সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

বানারী পাড়ায় প্রতারনার শিকার এক যুবতী। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বানরী পাড়া প্রতিনিধি : বানারীপাড়ায় প্রতারণা শিকার হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক যুবতী অভিযোগসূত্র জানা গেছে রুপা খানম( ২৬) বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা গ্রামের আব্দুর রশিদ হাওলাদারের মেয়ে সেই ভালোবাসর টানে একই গ্রামের পেশকার বাড়ির মৃত মালেক ব্যাপারীর পুত্র কামরুল হাসান( ৩৩ ) এর সাথে বিগত পাঁচ বছর পূর্বে প্রেম ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক ঢাকায় বসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রুপা ঢাকায় চাকুরী সুবাধে কামরুলকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করত বেশ কয়েকদিন সাংসারিক জীবন ভালো কাটলেও কিছুদিন পরেই বেরিয়ে আসে কামরুলের আসল চরিত্র রূপাকা শারীরিক নির্যাতন এবং যৌতুক দাবি করে কারণে অকারণে গালমন্দ সহ মারধর করত এক পর্যায়ে রুপার কাছে কামরুল চাকুরী নিবে কথা বলে ৬ লক্ষ টাকা দাবি করে। রুপা স্বামীর ভালো হওয়ার কথা বিবেচনা করে নিজের সোনার গহনা বিক্রি করে এবং একটি এনজিও থেকে টাকা লোন নিয়ে কামরুলকে দেয়। টাকা দেওয়ার কিছুদিন পরেই কামরুল লাপত্বা হয়ে যায় প্রকাশ পায় কামরুলের আসল চরিত্র এরপরে একাধিকবার কামরূল কে ফোন করে এবং খোঁজ নিয়েও পাচ্ছিলেন না রুপা এক পর্যায়ে কামরুলের বোন এর মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে পাওয়া গেলেও ভালোবাসার টানে আবারো প্রতারণার শিকার হন রূপা কামরুল তাকে বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে থমকে দেন। পুনরায় আবার কামরুল যোগাযোগ বন্ধ করেন এরপরে রুপা বাধ্য হয়ে গত১/২/২০২৫ তারিখে স্ত্রীর দাবিতে কামরুলদের গ্রামের বাড়ি এসে হাজির হন বিষয়টি কামরুল টের পেয়ে লোক মাধ্যমে রুপাকে শুক্রবারে আসার কথা বলেন রুপা তার কথা মেনে বাড়িতে চলে যান রুপা পুনরায় শুক্রবারে কামরুলদের বাড়িতে আসলে কামরুল মুঠোফোনে জানিয়ে দেন তাকে দু বছর আগে কামরুল তালাক দিয়েছেন পরবর্তীতে কামরুলের পরিবারের লোকজন রূপাকে বাড়ি থেকে গাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন।পরে রুপা বাড়ির আঙিনায় অবস্থান নেয় বিষয়টি এলাকার লোকজন জানতে পেরে ওই বাড়ি আঙিনায় দেখতে আসেন পরবর্তীতে রূপা বিষয়টি বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানকে মুঠোফোনে অবহিত করলে তিনি তাকে আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিলে রুপা এলাকার লোকজনের সহায়তায় ওই বাড়ি ত্যাগ করে বানারী পাড়া থানায় এসে(১) কামরুল(২) মোসাম্মৎ রানু বেগম(৩) মোহাম্মদ কাইয়ুম (৪) মোহাম্মদ কালাম বেপারী সর্ব পিতা মৃত আব্দুল মালেক বেপারী (৫) আব্দুল মান্নান পিতা মৃত লস্কর বেপারী (৬) মোসাম্মৎ সকিনা স্বামী মৃত মালেক ব্যাপারী( ৭) মহসিন পিতা অজ্ঞত করে ৭ জনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপারে রুপার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ওকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম তাই সব সহ্য করেছি জানতাম ওর আগে একটি বিয়ে ছিল শুনেছি সে বউ নাকি মারা গেছে এখন বাড়িতে এসে শুনলাম সে বউ নাকি আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছে এবং এক প্রবাসীর বউকে প্রতারণা করে বিয়ে করার অপরাধে ওর পরিবারের লোকজন সবাই জেল খেটেছে একবার আরো শুনি এখন সে চতুর্থ বিয়ে করেছে এবং সেখানে নাকি একটি কন্যা সন্তানও আছে অথচ ও আমার দুটি বাচ্চা নষ্ট করেছে আমি প্রতারণা শিকার হয়েছি আমি ওকে অনেক বিশ্বাস করতাম বলেই আজ ঠকেছি। আমি এর বিচার চাই আর কোনদিন যেন কোন মেয়ে এরকম হেনস্তা শিকার না হয় আমি খুব শীঘ্রই মামলা করব।।