সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

বরিশালে আ’লীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ গোলাগুলি: পুলিশসহ আহত অর্ধশত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশালের হিজলায় উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৫ রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ। এতে পুলিশের চার সদস্যসহ কমপক্ষে অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার আওয়ামী লীগ কার্যালয় সংলগ্ন খুন্নাগোবিন্দপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথের অনুসারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন শান্ত এবং উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগমের ছেলে নাঈম মোটরসাইকেলযোগে খুন্না বন্দর থেকে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন।

খুন্নাগোবিন্দপুর এলাকা অতিক্রমের সময় সেখানে উপস্থিত থাকা বিরোধী গ্রুপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ টিপুর অনুসারী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ তানভির দলবল নিয়ে শান্ত ও নাঈমের উপর হামলা চালায়। এতে শান্ত ও নাঈম দুজনেই আহত হন।

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আহত দুজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পাশাপশি তাদের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এরপরই হামলার খবর ছড়িয়ে পরলে পঙ্কজ দেবনাথের অনুসারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জড়ো হতে শুরু করে। উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পাল্টা জড়ো হয় টিপু গ্রুপের লোকজন। উভয়গ্রুপের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হলে উত্তপ্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

কিন্তু এরপরও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে রাত সোয়া ১০টার দিকে দুই গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ৫ রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষের ঘটনায় হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) তরিকুল ইসলাম তারেক ও চার পুলিশ কনস্টেবলসহ অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়। ভাঙচুর করা হয় ৫টি মোটরসাইকেল। আহত পুলিশ সদস্যদের দুজনকে হিজলা এবং একজনকে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার সিকদার সাংবাদিকদের বলেন, সংঘর্ষের মধ্যে থেকে ফাঁকা গুলিও ছুড়েছে কোনো একটি পক্ষ। বিষয়টি তদন্ত চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন হিজলার এএসপি সার্কেল মতিউর রহমান।

হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বকুল চন্দ্র কবিরাজ বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি স্থগিত রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। জাতীয় কর্মসূচি উপজেলা প্রশাসন পালন করবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে আ’লীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ গোলাগুলি: পুলিশসহ আহত অর্ধশত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশালের হিজলায় উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৫ রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ। এতে পুলিশের চার সদস্যসহ কমপক্ষে অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার আওয়ামী লীগ কার্যালয় সংলগ্ন খুন্নাগোবিন্দপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথের অনুসারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান হোসেন শান্ত এবং উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগমের ছেলে নাঈম মোটরসাইকেলযোগে খুন্না বন্দর থেকে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন।

খুন্নাগোবিন্দপুর এলাকা অতিক্রমের সময় সেখানে উপস্থিত থাকা বিরোধী গ্রুপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ টিপুর অনুসারী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ তানভির দলবল নিয়ে শান্ত ও নাঈমের উপর হামলা চালায়। এতে শান্ত ও নাঈম দুজনেই আহত হন।

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আহত দুজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পাশাপশি তাদের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এরপরই হামলার খবর ছড়িয়ে পরলে পঙ্কজ দেবনাথের অনুসারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জড়ো হতে শুরু করে। উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পাল্টা জড়ো হয় টিপু গ্রুপের লোকজন। উভয়গ্রুপের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হলে উত্তপ্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

কিন্তু এরপরও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে রাত সোয়া ১০টার দিকে দুই গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ৫ রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষের ঘটনায় হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) তরিকুল ইসলাম তারেক ও চার পুলিশ কনস্টেবলসহ অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়। ভাঙচুর করা হয় ৫টি মোটরসাইকেল। আহত পুলিশ সদস্যদের দুজনকে হিজলা এবং একজনকে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার সিকদার সাংবাদিকদের বলেন, সংঘর্ষের মধ্যে থেকে ফাঁকা গুলিও ছুড়েছে কোনো একটি পক্ষ। বিষয়টি তদন্ত চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন হিজলার এএসপি সার্কেল মতিউর রহমান।

হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বকুল চন্দ্র কবিরাজ বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি স্থগিত রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। জাতীয় কর্মসূচি উপজেলা প্রশাসন পালন করবে।’