সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন নারী ভাইস চেয়ারম্যান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।
তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।
জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।
গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন নারী ভাইস চেয়ারম্যান। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:২৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।
তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।
জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।
গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।