০৯ Jun ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন, ২২শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বিজয়নগরে বিআরডিবিভুক্ত কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ১২তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত দুই যুগেও সংস্কার হয়নি সিংহেরকাঠি-ছোট মীরগঞ্জ সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ বানারীপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে ডাকাতি: টাকা ও স্বর্নালঙ্কার লুট বরিশালে ২০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্য সেবা ও ভূমি সেবা দেখতে জেলা প্রশাসকের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ভূমি অফিস পরিদর্শন আহ্বায়ক-ফরিদ আহমেদ ; সদস্য সচিব সৌরভ। বাবুগঞ্জ উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন। বিরামপুর দিওড় ইউনিয়নে ভিডাব্লিউবি কর্মসূচির চাল বিতরণ, সুবিধাভোগীদের মাঝে ৩০ কেজি করে খাদ্য সহায়তা চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডলসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঝালকাঠিতে ইয়াবাসহ কালী বাড়ি মন্দিরের পুরোহিত সুমন চক্রবর্তী গ্রেফতার মন্দির থেকে বহিষ্কার
বানারীপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে ডাকাতি: টাকা ও স্বর্নালঙ্কার লুট

বানারীপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে ডাকাতি: টাকা ও স্বর্নালঙ্কার লুট

রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মাছরং গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালেক মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা আলমারি ভেঙে কয়েক লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পরিবারের পাঁচ সদস্য বাড়িতে থাকা অবস্থায় দুটি আলমারি ভেঙে ৩ ভরি স্বর্নালংকার, ৪ভরি রূপার অলংকার নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন মালপত্র লুট করে নিয়ে গেলেও তারা কেউ কিছু টের পাননি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার (৮ মে) রাতের খাবার শেষে আব্দুস সালেক মিয়া, তাঁর স্ত্রী শামসুন্নাহার এবং দুই ছেলে ও পুত্রবধূ নিজ নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ঘুম ভাঙলে বড় ছেলের স্ত্রী দেখতে পান, তাঁদের কক্ষের দরজা বাইরে থেকে আটকানো। পরে ডাকাডাকির একপর্যায়ে বাড়ির অন্যরা দরজা খুলে দেন।
এরপর বাড়ির বাইরে রান্নাঘরের পাশে বিভিন্ন কাগজপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে আব্দুস সালেক মিয়া ও তাঁর স্ত্রীর পাসপোর্ট পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন, এসব কাগজপত্র ঘর থেকে বাইরে আনা হয়েছে। পরে ছোট ছেলের কক্ষে থাকা স্টিলের আলমারি ভাঙা অবস্থায় এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে থাকতে দেখে তারা ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত হন।
আব্দুস সালেক মিয়ার বড় ছেলে মাহমুদুল হাসান শোভন বলেন, “ডাকাতরা সম্ভবত ছাদের দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করেছে। ছাদের দরজার পাশে একটি বড় আকারের শাবল পাওয়া গেছে। এছাড়া ঘরের ভেতরে কেমিক্যালের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। আমাদের ধারণা, ডাকাতরা ক্লোরোফর্ম বা অজ্ঞান করার কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করেছে। তা না হলে ছোট ভাইয়ের বিছানার একেবারে পাশেই স্টিলের আলমারি ভাঙা হলেও কেউ কিছু টের পায়নি।”
খবর পেয়ে মঙ্গলবার (৯ মে) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি রহস্যজনক। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ###

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019