সংবাদ শিরোনাম ::
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দামুড়হুদায় ১৫শ বস্তা সার জব্দ, অবৈধ পন্থায় মজুদ, গোডাউন সিলগালা পিরোজপুরে মন্দিরের ভূমিতে জামায়াত নেতার ধান চাষ! দখলের অভিযোগ মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক

চুয়াডাঙ্গায় গণহত্যা দিবস-২৬ উপলক্ষে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গায়
গণহত্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গার ডিসি সাহিত্য মঞ্চে এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ মাসুদ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান,জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুজ্জামান শরীফ,
জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সহকমান্ডার আবেছ উদ্দিন প্রমুখ।আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে পরিচালিত নৃশংস গণহত্যার ইতিহাস তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, সে রাতে পাকিস্তানি সেনারা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে, নির্যাতন ও লুটপাট চালিয়ে অসংখ্য নিরীহ মানুষকে হত্যা করে এবং বিভিন্ন স্থানে গণকবর প্রদান করে।
বক্তারা চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন বধ্যভূমি যেমন— সদর হাসপাতাল বধ্যভূমি, আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি, মাথাভাঙ্গা নদীর তীরবর্তী গণকবর, বাবলাবাগান বধ্যভূমি, নাটুদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বধ্যভূমি, জগন্নাথপুর, হাটবোয়ালিয়া, দশমাইল, শরৎগঞ্জ ও ডিঙ্গোদহ বধ্যভূমির করুণ ইতিহাস তুলে ধরেন। স্বাধীনতার পর এসব এলাকার আশপাশে অসংখ্য লাশ, হাড়গোড় ও নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়, যা গণহত্যার নির্মমতার সাক্ষ্য বহন করে।অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গায় গণহত্যা দিবস-২৬ উপলক্ষে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গায়
গণহত্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গার ডিসি সাহিত্য মঞ্চে এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ মাসুদ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান,জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুজ্জামান শরীফ,
জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সহকমান্ডার আবেছ উদ্দিন প্রমুখ।আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে পরিচালিত নৃশংস গণহত্যার ইতিহাস তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, সে রাতে পাকিস্তানি সেনারা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে, নির্যাতন ও লুটপাট চালিয়ে অসংখ্য নিরীহ মানুষকে হত্যা করে এবং বিভিন্ন স্থানে গণকবর প্রদান করে।
বক্তারা চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন বধ্যভূমি যেমন— সদর হাসপাতাল বধ্যভূমি, আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি, মাথাভাঙ্গা নদীর তীরবর্তী গণকবর, বাবলাবাগান বধ্যভূমি, নাটুদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বধ্যভূমি, জগন্নাথপুর, হাটবোয়ালিয়া, দশমাইল, শরৎগঞ্জ ও ডিঙ্গোদহ বধ্যভূমির করুণ ইতিহাস তুলে ধরেন। স্বাধীনতার পর এসব এলাকার আশপাশে অসংখ্য লাশ, হাড়গোড় ও নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়, যা গণহত্যার নির্মমতার সাক্ষ্য বহন করে।অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।