সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

বানারীপাড়ায় কাউন্সিলর প্রার্থী এসএম আকবরের বিরুদ্ধে আদালতের রেকর্ড সহকারীর জিডি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডে

কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান প্যানেল মেয়র এসএম আকবরের বিরুদ্ধে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বরিশাল

যুগ্ম-জেলা জজ ১ম আদালতের রেকর্ড সহকারী আক্তারুজ্জামান ডলার সাধারণ ডায়েরী করেছেন।

২৭ জানুয়ারী

বুধবার রাতে বানারীপাড়া থানায় এ সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এতে

এসএম আকবর ছাড়াও তার ভাতিজা ফজলুল হক সরদার,শাহিন সরদার ও বিপ্লব সরদারসহ ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনা হয়। সাধারণ ডায়েরী সূত্রে জানা গেছে আক্তারুজ্জামান ডলারকে

পিটিয়ে ও কুুুপিয়ে জখম করার অভিযোগে তার স্ত্রী মৌমিতা আলম বন্যা (৩০) বাদী হয়ে ১১ জানুয়ারি বানারীপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্্সিলর ও প্যনেল মেয়র এসএম আকবর সরদার তার ভাতিজা মো. ফজলুল হক সরদার, মো. শাহিন সরদার ও বিপ্লব সরদার এছাড়াও আরও ৩/৪ জনকে ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়।

মামলা সূত্রে জানাগেছে ১০ জানুয়ারি রবিবার বিকেল ৫ টার সময় বাদীর স্বামী ডলার তার কর্মস্থল বরিশাল আদালত হতে বানারীপাড়ার উদ্দেশ্যে আসার পথে পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের কুন্দিহার বায়তুল আমান সড়কের ব্রিজের সামনে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে পৌছা মাত্র আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় দাঁ, লোহার রড ও লাঠি সোটা নিয়ে বাদীর স্বামীর পথরোধ করে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করার এক পর্যায়ে এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। কাউন্সিলর এস এম আকবর তার হাতে থাকা দাঁ দিয়ে আহতের মাথা লক্ষ করে কোপ দিলে তার মাথা কেটে যায় বলেও বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন।

এছাড়াও মামলায় উল্লেখ করা হয় আহতের পকেট থেকে নগদ ৫ হাজার ৫ শত টাকা জোর পূর্বব ভাবে নিয়ে যায়। ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন যার মূল্য ৭০ হাজার টাকা, একটি আইফোন যাহার মূল্য ৭০ হাজার টাকা ও ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ঘড়িও নিয়ে যায়।

এ সময় রেকর্ড সহকারী ডলারের ডাকচিৎকারে স্বাক্ষীসহ আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে উল্লেখিত আসামীরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকী দিয়ে ঢাকা-মেট্টো-গ-১৭৬৩০১ নম্বরের একটি প্রাইভেট কার যোগে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ডলারকে প্রথমে বানারীপাড়া ও পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসএম আকবর ও তার ভাতিজাদেন সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তাদের বিচারের দাবীতে ছাত্রবন্ধন ফোরাম পৌর শহরে পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটায়।

২০ জানুয়ারী প্যানেল মেয়র এসএম আকবরসহ মামলার অপর আসামীরা হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের অন্তবর্তিকালীন জামিন নেন। জামিনে এলাকায় ফিরে ২৬ জানুয়ারী বিকালে আসামীরা ডলারের বাড়িতে গিয়ে ও পথের মধ্যে সাক্ষীদের পেয়ে আগামী ৭দিনের মধ্যে মামলা তুলে না নিলে হাত-পায়ের রগ কেটে ফেলাসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং লোকজন দিয়ে তার বিরুদ্ধে সাঁটানো পোষ্টার ও ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়।

ফলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বানারীপাড়া থানায় ২৭ জানুয়ারী রাতে এ সাধারণ ডায়েরী করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় কাউন্সিলর প্রার্থী এসএম আকবরের বিরুদ্ধে আদালতের রেকর্ড সহকারীর জিডি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডে

কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান প্যানেল মেয়র এসএম আকবরের বিরুদ্ধে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বরিশাল

যুগ্ম-জেলা জজ ১ম আদালতের রেকর্ড সহকারী আক্তারুজ্জামান ডলার সাধারণ ডায়েরী করেছেন।

২৭ জানুয়ারী

বুধবার রাতে বানারীপাড়া থানায় এ সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এতে

এসএম আকবর ছাড়াও তার ভাতিজা ফজলুল হক সরদার,শাহিন সরদার ও বিপ্লব সরদারসহ ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনা হয়। সাধারণ ডায়েরী সূত্রে জানা গেছে আক্তারুজ্জামান ডলারকে

পিটিয়ে ও কুুুপিয়ে জখম করার অভিযোগে তার স্ত্রী মৌমিতা আলম বন্যা (৩০) বাদী হয়ে ১১ জানুয়ারি বানারীপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্্সিলর ও প্যনেল মেয়র এসএম আকবর সরদার তার ভাতিজা মো. ফজলুল হক সরদার, মো. শাহিন সরদার ও বিপ্লব সরদার এছাড়াও আরও ৩/৪ জনকে ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়।

মামলা সূত্রে জানাগেছে ১০ জানুয়ারি রবিবার বিকেল ৫ টার সময় বাদীর স্বামী ডলার তার কর্মস্থল বরিশাল আদালত হতে বানারীপাড়ার উদ্দেশ্যে আসার পথে পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের কুন্দিহার বায়তুল আমান সড়কের ব্রিজের সামনে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে পৌছা মাত্র আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় দাঁ, লোহার রড ও লাঠি সোটা নিয়ে বাদীর স্বামীর পথরোধ করে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করার এক পর্যায়ে এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। কাউন্সিলর এস এম আকবর তার হাতে থাকা দাঁ দিয়ে আহতের মাথা লক্ষ করে কোপ দিলে তার মাথা কেটে যায় বলেও বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন।

এছাড়াও মামলায় উল্লেখ করা হয় আহতের পকেট থেকে নগদ ৫ হাজার ৫ শত টাকা জোর পূর্বব ভাবে নিয়ে যায়। ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন যার মূল্য ৭০ হাজার টাকা, একটি আইফোন যাহার মূল্য ৭০ হাজার টাকা ও ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ঘড়িও নিয়ে যায়।

এ সময় রেকর্ড সহকারী ডলারের ডাকচিৎকারে স্বাক্ষীসহ আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে উল্লেখিত আসামীরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকী দিয়ে ঢাকা-মেট্টো-গ-১৭৬৩০১ নম্বরের একটি প্রাইভেট কার যোগে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ডলারকে প্রথমে বানারীপাড়া ও পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসএম আকবর ও তার ভাতিজাদেন সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তাদের বিচারের দাবীতে ছাত্রবন্ধন ফোরাম পৌর শহরে পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটায়।

২০ জানুয়ারী প্যানেল মেয়র এসএম আকবরসহ মামলার অপর আসামীরা হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের অন্তবর্তিকালীন জামিন নেন। জামিনে এলাকায় ফিরে ২৬ জানুয়ারী বিকালে আসামীরা ডলারের বাড়িতে গিয়ে ও পথের মধ্যে সাক্ষীদের পেয়ে আগামী ৭দিনের মধ্যে মামলা তুলে না নিলে হাত-পায়ের রগ কেটে ফেলাসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং লোকজন দিয়ে তার বিরুদ্ধে সাঁটানো পোষ্টার ও ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়।

ফলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বানারীপাড়া থানায় ২৭ জানুয়ারী রাতে এ সাধারণ ডায়েরী করা হয়।