সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাবুগঞ্জে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বাবুগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের করুণ মৃত্যু চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চোরের আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন গৃহবধূ, মোবাইল নিয়ে চম্পট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটি টাকা দেওয়া সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ১৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার প্রলোভনে এক সমন্বয়ককে ২০০ কোটি টাকার চেক দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করছে বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম। তিনি জানান, ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার জন্য ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডা. গোলাম মোস্তফা স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দিয়েছেন। এই গ্রুপটি নিজেদের যমুনা থেকে আগত হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। লেনদেনের সময় আরিফুল ইসলাম নামে একজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন, যিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। আরিফুল সরাসরি ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন। যদিও আরেফিন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না, তিনি ফোনে যোগাযোগ করেছেন।

তবে গণমাধ্যমে অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা তাকে উপদেষ্টা করার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে এবং জোর করে চেকগুলোতে স্বাক্ষর নিয়েছে। এগুলো সিকিউরিটি চেক ছিল এবং চেক নেওয়ার সময় অফিসে এসছিল সম্ভবত তাদের দুজনের হাতে অস্ত্র ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটি টাকা দেওয়া সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার প্রলোভনে এক সমন্বয়ককে ২০০ কোটি টাকার চেক দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করছে বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম। তিনি জানান, ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার জন্য ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডা. গোলাম মোস্তফা স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার আশায় এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দিয়েছেন। এই গ্রুপটি নিজেদের যমুনা থেকে আগত হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। লেনদেনের সময় আরিফুল ইসলাম নামে একজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন, যিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। আরিফুল সরাসরি ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন। যদিও আরেফিন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না, তিনি ফোনে যোগাযোগ করেছেন।

তবে গণমাধ্যমে অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা তাকে উপদেষ্টা করার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে এবং জোর করে চেকগুলোতে স্বাক্ষর নিয়েছে। এগুলো সিকিউরিটি চেক ছিল এবং চেক নেওয়ার সময় অফিসে এসছিল সম্ভবত তাদের দুজনের হাতে অস্ত্র ছিল।