সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগরে জুলাই গণঅদ্ভুত্থান উপলক্ষে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হাত কড়া পড়েই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন

জীবননগরে শিশু ধর্ষণ মামলায় মোয়াজ্জিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ ২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ঘুষি পাড়ায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ৯ বছরের এক শিশু মসজিদে আরবি শিক্ষা কার্যক্রমের ছাত্রকে মসজিদের ভিতরে ধর্ষণের দায়ে নাজমুল ইসলাম নামে মসজিদের এক মোয়াজ্জিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল ইসলাম (২৭) জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ঘুষিপাড়া গ্রামের সেলিম উদ্দীনের বড় ছেলে। রায় ঘোষণার পর পুলিশ প্রহরায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৫ মে মসজিদের ভেতরে ওই শিশুকে বলাৎকার করেন মোয়াজ্জিন নাজমুল ইসলাম। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ২০২৩ সালের ৩০ জুন জীবননগর থানার তৎকালীন এসআই শাহ আলী মিয়া নাজমুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এম এম শাহজাহান মুকুল জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল বাড়ির সামনের একটি মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন। পাশাপাশি সে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত আরবি শিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল এবং পাশাপাশি ওই মসজিদে আরবি শিক্ষা কার্যক্রমের ছাত্র ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জীবননগরে শিশু ধর্ষণ মামলায় মোয়াজ্জিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:৩২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ঘুষি পাড়ায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ৯ বছরের এক শিশু মসজিদে আরবি শিক্ষা কার্যক্রমের ছাত্রকে মসজিদের ভিতরে ধর্ষণের দায়ে নাজমুল ইসলাম নামে মসজিদের এক মোয়াজ্জিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল ইসলাম (২৭) জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ঘুষিপাড়া গ্রামের সেলিম উদ্দীনের বড় ছেলে। রায় ঘোষণার পর পুলিশ প্রহরায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৫ মে মসজিদের ভেতরে ওই শিশুকে বলাৎকার করেন মোয়াজ্জিন নাজমুল ইসলাম। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ২০২৩ সালের ৩০ জুন জীবননগর থানার তৎকালীন এসআই শাহ আলী মিয়া নাজমুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এম এম শাহজাহান মুকুল জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল বাড়ির সামনের একটি মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন। পাশাপাশি সে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত আরবি শিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল এবং পাশাপাশি ওই মসজিদে আরবি শিক্ষা কার্যক্রমের ছাত্র ছিল।