সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

মানুষের উদ্ধেগ উৎকন্ঠায়- প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাত! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০ ২১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোহেল সানি

সবাই যখন ঘুমে বিভোর তখনও জেগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ঘুম রাতটিতে ছিলেন সরব। ঘণঘোর আঁধারেও যে নিথর নিস্তদ্ধ হয়ে থাকা মানুষ তিনি নন, তা প্রকৃতির নানা তান্ডবের প্রাক্কালে দেখা গেছে। তিনি গতকাল ছিলেন গভীর চিন্তামগ্ন। সম্ভাব্য আঘাত কি করে সামাল দেয়া যায়, সে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন দিনভর। রাতে যেনো, সে চিন্তা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে। সম্ভাব্য ছোবলের আশঙ্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী তিনি নন, তিনি মহা দুর্যোগে যেন দেশ ও জাতির পাশে দৃশ্যমান এক অতন্দ্র প্রহরী। করোনার দুর্যোগ মোকাবিলায় তাঁর কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। আবহাওয়াবিদরাই মূলত,
চরম উৎকন্ঠা, উদ্ধেগ ছড়িয়ে নির্ঘুম করে রেখেছিলো প্রধানমন্ত্রীর চোখ। আজ বিকেলে এ আঘাত হানতে পারে এরকম ধারণা করা হচ্ছে।
বিভিন্নভাবে সময়ে সময়ে খোঁজখবর রাখেন তিনি। আর সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের তাগিদ ছিলোই। রাতভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী- সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে।
আকাশ ঝড়বৃষ্টি তান্ডব চালিয়ে আঘাত হানতে পারে এরকম দক্ষিণ আর পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের উৎকন্ঠাকে আপনমনে দেখেছেন তিনি। দুর্গত অঞ্চলগুলোর উধর্বতন কর্মকর্তারাও ঘুমাতে পারেননি প্রধানমন্ত্রীর তাগিদে।
কি করে ঘুমাবেন প্রধানমন্ত্রী ?
এদেশকে তাঁর মতো করে কে আর ভালোবাসতে পারেন? এ দেশের দুঃখদুর্দশাগ্রস্থ মানুষের চিন্তা তাঁর ন্যায় কে বা আর করেন!
তিনি তো জাতির পিতার কন্যা, নিছক সরকার প্রধান নন। তাই তাঁর দায়িত্ব কর্তব্যবোধ অসীম,অশেষ।
তিনি উপলব্ধি করছিলেন, আশঙ্কাজনক এলাকার মানুষ কত না উৎকন্ঠায় ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী এমপি, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন। আঘাত হানলে পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দিতে হবে – তার নির্দেশনা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, একদিকে এ কাজ করেছেন, অন্যদিকে আল্লাহর দরবারে হাততুলে প্রার্থনায় করেছেন, কুরআন পড়েছেন। গণভবন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী সেহরি খাওয়ার পরেও শয্যাশায়ী হননি। নামায আদায় করেছেন আর ফাঁকে ফাঁকে খবর সংগ্রহ করেছেন সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ভালো আছে, আজ বিকাল পর্যন্ত ভালো থাকুক বাংলাদেশ। মহান আল্লাহর কৃপায় রক্ষা পাক দেশ ও দেশের মানুষ।
লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মানুষের উদ্ধেগ উৎকন্ঠায়- প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাত! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

সোহেল সানি

সবাই যখন ঘুমে বিভোর তখনও জেগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ঘুম রাতটিতে ছিলেন সরব। ঘণঘোর আঁধারেও যে নিথর নিস্তদ্ধ হয়ে থাকা মানুষ তিনি নন, তা প্রকৃতির নানা তান্ডবের প্রাক্কালে দেখা গেছে। তিনি গতকাল ছিলেন গভীর চিন্তামগ্ন। সম্ভাব্য আঘাত কি করে সামাল দেয়া যায়, সে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন দিনভর। রাতে যেনো, সে চিন্তা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে। সম্ভাব্য ছোবলের আশঙ্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী তিনি নন, তিনি মহা দুর্যোগে যেন দেশ ও জাতির পাশে দৃশ্যমান এক অতন্দ্র প্রহরী। করোনার দুর্যোগ মোকাবিলায় তাঁর কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। আবহাওয়াবিদরাই মূলত,
চরম উৎকন্ঠা, উদ্ধেগ ছড়িয়ে নির্ঘুম করে রেখেছিলো প্রধানমন্ত্রীর চোখ। আজ বিকেলে এ আঘাত হানতে পারে এরকম ধারণা করা হচ্ছে।
বিভিন্নভাবে সময়ে সময়ে খোঁজখবর রাখেন তিনি। আর সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের তাগিদ ছিলোই। রাতভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী- সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে।
আকাশ ঝড়বৃষ্টি তান্ডব চালিয়ে আঘাত হানতে পারে এরকম দক্ষিণ আর পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের উৎকন্ঠাকে আপনমনে দেখেছেন তিনি। দুর্গত অঞ্চলগুলোর উধর্বতন কর্মকর্তারাও ঘুমাতে পারেননি প্রধানমন্ত্রীর তাগিদে।
কি করে ঘুমাবেন প্রধানমন্ত্রী ?
এদেশকে তাঁর মতো করে কে আর ভালোবাসতে পারেন? এ দেশের দুঃখদুর্দশাগ্রস্থ মানুষের চিন্তা তাঁর ন্যায় কে বা আর করেন!
তিনি তো জাতির পিতার কন্যা, নিছক সরকার প্রধান নন। তাই তাঁর দায়িত্ব কর্তব্যবোধ অসীম,অশেষ।
তিনি উপলব্ধি করছিলেন, আশঙ্কাজনক এলাকার মানুষ কত না উৎকন্ঠায় ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী এমপি, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন। আঘাত হানলে পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দিতে হবে – তার নির্দেশনা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, একদিকে এ কাজ করেছেন, অন্যদিকে আল্লাহর দরবারে হাততুলে প্রার্থনায় করেছেন, কুরআন পড়েছেন। গণভবন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী সেহরি খাওয়ার পরেও শয্যাশায়ী হননি। নামায আদায় করেছেন আর ফাঁকে ফাঁকে খবর সংগ্রহ করেছেন সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ভালো আছে, আজ বিকাল পর্যন্ত ভালো থাকুক বাংলাদেশ। মহান আল্লাহর কৃপায় রক্ষা পাক দেশ ও দেশের মানুষ।
লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট