সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

এবার আওয়ামী লীগের নেতার হাতে যুবলীগ নেতাকে লাঞ্চিত। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০১৯ ২৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউজ ডেক্স
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বরিশাল জেলা পরিষদ সদস্য সহিদুল ইসলাম হাওলাদার এর বিরূদ্ধে স্থানীয় যুবলীগ নেতাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোদ আ’লীগ কার্যালয়ে বসে এই তুলকালাম কান্ড ঘটান তিনি। গত ২ নভেম্বর শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কামারখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হলে কৌশলে সটকে পড়েন সহিদ হাওলাদার। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোন সময় বড় ধরনের অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, কামারখালী কেএসইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ বানিজ্য, ঘুষ, দুর্নীতি সহ নানা অভিযোগে আদালতে মামলা করেন কমিটির অপর দুই সদস্য কামাল খান ও সুলতান হাওলাদার। মামলা করায় বাদীদের হাত-পা ভেঙ্গে পঙ্গু করার হুমকি দেয় একটি মহল। এদিকে সহিদ হাওলাদারের বিরূদ্ধে একটি অভিযোগ ডাকযোগে ইউনিয়ন পরিষদে পৌছায়। এটি পেয়ে কৌতুহলী জনতা মৃদুলা স্টুডিওতে বসে পড়তে ভীড় জমায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কামারখালী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আ’লীগ নেতা মোঃ দুলাল এবং ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ফরহাদ খান। এ কারনে সহিদ হাওলাদারে ১০/১২ জনের ক্যাডার বাহিনী তাদেরকে ডেকে ইউনিয়ন আ’লীগ কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে সহিদ হাওলাদারে নেতৃত্বে তাদেরকে লাঞ্চিত করা হয়। এতে স্থানীয় জনতা প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। সহিদ হাওলাদারের বিচার চেয়ে স্লোগান দিতে থাকলে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়। খবর পেয়ে সরষী পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। সেই সুযোগে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন সহিদ হাওলাদার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহিদ হাওলাদার বলেন, এলাকার একটি গ্রুপ দীর্ঘদিন যাবত আমার নামে আজেবাজে লেখালেখি করছিল। তাই ঐদিন ওদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে। পরে শরষী পুলিশকে খবর দিলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ^াস দিয়েছে।
সরষী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সঞ্জিব বলেন, ওটা সম্ভবত তাদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা ছিল। খবর পেয়ে টহলরত পুলিশের এসআই হায়দার সহ একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। বিষয়টি সমাধান করতে আমিও এখন ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এবার আওয়ামী লীগের নেতার হাতে যুবলীগ নেতাকে লাঞ্চিত। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেক্স
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বরিশাল জেলা পরিষদ সদস্য সহিদুল ইসলাম হাওলাদার এর বিরূদ্ধে স্থানীয় যুবলীগ নেতাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোদ আ’লীগ কার্যালয়ে বসে এই তুলকালাম কান্ড ঘটান তিনি। গত ২ নভেম্বর শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কামারখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হলে কৌশলে সটকে পড়েন সহিদ হাওলাদার। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোন সময় বড় ধরনের অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, কামারখালী কেএসইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ বানিজ্য, ঘুষ, দুর্নীতি সহ নানা অভিযোগে আদালতে মামলা করেন কমিটির অপর দুই সদস্য কামাল খান ও সুলতান হাওলাদার। মামলা করায় বাদীদের হাত-পা ভেঙ্গে পঙ্গু করার হুমকি দেয় একটি মহল। এদিকে সহিদ হাওলাদারের বিরূদ্ধে একটি অভিযোগ ডাকযোগে ইউনিয়ন পরিষদে পৌছায়। এটি পেয়ে কৌতুহলী জনতা মৃদুলা স্টুডিওতে বসে পড়তে ভীড় জমায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কামারখালী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আ’লীগ নেতা মোঃ দুলাল এবং ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ফরহাদ খান। এ কারনে সহিদ হাওলাদারে ১০/১২ জনের ক্যাডার বাহিনী তাদেরকে ডেকে ইউনিয়ন আ’লীগ কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে সহিদ হাওলাদারে নেতৃত্বে তাদেরকে লাঞ্চিত করা হয়। এতে স্থানীয় জনতা প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। সহিদ হাওলাদারের বিচার চেয়ে স্লোগান দিতে থাকলে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়। খবর পেয়ে সরষী পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। সেই সুযোগে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন সহিদ হাওলাদার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহিদ হাওলাদার বলেন, এলাকার একটি গ্রুপ দীর্ঘদিন যাবত আমার নামে আজেবাজে লেখালেখি করছিল। তাই ঐদিন ওদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে। পরে শরষী পুলিশকে খবর দিলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ^াস দিয়েছে।
সরষী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সঞ্জিব বলেন, ওটা সম্ভবত তাদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা ছিল। খবর পেয়ে টহলরত পুলিশের এসআই হায়দার সহ একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। বিষয়টি সমাধান করতে আমিও এখন ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।