সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

সাবেক মেয়র কামালসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠালো পুলিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: অর্থ আত্মসাত মামলায় সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সোমবার বরিশাল বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মহসিনুল হক এ রায় ঘোষণা করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ২০ বছর পর এ রায় ঘোষণার সময় সাবেক মেয়র কামালসহ সাজাপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময়ে বরিশাল পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন আহসান হাবিব কামাল। এ ছাড়া অন্যান্য সাজাপ্রাপ্তরা একই সময়ে পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ঠিকাদার ছিলেন। সকলে ১৯৯৫ সালের ২১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৬ সালের ৩ জুন পর্যন্ত পৌরসভা এলাকায় টেলিফোন শিল্প সংস্থা কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক মেরামত দেখিয়ে টেলিফোন শিল্প সংস্থার প্যাড প্রস্তুত পূর্বক ভুয়া দরপত্র সৃষ্টি করে।

পরে ভুয়া ঠিকাদার নিয়োগ করে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বরিশাল ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক এর ১১০৪ চলতি হিসাব খুলে টেলিফোন শিল্প সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত চারটি চেকের মাধ্যমে মোট ৩৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে। এর মধ্যে ১১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৩৭১ টাকার রাস্তা মেরামত কাজ দিয়ে আসামিরা পরস্পর একে অপরের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি ২৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৩৯ টাকা আত্মসাত করে।

এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সাবেক কর্মকর্তা ও দুদকের প্রধান কার্যালয়ের বর্তমান উপ-পরিচালক আব্দুল বাছেদ বাদী হয়ে ২০০০ সালের ১১ অক্টোবর পেনাল কোর্ট ৪৬৭/৪২০/৪০৯/১০৯/ তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করেন।

প্রায় ১১ বছর পরে ২০১১ সালের ১৯ জুুলাই দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুর বাছেদ ও সহকারী পরিচালক এমএইচ রহমতউল্লাহ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় ২০ জনের সাক্ষগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাদের সকলকে পেনাল কোর্ট ৪০৯ ও ১০৯ ধারার অপরাধে অভিযুক্ত ৫ আসামির প্রত্যেককে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাবেক মেয়র বাদে অপর অভিযুক্তরা হচ্ছেন- তৎকালীন বরিশাল পৌরসভার (বর্তমান বরিশাল সিটি কর্পোরেশন) নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমান অবসরপ্রাপ্ত) মো. ইসহাক, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী (বর্তমান ঢাকা নগর ভবনের স্থানীয় সরকার বিভাগের আরবান পাবলিক অ্যান্ড এনভয়েরমেস্টাল হেলথ সেক্টর ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) খান মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সাবেক বরিশাল পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. আবদুস ছাত্তার এবং বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন।

এদিকে ১ নম্বর আসামি বিসিসি’র সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল ও পাঁচ নম্বর আসামি ঠিকাদার মো. জাকির হোসেনকে এক কোটি টাকা করে মোট ২ কোটি টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাবেক মেয়র কামালসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠালো পুলিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: অর্থ আত্মসাত মামলায় সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সোমবার বরিশাল বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মহসিনুল হক এ রায় ঘোষণা করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ২০ বছর পর এ রায় ঘোষণার সময় সাবেক মেয়র কামালসহ সাজাপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময়ে বরিশাল পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন আহসান হাবিব কামাল। এ ছাড়া অন্যান্য সাজাপ্রাপ্তরা একই সময়ে পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ঠিকাদার ছিলেন। সকলে ১৯৯৫ সালের ২১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৬ সালের ৩ জুন পর্যন্ত পৌরসভা এলাকায় টেলিফোন শিল্প সংস্থা কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক মেরামত দেখিয়ে টেলিফোন শিল্প সংস্থার প্যাড প্রস্তুত পূর্বক ভুয়া দরপত্র সৃষ্টি করে।

পরে ভুয়া ঠিকাদার নিয়োগ করে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বরিশাল ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক এর ১১০৪ চলতি হিসাব খুলে টেলিফোন শিল্প সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত চারটি চেকের মাধ্যমে মোট ৩৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে। এর মধ্যে ১১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৩৭১ টাকার রাস্তা মেরামত কাজ দিয়ে আসামিরা পরস্পর একে অপরের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি ২৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৩৯ টাকা আত্মসাত করে।

এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সাবেক কর্মকর্তা ও দুদকের প্রধান কার্যালয়ের বর্তমান উপ-পরিচালক আব্দুল বাছেদ বাদী হয়ে ২০০০ সালের ১১ অক্টোবর পেনাল কোর্ট ৪৬৭/৪২০/৪০৯/১০৯/ তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করেন।

প্রায় ১১ বছর পরে ২০১১ সালের ১৯ জুুলাই দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুর বাছেদ ও সহকারী পরিচালক এমএইচ রহমতউল্লাহ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় ২০ জনের সাক্ষগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাদের সকলকে পেনাল কোর্ট ৪০৯ ও ১০৯ ধারার অপরাধে অভিযুক্ত ৫ আসামির প্রত্যেককে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাবেক মেয়র বাদে অপর অভিযুক্তরা হচ্ছেন- তৎকালীন বরিশাল পৌরসভার (বর্তমান বরিশাল সিটি কর্পোরেশন) নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমান অবসরপ্রাপ্ত) মো. ইসহাক, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী (বর্তমান ঢাকা নগর ভবনের স্থানীয় সরকার বিভাগের আরবান পাবলিক অ্যান্ড এনভয়েরমেস্টাল হেলথ সেক্টর ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) খান মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সাবেক বরিশাল পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. আবদুস ছাত্তার এবং বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন।

এদিকে ১ নম্বর আসামি বিসিসি’র সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল ও পাঁচ নম্বর আসামি ঠিকাদার মো. জাকির হোসেনকে এক কোটি টাকা করে মোট ২ কোটি টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।