সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

দুর্নীতি মামলার আসামি এখন দুদক পরিচালক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভূমি অধিগ্রহণে ২২ কোটি ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলার আসামি আমিন আল পারভেজকে দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার পৌরসভায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ভবন নির্মাণ প্রকল্পে এমন আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।

গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল হায়াত মো. রফিক সই করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মো. আমিন আল পারভেজ সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপসচিব (বহিরাগমন-৪ শাখা, নিরাপত্তা-৪ শাখা) হিসেবে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।

দুদক সূত্র জানায়, কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দায়িত্ব পালনকালে পিবিআই ভবন নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণ মামলায় (এলএ কেস) আমিন আল পারভেজ ছিলেন ৩০ নম্বর আসামি। মামলাটির তদন্ত হয় দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে। সংস্থার একজন উপ-সহকারী পরিচালক ২০২০ সালের ১০ মার্চ মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তে প্রকল্পের ২২ কোটি ২১ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৬ টাকা ৮৩ পয়সা আত্মসাতের প্রমাণ বেরিয়ে আসে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় ২০২০ সালে। পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, কক্সবাজারে আমলা, রাজনীতিবিদ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যদের নিয়ে তৈরি একটি সিন্ডিকেট সুপরিকল্পিতভাবে তিনটি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় ৭৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। যে অভিযোগে ২০২০ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রাম তিনটি প্রকল্পের জন্য দুদক তিনটি পৃথক মামলা করে। তদন্তকারী কর্মকর্তার ৭৫০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে ২৩ জন অ্যাডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাসহ মোট ৪৪ জন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন কক্সবাজারের সাবেক উপকমিশনার, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার, সাবেক ইউএনও, পিবিআইর কক্সবাজার ইউনিটের তৎকালীন পুলিশ সুপার ও সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ চার কর্মকর্তা। এছাড়া তাদের সঙ্গে ছিলেন ২৩ জন জরিপকারী, সাত জন কানুনগো, ছয় জন অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা ও দুই জন সাব-রেজিস্ট্রার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দুর্নীতি মামলার আসামি এখন দুদক পরিচালক

আপডেট সময় : ০৪:৩২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
ভূমি অধিগ্রহণে ২২ কোটি ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলার আসামি আমিন আল পারভেজকে দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার পৌরসভায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ভবন নির্মাণ প্রকল্পে এমন আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।

গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল হায়াত মো. রফিক সই করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মো. আমিন আল পারভেজ সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপসচিব (বহিরাগমন-৪ শাখা, নিরাপত্তা-৪ শাখা) হিসেবে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।

দুদক সূত্র জানায়, কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দায়িত্ব পালনকালে পিবিআই ভবন নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণ মামলায় (এলএ কেস) আমিন আল পারভেজ ছিলেন ৩০ নম্বর আসামি। মামলাটির তদন্ত হয় দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে। সংস্থার একজন উপ-সহকারী পরিচালক ২০২০ সালের ১০ মার্চ মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তে প্রকল্পের ২২ কোটি ২১ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৬ টাকা ৮৩ পয়সা আত্মসাতের প্রমাণ বেরিয়ে আসে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় ২০২০ সালে। পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, কক্সবাজারে আমলা, রাজনীতিবিদ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যদের নিয়ে তৈরি একটি সিন্ডিকেট সুপরিকল্পিতভাবে তিনটি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় ৭৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। যে অভিযোগে ২০২০ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রাম তিনটি প্রকল্পের জন্য দুদক তিনটি পৃথক মামলা করে। তদন্তকারী কর্মকর্তার ৭৫০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে ২৩ জন অ্যাডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাসহ মোট ৪৪ জন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন কক্সবাজারের সাবেক উপকমিশনার, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার, সাবেক ইউএনও, পিবিআইর কক্সবাজার ইউনিটের তৎকালীন পুলিশ সুপার ও সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ চার কর্মকর্তা। এছাড়া তাদের সঙ্গে ছিলেন ২৩ জন জরিপকারী, সাত জন কানুনগো, ছয় জন অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা ও দুই জন সাব-রেজিস্ট্রার।