সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

বাবুগঞ্জে সহকারী শিক্ষকের হাতে প্রধান শিক্ষক লাঞ্চিত ; ক্ষোভে ফুঁসছে শিক্ষক সমাজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধি ঃ
বাবুগঞ্জে শিক্ষা কমিটির সদস্য ও সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক (বাচ্চু) কর্তৃক অপর এক প্রধান শিক্ষক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা এ বাবুগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষকদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ধুমচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম চলতি মাসের ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নৈমিত্তিক ছুটিতে থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এ নিয়ে কোনো পূর্ব বিরোধ না থাকলেও, মাসিক সমন্বয় সভায় ধুমচরের অপর এক সহকর্মী শিক্ষককে নিয়ে উচ্চবাচ্য করেন শিক্ষা কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু, যিনি মধ্য বাহেরচর ঘোষকাঠী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর শহীদুল ইসলাম খানপুরা সোনালী ব্যাংকের সামনে বাচ্চুকে জিজ্ঞেস করলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আঃ রাজ্জাক (বাচ্চু) শহীদুল ইসলামের গায়ে আঘাত করেন। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় শহীদুল ইসলামও জুতা দিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ করেন।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকে বলছেন, একজন শিক্ষক কর্তৃক অপর শিক্ষকের প্রতি এমন অশোভন আচরণ নৈতিক ও পেশাগত মানদণ্ডে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন,
তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না। প্রায় সময়ই তাকে উপজেলা সদরে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিষয়টি জানতে চেয়ে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ওপর চড়াও হন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক (বাচ্চু) বলেন,সেদিন আমার মাথা একটু গরম ছিল। প্রধান শিক্ষক আমাকে কথা বলার পর আমি একটু উত্তেজিত হয়ে পড়ি এবং তার গায়ে হাত তুলে ফেলি। বিষয়টির জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আসফিয়া রহমান বলেন, আমি বিষয়টি শুনে আমার অফিসের স্টাফদের সঙ্গে নিয়ে উভয় পক্ষকে বসিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি। তিনি আরও জানান, শিক্ষক সমাজে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি তাই উভয়কে বোঝানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর না ঘটে।

তবে শিক্ষক মহলে দাবি উঠেছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাবুগঞ্জে সহকারী শিক্ষকের হাতে প্রধান শিক্ষক লাঞ্চিত ; ক্ষোভে ফুঁসছে শিক্ষক সমাজ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাবুগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধি ঃ
বাবুগঞ্জে শিক্ষা কমিটির সদস্য ও সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক (বাচ্চু) কর্তৃক অপর এক প্রধান শিক্ষক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা এ বাবুগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষকদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ধুমচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম চলতি মাসের ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নৈমিত্তিক ছুটিতে থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এ নিয়ে কোনো পূর্ব বিরোধ না থাকলেও, মাসিক সমন্বয় সভায় ধুমচরের অপর এক সহকর্মী শিক্ষককে নিয়ে উচ্চবাচ্য করেন শিক্ষা কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু, যিনি মধ্য বাহেরচর ঘোষকাঠী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর শহীদুল ইসলাম খানপুরা সোনালী ব্যাংকের সামনে বাচ্চুকে জিজ্ঞেস করলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আঃ রাজ্জাক (বাচ্চু) শহীদুল ইসলামের গায়ে আঘাত করেন। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় শহীদুল ইসলামও জুতা দিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ করেন।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকে বলছেন, একজন শিক্ষক কর্তৃক অপর শিক্ষকের প্রতি এমন অশোভন আচরণ নৈতিক ও পেশাগত মানদণ্ডে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন,
তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না। প্রায় সময়ই তাকে উপজেলা সদরে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিষয়টি জানতে চেয়ে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ওপর চড়াও হন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক (বাচ্চু) বলেন,সেদিন আমার মাথা একটু গরম ছিল। প্রধান শিক্ষক আমাকে কথা বলার পর আমি একটু উত্তেজিত হয়ে পড়ি এবং তার গায়ে হাত তুলে ফেলি। বিষয়টির জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আসফিয়া রহমান বলেন, আমি বিষয়টি শুনে আমার অফিসের স্টাফদের সঙ্গে নিয়ে উভয় পক্ষকে বসিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি। তিনি আরও জানান, শিক্ষক সমাজে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি তাই উভয়কে বোঝানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর না ঘটে।

তবে শিক্ষক মহলে দাবি উঠেছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের।