সংবাদ শিরোনাম ::
ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”

কথা আছে বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: মানিকগঞ্জের ঘিওরে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর মা বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ধর্ষণের সময় ধারণ করা ভিডিও ক্লিপ।
গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের মৌহালী গ্রামের ছলিম মিয়ার ছেলে ওয়াসিম হোসেন (২০), সাজাহান মিয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (২০) ও আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে রেদোয়ান (২০)। রোববার (৩১ মে) রাত থেকে সোমবার (১ জুন) ভোর পযর্ন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
ওই গৃহবধূর মা জানান, ঈদের দিন তার মেয়ে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরদিন সকালে প্রতিবেশী দেবর ওয়াসিম ফোন করে তার অবস্থান জেনে নেয়। সকাল ১০টার দিকে বাড়ির পাশে বড়টিয়া বাজারে মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করতে গেলে তার সঙ্গে ওয়াসিমের দেখা হয়। এ সময় ওয়াসিমের বন্ধু রাকিবও সঙ্গে ছিল। ওয়াসিম কথা আছে বলে হাঁটতে হাঁটতে তার মেয়েকে নিয়ে একটি নির্জন বাড়ির পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল অন্যান্যা আসামিরা। যারা সবাই ওয়াসিমের বন্ধু-বান্ধব এবং এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত।
সেখানে তার মেয়ের হাত-মুখ চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। সেই দৃশ্য তারা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। ঘটনার পর বখাটেরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় তার মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে বিস্তারিত জানতে পারেন তারা।
এদিকে এ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় একটি মহল। তিনদিন পর ঘটনা জানতে পেরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। রোববার রাতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
ঘিওর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম জানান, লোকমুখে ঘটনা জানার পর ভিকটিমকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা খুবই দরিদ্র হওয়ার কারণে মামলা না করার জন্য স্থানীয় একটি মহল পরামর্শ দিয়েছিল। গণধর্ষণ মামলায় ১১ জন আসামি। যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, সোমবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালে ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কথা আছে বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: মানিকগঞ্জের ঘিওরে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর মা বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ধর্ষণের সময় ধারণ করা ভিডিও ক্লিপ।
গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের মৌহালী গ্রামের ছলিম মিয়ার ছেলে ওয়াসিম হোসেন (২০), সাজাহান মিয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (২০) ও আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে রেদোয়ান (২০)। রোববার (৩১ মে) রাত থেকে সোমবার (১ জুন) ভোর পযর্ন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
ওই গৃহবধূর মা জানান, ঈদের দিন তার মেয়ে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরদিন সকালে প্রতিবেশী দেবর ওয়াসিম ফোন করে তার অবস্থান জেনে নেয়। সকাল ১০টার দিকে বাড়ির পাশে বড়টিয়া বাজারে মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করতে গেলে তার সঙ্গে ওয়াসিমের দেখা হয়। এ সময় ওয়াসিমের বন্ধু রাকিবও সঙ্গে ছিল। ওয়াসিম কথা আছে বলে হাঁটতে হাঁটতে তার মেয়েকে নিয়ে একটি নির্জন বাড়ির পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল অন্যান্যা আসামিরা। যারা সবাই ওয়াসিমের বন্ধু-বান্ধব এবং এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত।
সেখানে তার মেয়ের হাত-মুখ চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। সেই দৃশ্য তারা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। ঘটনার পর বখাটেরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় তার মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে বিস্তারিত জানতে পারেন তারা।
এদিকে এ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় একটি মহল। তিনদিন পর ঘটনা জানতে পেরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। রোববার রাতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
ঘিওর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম জানান, লোকমুখে ঘটনা জানার পর ভিকটিমকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা খুবই দরিদ্র হওয়ার কারণে মামলা না করার জন্য স্থানীয় একটি মহল পরামর্শ দিয়েছিল। গণধর্ষণ মামলায় ১১ জন আসামি। যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, সোমবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালে ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।