সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

বিসিসি মেয়রের নাম ভাঙ্গিয়ে খালেদের চাঁদাবাজি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০ ১২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসন যখন সড়কে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন ঠিক তখন বরিশাল নগরীতে চলছে চাঁদাবাজী। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নাম ভাঙ্গিয়ে নগরীর চৌমাথা এলাকায় আলফ-মাহিন্দ্র থেকে প্রতিমাসে চাঁদা তুলছেন খালেদ নামের এক ব্যক্তি। সূত্র জানায়, চৌমাথা থেকে নবগ্রাম রুটে প্রতিদিন প্রায় ৮০টি আলফা-মাহিন্দ্র চলাচল করে।

এসব আলফা-মাহিন্দ্র চালককে প্রতিমাসে ২৫০ থেকে ৩শ’ টাকা করে মাসোয়ার দিতে হয় খালেদকে। আর এই টাকা না দিলে তাকেই পরতে হয় রোসানলে। এমনকি চাঁদার টাকা না পেয়ে আলফা-মাহিন্দ্র চালকদের মারধরেরও ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ২/৩ দিন পূর্বে চাঁদার টাকা না পেয়ে নয়ন নামে এক অটোরিকসা চালককে বেধরক পিটিয়েছে খালেদ। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একাধিক আলফা-মাহিন্দ্র জানায়, ‘বর্তমানে করোনার জন্য আমাদের আয়-বানিজ্য নেই বললেই চলে।

অনেক কষ্টে টাকা উপার্জন করে সংসার চালাই কিন্তু খালেদকে প্রতিমাসেই চাঁদার টাকা দিতে হয়, আর যে মাসে চাঁদার টাকা না দেই সে মাসেই অনেক ঝামেলা করে, শুধু ঝামেলাই নয় ড্রাইভারদের মারধরও করে খালেদ।’ সূত্রে জানা যায়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও থানা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যদের টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে গাড়ি চলাচলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। সোহেল (ছদ্মনাম) নামের এক গাড়ির চালক জনায়,

‘মেট্রোপুলিশকে মাসে মোটা অংকের টাকা দিতে হয় আর ঝালকাঠি পুলিশকেও টাকা দিতে হয় না দিলে সার্জেন্টরা এসে ঝামেলা পাকায়। এসব কাজের জন্য মেয়র মহোদায় খালেদ ভাইকে আমাদের মধ্যে নিযুক্ত করে দিয়েছেন।’ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মহোদয়রে কঠোর হুশিয়ারী আছে তার নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজী করলেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এব্যাপারে খালেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বিকার করে বলেন, ‘আমাকে এখানের দায়িত্ব দিয়েছেন মেয়র সাহেব, এর চেয়ে বেশি আর কিছু বলতে পারবো না আমি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিসিসি মেয়রের নাম ভাঙ্গিয়ে খালেদের চাঁদাবাজি!

আপডেট সময় : ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসন যখন সড়কে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন ঠিক তখন বরিশাল নগরীতে চলছে চাঁদাবাজী। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নাম ভাঙ্গিয়ে নগরীর চৌমাথা এলাকায় আলফ-মাহিন্দ্র থেকে প্রতিমাসে চাঁদা তুলছেন খালেদ নামের এক ব্যক্তি। সূত্র জানায়, চৌমাথা থেকে নবগ্রাম রুটে প্রতিদিন প্রায় ৮০টি আলফা-মাহিন্দ্র চলাচল করে।

এসব আলফা-মাহিন্দ্র চালককে প্রতিমাসে ২৫০ থেকে ৩শ’ টাকা করে মাসোয়ার দিতে হয় খালেদকে। আর এই টাকা না দিলে তাকেই পরতে হয় রোসানলে। এমনকি চাঁদার টাকা না পেয়ে আলফা-মাহিন্দ্র চালকদের মারধরেরও ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ২/৩ দিন পূর্বে চাঁদার টাকা না পেয়ে নয়ন নামে এক অটোরিকসা চালককে বেধরক পিটিয়েছে খালেদ। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একাধিক আলফা-মাহিন্দ্র জানায়, ‘বর্তমানে করোনার জন্য আমাদের আয়-বানিজ্য নেই বললেই চলে।

অনেক কষ্টে টাকা উপার্জন করে সংসার চালাই কিন্তু খালেদকে প্রতিমাসেই চাঁদার টাকা দিতে হয়, আর যে মাসে চাঁদার টাকা না দেই সে মাসেই অনেক ঝামেলা করে, শুধু ঝামেলাই নয় ড্রাইভারদের মারধরও করে খালেদ।’ সূত্রে জানা যায়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও থানা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যদের টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে গাড়ি চলাচলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। সোহেল (ছদ্মনাম) নামের এক গাড়ির চালক জনায়,

‘মেট্রোপুলিশকে মাসে মোটা অংকের টাকা দিতে হয় আর ঝালকাঠি পুলিশকেও টাকা দিতে হয় না দিলে সার্জেন্টরা এসে ঝামেলা পাকায়। এসব কাজের জন্য মেয়র মহোদায় খালেদ ভাইকে আমাদের মধ্যে নিযুক্ত করে দিয়েছেন।’ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মহোদয়রে কঠোর হুশিয়ারী আছে তার নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজী করলেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এব্যাপারে খালেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বিকার করে বলেন, ‘আমাকে এখানের দায়িত্ব দিয়েছেন মেয়র সাহেব, এর চেয়ে বেশি আর কিছু বলতে পারবো না আমি।’