মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ। আজকের ক্রাইম-নিউজ কি
- আপডেট সময় : ০৪:০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১ ১৮১ বার পড়া হয়েছে

(জলিল আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার)
বরগুনা জেলার তালতলীতে ১১বছরের শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টর অবিযোগ উঠেছে তালতলী সরকারি কলেজের নৈশ প্রহরী ও তালতলী কলেজ মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে তালতলী থানায় রোববার রাতে অভিযোগ দিয়েছে শিশুর মা মরজিনা আক্তার।অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গোলবার শিশুর জবানবন্দি নেয়ার জন্য আদালতে পাঠান থানা পুলিশ। পরে আজ সোমবার বিকেল চারটায় আমতলীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে জবানবন্দি দেয় শিশুটি।
তালতলী থানা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, জেলার তালতলী উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের পূর্বপাশে একটি ভাড়া বাসায় ঐ শিশু ও তার মা মর্জিনা বেগম বসবাস করেন। মা মর্জিনা বেগম একটি এনজিওতে আয়ার কাজ করেন । সেই সুবাদে তিনি কাজে যান। এই সুযোগে গতকাল রবিবার দুপুরের দিকে নৈশপ্রহরী গোলাম মোস্তফা তাদের ঘরে যায় পানি খাওয়ার কথা বলে। শিশুটি পানি নিয়ে আসার সাথে সাথেই ঘরের ভিতরে নিয়ে জোরপূর্বক ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তিনি। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসলে গোলাম মস্তফা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রোববার রাতে শিশুর মা বাদী হয়ে নৈশপ্রহরী গোলাম মোস্তফাকে অভিযুক্ত করে তালতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী মর্জিনা আক্তার বলেন,আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি গরিব মানুষ টাকা পয়সা নাই মামলা চালাবো কিভাবে।
এ বিষয় অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করার চেস্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ছেলে মোঃ ফায়জুল বলেন,আমার বাবা এই কাজ করতে পারেনা।আমার পাচ ওয়াক্ত নামাজ পরে। যে এই মামলা করেছে তিনি ওই মেয়ের সৎ মা। তাই ওই সৎ মা তার মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়তো টাকা পয়সা খাওয়ার জন্য এই কাজ করছে।
তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানান, শিশু ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শিশুটির জবানবন্দি নিতে আমতলী কোর্টে পাঠানো হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


























