সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

করোনার প্রভাবে দেশে দারিদ্র্য বেড়ে দ্বিগুণ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো: জাকিরুল ইসলাম, দাভুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি :::-

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ। ২০১৮ সালে যা ছিল ২৪.৫ শতাংশ। সে হিসাবে দুই বছরের ব্যবধানে দারিদ্র্যের হার প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

দেশব্যাপী খানা পর্যায়ের জরিপের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)। নিজেদের অর্থায়নে সংস্থাটি এই জরিপ পরিচালনা করেছে।

শনিবার ভার্চুয়াল আলোচনায় সানেমের এ জরিপ তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.৩০ শতাংশ। ২০১৮ সালে জিইডি সানেমের গবেষণা অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হার ২১.৬০ শতাংশ ছিল। কিন্তু সানেমের ২০২০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের গবেষণায় দারিদ্রের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ।

বিবিএসের খানা জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দেশের গ্রামাঞ্চলের সার্বিক দারিদ্র্যের হার ছিল ২৬.৪ শতাংশ। ২০১৮ সালের জিইডি-সানেম জরিপে যা ২৪.৫ শতাংশে নেমেছিল। কিন্তু করোনার প্রভাবে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়ে গেছে। শহরাঞ্চলে সার্বিক দারিদ্র্যের হার ২০১৬ সালে ছিল ১৮.৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছিল ১৬. ৩ শতাংশ। আর করোনার সময়ে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৩৫.৪ শতাংশ হয়েছে।

সানেমের জরিপে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে রেমিটেন্স বা প্রবাসীয় আয়ের ব্যাপক প্রবৃদ্ধি হলেও ব্যক্তি পর্যায়ে তা বরং কমে গেছে। কারণ হিসেবে বলা হয়, অনানুষ্ঠানিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসী আয় এসেছে। এতে বিনিময় হার কমে গেছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, করোনার প্রভাবে দরিদ্রতা নেমে আসায় মানুষ খাদ্যবহির্ভূত ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি অনেকে সঞ্চয় ভেঙে জীবন নির্বাহ করেছেন, কেউ ঋণ নিয়েছেন, আবার কেউ খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনেছেন।

সানেমের জরিপে আংশ নেওয়াদের মধ্যে ৭.৫২ শতাংশ পরিবার বলেছে, করোনার প্রভাবের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর কোনো পথই পায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনার প্রভাবে দেশে দারিদ্র্য বেড়ে দ্বিগুণ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১

মো: জাকিরুল ইসলাম, দাভুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি :::-

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ। ২০১৮ সালে যা ছিল ২৪.৫ শতাংশ। সে হিসাবে দুই বছরের ব্যবধানে দারিদ্র্যের হার প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

দেশব্যাপী খানা পর্যায়ের জরিপের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)। নিজেদের অর্থায়নে সংস্থাটি এই জরিপ পরিচালনা করেছে।

শনিবার ভার্চুয়াল আলোচনায় সানেমের এ জরিপ তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.৩০ শতাংশ। ২০১৮ সালে জিইডি সানেমের গবেষণা অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হার ২১.৬০ শতাংশ ছিল। কিন্তু সানেমের ২০২০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের গবেষণায় দারিদ্রের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ।

বিবিএসের খানা জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দেশের গ্রামাঞ্চলের সার্বিক দারিদ্র্যের হার ছিল ২৬.৪ শতাংশ। ২০১৮ সালের জিইডি-সানেম জরিপে যা ২৪.৫ শতাংশে নেমেছিল। কিন্তু করোনার প্রভাবে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়ে গেছে। শহরাঞ্চলে সার্বিক দারিদ্র্যের হার ২০১৬ সালে ছিল ১৮.৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছিল ১৬. ৩ শতাংশ। আর করোনার সময়ে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৩৫.৪ শতাংশ হয়েছে।

সানেমের জরিপে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে রেমিটেন্স বা প্রবাসীয় আয়ের ব্যাপক প্রবৃদ্ধি হলেও ব্যক্তি পর্যায়ে তা বরং কমে গেছে। কারণ হিসেবে বলা হয়, অনানুষ্ঠানিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসী আয় এসেছে। এতে বিনিময় হার কমে গেছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, করোনার প্রভাবে দরিদ্রতা নেমে আসায় মানুষ খাদ্যবহির্ভূত ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি অনেকে সঞ্চয় ভেঙে জীবন নির্বাহ করেছেন, কেউ ঋণ নিয়েছেন, আবার কেউ খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনেছেন।

সানেমের জরিপে আংশ নেওয়াদের মধ্যে ৭.৫২ শতাংশ পরিবার বলেছে, করোনার প্রভাবের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর কোনো পথই পায়নি।