বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ চক্রের ০২ জন মহিলা সদস্য গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ০৯:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

র্যাব-৮ এর অভিযানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ চক্রের ০২ জন মহিলা সদস্য গ্রেফতার।গত ২৯ মে ২০২০ তারিখে রাত ২৩.০০ ঘটিকায় র্যাব-৮, বরিশাল এর একটি আভিযানিক দল আসামী (১) মুন্নি আক্তার(১৮), পিতাঃ মোঃ বাদল মৃধা, স্বামীঃ জুম্মন মোল্লা, (২) মোছাঃ পরি ভানু(৪০), স্বামীঃ মোঃ বাদল মৃধা, উভয় সাংঃ আকসর ক্লাব, থানাঃ রাজাপুর, জেলাঃ ঝালকাঠিদ্বয়কে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর বাইপাস হতে গ্রেফতার করে। মুন্নি আক্তার(১৮) দীর্ঘদিন যাবৎ সাধারণ মানুষের নিকট থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল। সে বিবাহিত হওয়া সত্বেও অবিবাহিত বলে বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অর্থ আতœসাৎ করতো। গত ১৭ মে ২০২০ তারিখ মুন্নি আক্তার সাগরদী বাজারে মোঃ মাসুদ হোসেন(২৩) এর কনফেকশনারী দোকানে আসে এবং জানায় তারা খুবই গরীব ও অসহায় এবং তার মা খুব অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা করানোর জন্য ৪০,০০০/- টাকা প্রয়োজন। তখন মোঃ মাসুদ হোসেন মুন্নির পরিবার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে বলে তার পিতা দুই বছর আগে মৃত্যু বরণ করে এবং তাদের পরিবারে উপর্জন করার মত কোন মাধ্যম নাই। কথোপকোথনের এক পর্যায়ে মুন্নি আক্তার(১৮) মোঃ মাসুদের এর মধ্যে মোবাইল নম্বর আদান-প্রদান হয় এবং নিয়মিত একে অপরের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে যায়। কথাবার্তার এক পর্যায়ে মুন্নি আক্তার এর সাথে মোঃ মাসুদের প্রেম ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে আসামীর মা মোছাঃ পরি ভানু(৪০) তার মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। মোঃ মাসুদ হোসেন(২৩) তার প্রস্তাবে রাজি হয়। তখন আসামী মা বিয়ের বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য অনুরোধ করে এবং কালক্ষেপন না করে দ্রæত বিয়ে করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। গত ২৭ মে ২০২০ তারিখে মোবাইল ফোনে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা নিয়ে একাকি বিয়ে করার জন্য ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানাধীন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেইন গেইটের সামনে আসতে বলে। পরবর্তীতে মোঃ মাসুদ হোসেন সরল বিশ্বাসে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা নিয়ে উক্ত স্থানে যায়। তখন আসামীর মা মাসুদ হোসেন কে বলে তোমার সাথে আমার মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি, আশে পাশের লোকজন আমাদের দেখেলে আমরা বিপদে পড়ে যাবো। মোঃ মাসুদের নিকট ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা আসামী মুন্নি আক্তার এর মা মোছাঃ পরি ভানু কৌশলে হাতিয়ে নেয়। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর আসামীদ্বয় ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালিয়ে চলে যায়। অতঃপর র্যাব সদস্যরা গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে বলে উপস্থিত লোকজনের সামনে স্বীকার করে।
উল্লেখ্য যে সকল ভিকটিম প্রতারিত হয়েছে তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য র্যাব কাজ করছে। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার করার জন্য র্যাবের এ ধরণের আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


























