত ছাত্রীর শয়ন কক্ষে প্রতিদিনের ন্যায় ওই ছাত্রী বাড়ীর পাকা বসত ঘরে তার নিজস্ব শয়ন কক্ষে একা একা রাতে শুয়ে ছিলেন।
১০ মার্চ বুধবার ভোরে এক প্রতিবেশী ওই ছাত্রীর ঘরের দরজা খোলা দেখে কাছে গিয়ে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে ছাত্রীর পরিবার ও লোকজনকে জড়ো করেন। কিশোরির স্বজনদেন দাবি পূর্ববিরোধের জেরে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকের পরামর্শে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরন করেন।
এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানা ইনচার্য মোঃ এমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আহত ছাত্রীকে চিকেৎসা দেওয়া হচ্ছে। থানা পুলিশ অতিশীঘ্রই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারবে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখত অভিযোগ দাখিল করলে নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে। তারপর পুলিশ অপরাধীদের ধরতে বিভিন্ন কৌশলে ব্যবহার করছে।
এলাবাসীর সূত্রে জানা যায়. হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আহত বড় বোনকে হত্যার তিন বছর পর ছোট বোনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে দূর্বত্তরা এসব ঘটনার অন্তরালে কি রহস্য খুজতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. সেলিম জানান, মারজানা আক্তারের বাবা মারা গেছেন। জীবিকার তাগিদে মাও অন্যত্র কাজ করেন। যে কারণে মারজানা একাই বাড়িতে থাকতেন। বুধবার সকালে কে বা কারা ঘরে প্রবেশ করে তাকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
তবে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও মামলার কোন প্রস্তুতি নেয়নি বলে জানা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে শয়ন কক্ষে ঢুকে ঘুমন্ত ছাত্রীকেকূপিয়ে আহত মারজিয়া ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাদিন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ বানিয়াচংয়ে ১০ মার্চ বুধবার ভোরে এক স্কুল ছাত্রী মারজিয়া বেগম (১৮) ঘুমন্ত অবস্থায় দূর্বত্তরা দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে এ অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা দিন রয়েছে। অচেতন অবস্থায় আহত মারজিয়াকে সিলেট ওসমানী হাসপালে প্রেরণ করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক, বর্তমানে সে ওসমানী হাসপাতালে মহিলা ওয়ার্ডের চিকিৎসাদিন আছে। তবে জ্ঞান ফিরলে সেও এখনও স্বাভাবিক ভাবে কথাবার্তা কিংবা নাড়াছাড়া করতে পারছে না। কর্তব্যরত চিকিৎসকের সাথে কথা বলে তারা জানান,মাথায় বেশ কয়েটি মারাত্মক জখম রয়েছে। তাছাড়া শরিরের বিভিন্ন জায়গায়ও জখম রয়েছে যার ফলে সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে।
আহত ছাত্রী মারজিয়া (১৮) বানিয়াচং উপজেলার ১২ নম্বর সুজাতপুর ইউপি‘র ইকরাম গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার কন্যা। সে স্থানীয় বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। আহত ছাত্রীর শয়ন কক্ষ থেকে পাশ্ববর্তী গ্রামের এক যুবকের মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন ও আইডি কার্ড উদ্ধার করেছে বানিয়াচং থানা পুলিশ। সন্দেহে ওই যুবকে খুঁজছে পুলিশ।
ওসমানী হাসপাতালে মারজিয়ার সাথে থাকা এক নারী জানান, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে আহত ছাত্রীর শয়ন কক্ষে প্রতিদিনের ন্যায় ওই ছাত্রী বাড়ীর পাকা বসত ঘরে তার নিজস্ব শয়ন কক্ষে একা একা রাতে শুয়ে ছিলেন।
১০ মার্চ বুধবার ভোরে এক প্রতিবেশী ওই ছাত্রীর ঘরের দরজা খোলা দেখে কাছে গিয়ে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে ছাত্রীর পরিবার ও লোকজনকে জড়ো করেন। কিশোরির স্বজনদেন দাবি পূর্ববিরোধের জেরে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকের পরামর্শে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরন করেন।
এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানা ইনচার্য মোঃ এমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আহত ছাত্রীকে চিকেৎসা দেওয়া হচ্ছে। থানা পুলিশ অতিশীঘ্রই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারবে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখত অভিযোগ দাখিল করলে নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে। তারপর পুলিশ অপরাধীদের ধরতে বিভিন্ন কৌশলে ব্যবহার করছে।
এলাবাসীর সূত্রে জানা যায়. হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আহত বড় বোনকে হত্যার তিন বছর পর ছোট বোনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে দূর্বত্তরা এসব ঘটনার অন্তরালে কি রহস্য খুজতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. সেলিম জানান, মারজানা আক্তারের বাবা মারা গেছেন। জীবিকার তাগিদে মাও অন্যত্র কাজ করেন। যে কারণে মারজানা একাই বাড়িতে থাকতেন। বুধবার সকালে কে বা কারা ঘরে প্রবেশ করে তাকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
তবে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও মামলার কোন প্রস্তুতি নেয়নি বলে জানা যায়।