সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন রেকর্ড আগস্টে ৭৭১.৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি :দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাতবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলেরবাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। আগস্ট মাসে কেন্দ্রটি ৭৭১.৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা ৭৮.৫৮ শতাংশ প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর (PLF) অর্জন। দেশের মোট উৎপাদিত ১০ হাজার ১০০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুতের ৭.১৫ শতাংশ এসেছে এ কেন্দ্র থেকে।

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, গত তিন মাস ধরে মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে ৬০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এ সময়ে মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৬.৪ মিলিয়ন ইউনিট।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ-ভারতের মৈত্রীর প্রতীক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরশীল হলেও আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। পাশাপাশি আধুনিক পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা—ফ্লু-গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন, উন্নত ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, ২৭৫ মিটার উচ্চতার চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং এবং জিরো লিকুইড ডিসচার্জ সিস্টেম—ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করছে।

স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র শিল্পোন্নয়ন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি স্তম্ভে পরিণত হয়েছে।##

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন রেকর্ড আগস্টে ৭৭১.৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি :দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাতবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলেরবাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। আগস্ট মাসে কেন্দ্রটি ৭৭১.৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা ৭৮.৫৮ শতাংশ প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর (PLF) অর্জন। দেশের মোট উৎপাদিত ১০ হাজার ১০০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুতের ৭.১৫ শতাংশ এসেছে এ কেন্দ্র থেকে।

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, গত তিন মাস ধরে মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে ৬০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এ সময়ে মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৬.৪ মিলিয়ন ইউনিট।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ-ভারতের মৈত্রীর প্রতীক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরশীল হলেও আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। পাশাপাশি আধুনিক পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা—ফ্লু-গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন, উন্নত ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, ২৭৫ মিটার উচ্চতার চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং এবং জিরো লিকুইড ডিসচার্জ সিস্টেম—ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করছে।

স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র শিল্পোন্নয়ন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি স্তম্ভে পরিণত হয়েছে।##