সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

আসামিদের মারধর করে স্বীকারোক্তি নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ শেষে হত্যার শিকার কিশোরীর জীবিত ফেরার মামলায় তিন আসামিকে মারধর, ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এই কাজটি করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুন। হাইকোর্টে দাখিল করা বিচারিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এই সত্যতা বেরিয়ে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কোন অনিয়ম পাওয়া যায় নাই।
মামলার এজাহার, সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের বানবন্দি ও ভিকটিমের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে এই রিপোর্ট দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ফেরদৌস। রিপোর্টে নির্যাতন করে জবানবন্দি আদায়ের বিষয়ে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চে এ রিপোর্টের উপর আজ শুনানি হবে।

জীবিত থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত সদর থানার কার্যক্রমের বিষয়ে বিচারিক তদন্ত প্রতিবেদন গতকাল হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়।

এর আগে জীবিত থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত সদর থানার কার্যক্রমের বিষয়ে বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে এই প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আসামিদের মারধর করে স্বীকারোক্তি নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক:: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ শেষে হত্যার শিকার কিশোরীর জীবিত ফেরার মামলায় তিন আসামিকে মারধর, ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এই কাজটি করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুন। হাইকোর্টে দাখিল করা বিচারিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এই সত্যতা বেরিয়ে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন আসামির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কোন অনিয়ম পাওয়া যায় নাই।
মামলার এজাহার, সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের বানবন্দি ও ভিকটিমের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে এই রিপোর্ট দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ফেরদৌস। রিপোর্টে নির্যাতন করে জবানবন্দি আদায়ের বিষয়ে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চে এ রিপোর্টের উপর আজ শুনানি হবে।

জীবিত থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত সদর থানার কার্যক্রমের বিষয়ে বিচারিক তদন্ত প্রতিবেদন গতকাল হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়।

এর আগে জীবিত থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত সদর থানার কার্যক্রমের বিষয়ে বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে এই প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।’