আসামিদের মারধর করে স্বীকারোক্তি নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা! আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ০৯:০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ শেষে হত্যার শিকার কিশোরীর জীবিত ফেরার মামলায় তিন আসামিকে মারধর, ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এই কাজটি করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুন। হাইকোর্টে দাখিল করা বিচারিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এই সত্যতা বেরিয়ে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কোন অনিয়ম পাওয়া যায় নাই।
মামলার এজাহার, সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের বানবন্দি ও ভিকটিমের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে এই রিপোর্ট দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ফেরদৌস। রিপোর্টে নির্যাতন করে জবানবন্দি আদায়ের বিষয়ে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চে এ রিপোর্টের উপর আজ শুনানি হবে।
জীবিত থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত সদর থানার কার্যক্রমের বিষয়ে বিচারিক তদন্ত প্রতিবেদন গতকাল হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়।
এর আগে জীবিত থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত সদর থানার কার্যক্রমের বিষয়ে বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে এই প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।’


























