সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও নিহত পুলিশের প্রশ্নে রাষ্ট্রের দায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই মাসের আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অধ্যায়। এ সময় যেমন বহু ছাত্র, তরুণ ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, তেমনি দায়িত্ব পালনকালে নিহত হয়েছেন পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও। অথচ এসব মৃত্যুর বিচার নিয়ে সমাজে আজ স্পষ্ট বিভাজন দেখা যাচ্ছে।

আন্দোলনে নিহতদের বিচারের দাবি নিঃসন্দেহে ন্যায্য। তবে প্রশ্ন থেকেই যায় ; দায়িত্ব পালনকালে নির্মমভাবে নিহত পুলিশ সদস্যদের বিচার নিয়ে কেন সমান মাত্রার দাবি ও আলোচনা নেই?

গণমাধ্যম ও মানবাধিকার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জুলাইয়ের সহিংসতায় আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, ওই সময় প্রায় ৪৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও প্রতিটি মৃত্যু রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য গভীর বেদনার।

নিহত ব্যক্তি আন্দোলনকারী হোন বা পুলিশ, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই বিচারযোগ্য। কিন্তু রাজনৈতিক আবেগ ও পরিচয়ভিত্তিক অবস্থানের কারণে বিচার প্রশ্নে দ্বৈত মানদণ্ড তৈরি হলে ন্যায়বিচার প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের অবস্থান হওয়া উচিত স্পষ্ট, জুলাই আন্দোলনে নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির যেমন বিচার প্রয়োজন, তেমনি দায়িত্ব পালনকালে নিহত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার বিচার নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও নিহত পুলিশের প্রশ্নে রাষ্ট্রের দায়

আপডেট সময় : ০৬:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই মাসের আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অধ্যায়। এ সময় যেমন বহু ছাত্র, তরুণ ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, তেমনি দায়িত্ব পালনকালে নিহত হয়েছেন পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও। অথচ এসব মৃত্যুর বিচার নিয়ে সমাজে আজ স্পষ্ট বিভাজন দেখা যাচ্ছে।

আন্দোলনে নিহতদের বিচারের দাবি নিঃসন্দেহে ন্যায্য। তবে প্রশ্ন থেকেই যায় ; দায়িত্ব পালনকালে নির্মমভাবে নিহত পুলিশ সদস্যদের বিচার নিয়ে কেন সমান মাত্রার দাবি ও আলোচনা নেই?

গণমাধ্যম ও মানবাধিকার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জুলাইয়ের সহিংসতায় আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, ওই সময় প্রায় ৪৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও প্রতিটি মৃত্যু রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য গভীর বেদনার।

নিহত ব্যক্তি আন্দোলনকারী হোন বা পুলিশ, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই বিচারযোগ্য। কিন্তু রাজনৈতিক আবেগ ও পরিচয়ভিত্তিক অবস্থানের কারণে বিচার প্রশ্নে দ্বৈত মানদণ্ড তৈরি হলে ন্যায়বিচার প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের অবস্থান হওয়া উচিত স্পষ্ট, জুলাই আন্দোলনে নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির যেমন বিচার প্রয়োজন, তেমনি দায়িত্ব পালনকালে নিহত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার বিচার নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব।