সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

প্রেমিকের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১ ১২০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
মাদারীপুরের ডাসারে নিখোঁজের ১১ মাস পর প্রেমিকের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ডাসার থানার পূর্ব বোতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, পূর্ব বোতলা গ্রামের চাঁনমিয়া হাওলাদারের দশম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে মুর্শিদা আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের মজিদ আকনের ছেলে সাহাবুদ্দিন আকনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মুর্শিদাকে বাড়ি থেকে চিকিৎসা করানোর কথা বলে নিয়ে যায় সাহাবুদ্দিন। এরপর নিখোঁজ হয় মুর্শিদা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদার পরিবার ডাসার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ৪ মার্চ সাহাবুদ্দিনসহ পাঁচজনকে আসামি করে ডাসার থানায় মামলা করেন মুর্শিদার মা মাহিনুর বেগম।

পরিবার সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের আবেদন করে বাদীপক্ষ। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর মাদারীপুর গোয়েন্দা পুলিশ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর মামলার আসামি সাহাবুদ্দিন আকন জামিন নিতে গেলে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই তারিকুল ইসলাম আসামি সাহাবুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শনিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে সাহাবুদ্দিন হত্যা ও মরদেহ গুম করার কথা স্বীকার করে। তার দেয়া তথ্যে রাতে সাহাবুদ্দিনের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মুর্শিদার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত স্কুলছাত্রীর মামা টিপু সুলতান বলেন, ‘আমার ভাগ্নিকে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সাহাবুদ্দিন তুলে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ অসহযোগিতা করে। পরে মামলা নিলেও আসামি গ্রেফতার করেনি। গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তভার গ্রহণের পর ক্লু উদ্ধার করা হয়েছে।’

মাদারীপুর জেলা ডিবি পুলিশের অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম বলেন, ‘আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাকে জামিন দেয়নি। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। আমরা তার তথ্যে মরদেহ উদ্ধার করেছি। তবে হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হয়নি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রেমিকের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ

আপডেট সময় : ০৬:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
মাদারীপুরের ডাসারে নিখোঁজের ১১ মাস পর প্রেমিকের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ডাসার থানার পূর্ব বোতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, পূর্ব বোতলা গ্রামের চাঁনমিয়া হাওলাদারের দশম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে মুর্শিদা আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের মজিদ আকনের ছেলে সাহাবুদ্দিন আকনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মুর্শিদাকে বাড়ি থেকে চিকিৎসা করানোর কথা বলে নিয়ে যায় সাহাবুদ্দিন। এরপর নিখোঁজ হয় মুর্শিদা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদার পরিবার ডাসার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ৪ মার্চ সাহাবুদ্দিনসহ পাঁচজনকে আসামি করে ডাসার থানায় মামলা করেন মুর্শিদার মা মাহিনুর বেগম।

পরিবার সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের আবেদন করে বাদীপক্ষ। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর মাদারীপুর গোয়েন্দা পুলিশ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর মামলার আসামি সাহাবুদ্দিন আকন জামিন নিতে গেলে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই তারিকুল ইসলাম আসামি সাহাবুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শনিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে সাহাবুদ্দিন হত্যা ও মরদেহ গুম করার কথা স্বীকার করে। তার দেয়া তথ্যে রাতে সাহাবুদ্দিনের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মুর্শিদার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত স্কুলছাত্রীর মামা টিপু সুলতান বলেন, ‘আমার ভাগ্নিকে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সাহাবুদ্দিন তুলে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ অসহযোগিতা করে। পরে মামলা নিলেও আসামি গ্রেফতার করেনি। গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তভার গ্রহণের পর ক্লু উদ্ধার করা হয়েছে।’

মাদারীপুর জেলা ডিবি পুলিশের অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম বলেন, ‘আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাকে জামিন দেয়নি। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। আমরা তার তথ্যে মরদেহ উদ্ধার করেছি। তবে হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হয়নি।’