সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

ফাইল না ছাড়ায় হিসাবরক্ষককে ‘পেটালেন’ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ফাইল না ছাড়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) অফিস ভাঙচুর ও হিসাব রক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

রবিবার দুপুরে কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের এলজিইডি অফিসে এ ঘটনা হয়।

এলজিইডি অফিসের হিসাবরক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, ২০২৯-২০ অর্থ-বছরের ঠিকাদারদের ১০ শতাংশ জামানত ফেরতের জন্য কয়েকটি ফাইল প্রক্রিয়াধীন ছিল। তার মধ্যে কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম নিশির একটি ফাইল রয়েছে।

তিনি অফিসে এসে ফাইলটির খবর জানতে চান। আমি উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে এলে ফাইল প্রসেসিং করে ছাড়া হবে বলে জানাই। এদিন উপজেলা প্রকৌশলীর শাশুড়ির অসুস্থতার কারণে তিনি অফিসে আসেননি।
কিছুক্ষণ পরে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তার স্বামীসহ লোকজন নিয়ে অফিসে ঢুকে ফাইলটি কেন ছাড়া হয়নি এই বলে আমাকে মারধর ও অফিসের কম্পিউটার ভাঙচুর করেন।

ঘটনার সময় উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি কর্ণফুলী থানার ওসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী জয়শ্রী দে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। কাজ না দেখে ফাইল ছাড়া সম্ভব না। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের সাথে বৃহস্পতিবার আমার কথা হয়েছে।

যত দ্রুত সম্ভব ফাইলটি ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলাম। এরপরও আমার অনুপস্থিতিতে অপ্রীতিকর একটি ঘটনা ঘটালেন। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
তবে অফিস ভাঙচুর ও হিসাব রক্ষককে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম নিশি বলেন, ফাইলটি ছাড়ার জন্য আমার কাছ থেকে ঘুষ চেয়েছেন এজন্য হিসাব রক্ষকের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী ও ইউএনও নোমান হোসেনের মোবাইলে ফোন করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ফাইল না ছাড়ায় হিসাবরক্ষককে ‘পেটালেন’ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:২০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে ফাইল না ছাড়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) অফিস ভাঙচুর ও হিসাব রক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

রবিবার দুপুরে কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের এলজিইডি অফিসে এ ঘটনা হয়।

এলজিইডি অফিসের হিসাবরক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, ২০২৯-২০ অর্থ-বছরের ঠিকাদারদের ১০ শতাংশ জামানত ফেরতের জন্য কয়েকটি ফাইল প্রক্রিয়াধীন ছিল। তার মধ্যে কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম নিশির একটি ফাইল রয়েছে।

তিনি অফিসে এসে ফাইলটির খবর জানতে চান। আমি উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে এলে ফাইল প্রসেসিং করে ছাড়া হবে বলে জানাই। এদিন উপজেলা প্রকৌশলীর শাশুড়ির অসুস্থতার কারণে তিনি অফিসে আসেননি।
কিছুক্ষণ পরে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তার স্বামীসহ লোকজন নিয়ে অফিসে ঢুকে ফাইলটি কেন ছাড়া হয়নি এই বলে আমাকে মারধর ও অফিসের কম্পিউটার ভাঙচুর করেন।

ঘটনার সময় উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি কর্ণফুলী থানার ওসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী জয়শ্রী দে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। কাজ না দেখে ফাইল ছাড়া সম্ভব না। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের সাথে বৃহস্পতিবার আমার কথা হয়েছে।

যত দ্রুত সম্ভব ফাইলটি ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলাম। এরপরও আমার অনুপস্থিতিতে অপ্রীতিকর একটি ঘটনা ঘটালেন। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
তবে অফিস ভাঙচুর ও হিসাব রক্ষককে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম নিশি বলেন, ফাইলটি ছাড়ার জন্য আমার কাছ থেকে ঘুষ চেয়েছেন এজন্য হিসাব রক্ষকের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী ও ইউএনও নোমান হোসেনের মোবাইলে ফোন করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।