সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

সার্টিফিকেট জাল প্রমাণের পরও ভুয়া বিল তুলছেন লাইব্রেরীয়ান শাহিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫ ১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : মেহেদীগঞ্জ নেছারিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় লাইব্রেরীয়ান পদে নিয়োগে সার্টিফিকেট জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় ইনডেক্স কর্তনকৃত লাইব্রেরীয়ানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিলেও তা মানছেন না সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার প্রধান। ইনডেক্স কর্তনকৃত লাইব্রেরীয়ান শাহিন হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) সদস্য সচিব এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মোঃ শরিফুল ইসলাম ২৪/১২/২০২৪ তারিখের স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন।
কিন্তু সেই সরকারি নির্দেশনার আট মাস অতিক্রম হলেও তার কোনো তোয়াক্কা করেননি মাদ্রাসা কতৃপক্ষ।
এর আগে গত ২০১৭ সালে ভাসানচন নেছারিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় লাইব্রেরীয়ান পদে নিয়োগ পান শাহিন হোসেন। তার মাসিক বেতন ধার্য করা হয় ২১,৮৯৭ টাকা।
তার ইনডেক্স নম্বর কর্তন করা হলেও ভুয়া এই লাইব্রেরীয়ানের উত্তোলিত বেতন-ভাতাসহ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্টর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করার নির্দেশনা দেয়। কিন্তু লাইব্রেরীয়ানের বিরুদ্ধে আট মাসেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান।
গত ২৪/১২/২০২৪ তারিখ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চূড়ান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, জাল ও ভুয়া সনদের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হওয়ায় সূত্রোক্ত স্মারকে জাল ও ভুয়া সনদধারী লাইব্রেরীয়ানের বিরুদ্ধে কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে উক্ত লাইব্রেরীয়ানের ইনডেক্স কর্তন করা হয়। উল্লেখ্য সূত্রোক্ত স্মারকে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে ইনডেক্স কর্তনকৃত উত্তোলিত বেতন-ভাতাসহ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্টর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়েরপূর্বক প্রমাণকসহ অধিদপ্তরে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। উক্ত নির্দেশনা প্রদান সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠান প্রধানগন কোনরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
এবিষয়ে মেহেদীগঞ্জ ভাষানচর নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ মাওলানা ইলিয়াস হোসেন মুঠো ফোনে জানান, শাহিন হোসেন সে ওই এলাকার ছেলে তার এলাকার প্রভাব আছে তাই সে মাদ্রাসা এখনো আসেন। তিনি আরও বলেন মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে একটি মিটিং বসানো হয়েছে সেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে চলতি বছরের আগস্টের ১১ তারিখ শাহিনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদ্রাসা সভাপতি নুর মোহাম্মদ বলেন, লাইব্রেরীয়ান শাহিন হোসেনের বিরুদ্ধে কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে একটি মিটিং বসানো হয়েছে সেখানে শাহিন বলেছেন তিনি এমপিও ইনডেক্স কর্তন এর বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন। আগস্টের ১১ তারিখ শাহিনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সার্টিফিকেট জাল প্রমাণের পরও ভুয়া বিল তুলছেন লাইব্রেরীয়ান শাহিন

আপডেট সময় : ০২:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স : মেহেদীগঞ্জ নেছারিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় লাইব্রেরীয়ান পদে নিয়োগে সার্টিফিকেট জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় ইনডেক্স কর্তনকৃত লাইব্রেরীয়ানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিলেও তা মানছেন না সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার প্রধান। ইনডেক্স কর্তনকৃত লাইব্রেরীয়ান শাহিন হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) সদস্য সচিব এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মোঃ শরিফুল ইসলাম ২৪/১২/২০২৪ তারিখের স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন।
কিন্তু সেই সরকারি নির্দেশনার আট মাস অতিক্রম হলেও তার কোনো তোয়াক্কা করেননি মাদ্রাসা কতৃপক্ষ।
এর আগে গত ২০১৭ সালে ভাসানচন নেছারিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় লাইব্রেরীয়ান পদে নিয়োগ পান শাহিন হোসেন। তার মাসিক বেতন ধার্য করা হয় ২১,৮৯৭ টাকা।
তার ইনডেক্স নম্বর কর্তন করা হলেও ভুয়া এই লাইব্রেরীয়ানের উত্তোলিত বেতন-ভাতাসহ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্টর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করার নির্দেশনা দেয়। কিন্তু লাইব্রেরীয়ানের বিরুদ্ধে আট মাসেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান।
গত ২৪/১২/২০২৪ তারিখ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চূড়ান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, জাল ও ভুয়া সনদের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হওয়ায় সূত্রোক্ত স্মারকে জাল ও ভুয়া সনদধারী লাইব্রেরীয়ানের বিরুদ্ধে কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে উক্ত লাইব্রেরীয়ানের ইনডেক্স কর্তন করা হয়। উল্লেখ্য সূত্রোক্ত স্মারকে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে ইনডেক্স কর্তনকৃত উত্তোলিত বেতন-ভাতাসহ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্টর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়েরপূর্বক প্রমাণকসহ অধিদপ্তরে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। উক্ত নির্দেশনা প্রদান সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠান প্রধানগন কোনরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
এবিষয়ে মেহেদীগঞ্জ ভাষানচর নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ মাওলানা ইলিয়াস হোসেন মুঠো ফোনে জানান, শাহিন হোসেন সে ওই এলাকার ছেলে তার এলাকার প্রভাব আছে তাই সে মাদ্রাসা এখনো আসেন। তিনি আরও বলেন মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে একটি মিটিং বসানো হয়েছে সেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে চলতি বছরের আগস্টের ১১ তারিখ শাহিনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদ্রাসা সভাপতি নুর মোহাম্মদ বলেন, লাইব্রেরীয়ান শাহিন হোসেনের বিরুদ্ধে কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে একটি মিটিং বসানো হয়েছে সেখানে শাহিন বলেছেন তিনি এমপিও ইনডেক্স কর্তন এর বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন। আগস্টের ১১ তারিখ শাহিনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।