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বানারী পাড়ায় প্রতারনার শিকার এক যুবতী। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় : ০২:০১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বানরী পাড়া প্রতিনিধি : বানারীপাড়ায় প্রতারণা শিকার হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক যুবতী অভিযোগসূত্র জানা গেছে রুপা খানম( ২৬) বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা গ্রামের আব্দুর রশিদ হাওলাদারের মেয়ে সেই ভালোবাসর টানে একই গ্রামের পেশকার বাড়ির মৃত মালেক ব্যাপারীর পুত্র কামরুল হাসান( ৩৩ ) এর সাথে বিগত পাঁচ বছর পূর্বে প্রেম ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক ঢাকায় বসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রুপা ঢাকায় চাকুরী সুবাধে কামরুলকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করত বেশ কয়েকদিন সাংসারিক জীবন ভালো কাটলেও কিছুদিন পরেই বেরিয়ে আসে কামরুলের আসল চরিত্র রূপাকা শারীরিক নির্যাতন এবং যৌতুক দাবি করে কারণে অকারণে গালমন্দ সহ মারধর করত এক পর্যায়ে রুপার কাছে কামরুল চাকুরী নিবে কথা বলে ৬ লক্ষ টাকা দাবি করে। রুপা স্বামীর ভালো হওয়ার কথা বিবেচনা করে নিজের সোনার গহনা বিক্রি করে এবং একটি এনজিও থেকে টাকা লোন নিয়ে কামরুলকে দেয়। টাকা দেওয়ার কিছুদিন পরেই কামরুল লাপত্বা হয়ে যায় প্রকাশ পায় কামরুলের আসল চরিত্র এরপরে একাধিকবার কামরূল কে ফোন করে এবং খোঁজ নিয়েও পাচ্ছিলেন না রুপা এক পর্যায়ে কামরুলের বোন এর মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে পাওয়া গেলেও ভালোবাসার টানে আবারো প্রতারণার শিকার হন রূপা কামরুল তাকে বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে থমকে দেন। পুনরায় আবার কামরুল যোগাযোগ বন্ধ করেন এরপরে রুপা বাধ্য হয়ে গত১/২/২০২৫ তারিখে স্ত্রীর দাবিতে কামরুলদের গ্রামের বাড়ি এসে হাজির হন বিষয়টি কামরুল টের পেয়ে লোক মাধ্যমে রুপাকে শুক্রবারে আসার কথা বলেন রুপা তার কথা মেনে বাড়িতে চলে যান রুপা পুনরায় শুক্রবারে কামরুলদের বাড়িতে আসলে কামরুল মুঠোফোনে জানিয়ে দেন তাকে দু বছর আগে কামরুল তালাক দিয়েছেন পরবর্তীতে কামরুলের পরিবারের লোকজন রূপাকে বাড়ি থেকে গাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন।পরে রুপা বাড়ির আঙিনায় অবস্থান নেয় বিষয়টি এলাকার লোকজন জানতে পেরে ওই বাড়ি আঙিনায় দেখতে আসেন পরবর্তীতে রূপা বিষয়টি বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানকে মুঠোফোনে অবহিত করলে তিনি তাকে আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিলে রুপা এলাকার লোকজনের সহায়তায় ওই বাড়ি ত্যাগ করে বানারী পাড়া থানায় এসে(১) কামরুল(২) মোসাম্মৎ রানু বেগম(৩) মোহাম্মদ কাইয়ুম (৪) মোহাম্মদ কালাম বেপারী সর্ব পিতা মৃত আব্দুল মালেক বেপারী (৫) আব্দুল মান্নান পিতা মৃত লস্কর বেপারী (৬) মোসাম্মৎ সকিনা স্বামী মৃত মালেক ব্যাপারী( ৭) মহসিন পিতা অজ্ঞত করে ৭ জনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপারে রুপার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ওকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম তাই সব সহ্য করেছি জানতাম ওর আগে একটি বিয়ে ছিল শুনেছি সে বউ নাকি মারা গেছে এখন বাড়িতে এসে শুনলাম সে বউ নাকি আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছে এবং এক প্রবাসীর বউকে প্রতারণা করে বিয়ে করার অপরাধে ওর পরিবারের লোকজন সবাই জেল খেটেছে একবার আরো শুনি এখন সে চতুর্থ বিয়ে করেছে এবং সেখানে নাকি একটি কন্যা সন্তানও আছে অথচ ও আমার দুটি বাচ্চা নষ্ট করেছে আমি প্রতারণা শিকার হয়েছি আমি ওকে অনেক বিশ্বাস করতাম বলেই আজ ঠকেছি। আমি এর বিচার চাই আর কোনদিন যেন কোন মেয়ে এরকম হেনস্তা শিকার না হয় আমি খুব শীঘ্রই মামলা করব।।