সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও নার্সদের মধ্যে মারামারি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও নার্সদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল পরিস্থিতি শান্ত হয়। এঘটনায় উভয় পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করছেন।

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা জুয়েল মোল্লা জানান, তার মা হালিমা খাতুন স্ট্রোকে আক্রান্ত। গতকাল তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। তবে সিট না থাকায় তাকে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

তার মায়ের পাশের একটি সিটে চিকিৎসাধীন আছেন হাসপাতালের সিনিয়র ষ্টাফ নার্স শহিদুল ইসলামের এক নিকট আত্মীয়। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে রোববার দুপুরে ওয়ার্ডে আসেন নার্স শহিদুল ইসলাম। তিনি প্রায় ১০ বার সেখানে আশা যাওয়া করেন। প্রতিবারই তিনি ফ্লোরে বিছানো তার মায়ের বিছানা জুতা দিয়ে মাড়িয়ে যায়।

জুয়েল আরও জানান, এক পর্যায়ে তার অসুস্থ মায়ের হাতেও পাড়া দেয় নার্স শহিদুল। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে শহিদুল সহকর্মীদের নিয়ে তাকে ও তার চাচীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ জুয়েল মোল্লার।

তবে পাল্টা অভিযোগ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র ষ্টাফ নার্স শহিদুল ইসলামের। তিনি বলেন, তার এক স্বজন গুরুতর অসুস্থ। তার নাকে নল পরাতে হবে। চিকিৎসকের সাথে মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়েছিলেন তিনি। এসময় চিকিৎসাধীন অপর এক রোগীর দুই স্বজন তার সাথে অশ্লীল আচরণ করেন। তিনি এর প্রতিবাদ জানালে তাকে মারধর করা হয়।

এ ব্যাপারে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন জানান, পুলিশের উপস্থিতিতে দুই পক্ষকে ডেকে মিমাংসা করে দেয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে মুচলেকা দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও নার্সদের মধ্যে মারামারি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও নার্সদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল পরিস্থিতি শান্ত হয়। এঘটনায় উভয় পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করছেন।

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা জুয়েল মোল্লা জানান, তার মা হালিমা খাতুন স্ট্রোকে আক্রান্ত। গতকাল তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। তবে সিট না থাকায় তাকে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

তার মায়ের পাশের একটি সিটে চিকিৎসাধীন আছেন হাসপাতালের সিনিয়র ষ্টাফ নার্স শহিদুল ইসলামের এক নিকট আত্মীয়। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে রোববার দুপুরে ওয়ার্ডে আসেন নার্স শহিদুল ইসলাম। তিনি প্রায় ১০ বার সেখানে আশা যাওয়া করেন। প্রতিবারই তিনি ফ্লোরে বিছানো তার মায়ের বিছানা জুতা দিয়ে মাড়িয়ে যায়।

জুয়েল আরও জানান, এক পর্যায়ে তার অসুস্থ মায়ের হাতেও পাড়া দেয় নার্স শহিদুল। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে শহিদুল সহকর্মীদের নিয়ে তাকে ও তার চাচীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ জুয়েল মোল্লার।

তবে পাল্টা অভিযোগ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র ষ্টাফ নার্স শহিদুল ইসলামের। তিনি বলেন, তার এক স্বজন গুরুতর অসুস্থ। তার নাকে নল পরাতে হবে। চিকিৎসকের সাথে মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়েছিলেন তিনি। এসময় চিকিৎসাধীন অপর এক রোগীর দুই স্বজন তার সাথে অশ্লীল আচরণ করেন। তিনি এর প্রতিবাদ জানালে তাকে মারধর করা হয়।

এ ব্যাপারে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন জানান, পুলিশের উপস্থিতিতে দুই পক্ষকে ডেকে মিমাংসা করে দেয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে মুচলেকা দিয়েছেন।