সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

মানুষের উদ্ধেগ উৎকন্ঠায়- প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাত! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোহেল সানি

সবাই যখন ঘুমে বিভোর তখনও জেগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ঘুম রাতটিতে ছিলেন সরব। ঘণঘোর আঁধারেও যে নিথর নিস্তদ্ধ হয়ে থাকা মানুষ তিনি নন, তা প্রকৃতির নানা তান্ডবের প্রাক্কালে দেখা গেছে। তিনি গতকাল ছিলেন গভীর চিন্তামগ্ন। সম্ভাব্য আঘাত কি করে সামাল দেয়া যায়, সে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন দিনভর। রাতে যেনো, সে চিন্তা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে। সম্ভাব্য ছোবলের আশঙ্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী তিনি নন, তিনি মহা দুর্যোগে যেন দেশ ও জাতির পাশে দৃশ্যমান এক অতন্দ্র প্রহরী। করোনার দুর্যোগ মোকাবিলায় তাঁর কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। আবহাওয়াবিদরাই মূলত,
চরম উৎকন্ঠা, উদ্ধেগ ছড়িয়ে নির্ঘুম করে রেখেছিলো প্রধানমন্ত্রীর চোখ। আজ বিকেলে এ আঘাত হানতে পারে এরকম ধারণা করা হচ্ছে।
বিভিন্নভাবে সময়ে সময়ে খোঁজখবর রাখেন তিনি। আর সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের তাগিদ ছিলোই। রাতভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী- সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে।
আকাশ ঝড়বৃষ্টি তান্ডব চালিয়ে আঘাত হানতে পারে এরকম দক্ষিণ আর পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের উৎকন্ঠাকে আপনমনে দেখেছেন তিনি। দুর্গত অঞ্চলগুলোর উধর্বতন কর্মকর্তারাও ঘুমাতে পারেননি প্রধানমন্ত্রীর তাগিদে।
কি করে ঘুমাবেন প্রধানমন্ত্রী ?
এদেশকে তাঁর মতো করে কে আর ভালোবাসতে পারেন? এ দেশের দুঃখদুর্দশাগ্রস্থ মানুষের চিন্তা তাঁর ন্যায় কে বা আর করেন!
তিনি তো জাতির পিতার কন্যা, নিছক সরকার প্রধান নন। তাই তাঁর দায়িত্ব কর্তব্যবোধ অসীম,অশেষ।
তিনি উপলব্ধি করছিলেন, আশঙ্কাজনক এলাকার মানুষ কত না উৎকন্ঠায় ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী এমপি, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন। আঘাত হানলে পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দিতে হবে – তার নির্দেশনা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, একদিকে এ কাজ করেছেন, অন্যদিকে আল্লাহর দরবারে হাততুলে প্রার্থনায় করেছেন, কুরআন পড়েছেন। গণভবন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী সেহরি খাওয়ার পরেও শয্যাশায়ী হননি। নামায আদায় করেছেন আর ফাঁকে ফাঁকে খবর সংগ্রহ করেছেন সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ভালো আছে, আজ বিকাল পর্যন্ত ভালো থাকুক বাংলাদেশ। মহান আল্লাহর কৃপায় রক্ষা পাক দেশ ও দেশের মানুষ।
লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মানুষের উদ্ধেগ উৎকন্ঠায়- প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাত! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

সোহেল সানি

সবাই যখন ঘুমে বিভোর তখনও জেগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ঘুম রাতটিতে ছিলেন সরব। ঘণঘোর আঁধারেও যে নিথর নিস্তদ্ধ হয়ে থাকা মানুষ তিনি নন, তা প্রকৃতির নানা তান্ডবের প্রাক্কালে দেখা গেছে। তিনি গতকাল ছিলেন গভীর চিন্তামগ্ন। সম্ভাব্য আঘাত কি করে সামাল দেয়া যায়, সে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন দিনভর। রাতে যেনো, সে চিন্তা আরও প্রবলতর হয়ে ওঠে। সম্ভাব্য ছোবলের আশঙ্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী তিনি নন, তিনি মহা দুর্যোগে যেন দেশ ও জাতির পাশে দৃশ্যমান এক অতন্দ্র প্রহরী। করোনার দুর্যোগ মোকাবিলায় তাঁর কর্মপ্রয়াসে ফুটে উঠেছে কতটা মানুষের জন্য নিবেদিত। আবহাওয়াবিদরাই মূলত,
চরম উৎকন্ঠা, উদ্ধেগ ছড়িয়ে নির্ঘুম করে রেখেছিলো প্রধানমন্ত্রীর চোখ। আজ বিকেলে এ আঘাত হানতে পারে এরকম ধারণা করা হচ্ছে।
বিভিন্নভাবে সময়ে সময়ে খোঁজখবর রাখেন তিনি। আর সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের তাগিদ ছিলোই। রাতভর ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী- সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে।
আকাশ ঝড়বৃষ্টি তান্ডব চালিয়ে আঘাত হানতে পারে এরকম দক্ষিণ আর পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের উৎকন্ঠাকে আপনমনে দেখেছেন তিনি। দুর্গত অঞ্চলগুলোর উধর্বতন কর্মকর্তারাও ঘুমাতে পারেননি প্রধানমন্ত্রীর তাগিদে।
কি করে ঘুমাবেন প্রধানমন্ত্রী ?
এদেশকে তাঁর মতো করে কে আর ভালোবাসতে পারেন? এ দেশের দুঃখদুর্দশাগ্রস্থ মানুষের চিন্তা তাঁর ন্যায় কে বা আর করেন!
তিনি তো জাতির পিতার কন্যা, নিছক সরকার প্রধান নন। তাই তাঁর দায়িত্ব কর্তব্যবোধ অসীম,অশেষ।
তিনি উপলব্ধি করছিলেন, আশঙ্কাজনক এলাকার মানুষ কত না উৎকন্ঠায় ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী এমপি, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ রেখেছেন। আঘাত হানলে পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দিতে হবে – তার নির্দেশনা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, একদিকে এ কাজ করেছেন, অন্যদিকে আল্লাহর দরবারে হাততুলে প্রার্থনায় করেছেন, কুরআন পড়েছেন। গণভবন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী সেহরি খাওয়ার পরেও শয্যাশায়ী হননি। নামায আদায় করেছেন আর ফাঁকে ফাঁকে খবর সংগ্রহ করেছেন সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ভালো আছে, আজ বিকাল পর্যন্ত ভালো থাকুক বাংলাদেশ। মহান আল্লাহর কৃপায় রক্ষা পাক দেশ ও দেশের মানুষ।
লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট