সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

হত্যা মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে মারা যান বরিশালের বানারীপাড়ার ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম গোলন্দাজ। এ ঘটনায় আদালতে মামলার আবেদন করেন তাঁর বোন নাসিমা ইয়াসমিন। আদালতের নির্দেশে গত ১২ জুন মামলা নেয় থানা পুলিশ। এর আগে ৭ জুন সালামের ভাই ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের মালিকানাধীন কাজলাহার গ্রামের এবিসি ব্রিকস ও সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায় হত্যা মামলার আসামিরা। এ ঘটনায় গত ১২ জুন থানায় ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের মামাতো বোন শাহনাজ বেগম।

মামলা দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সাক্ষীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলার করার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুন রাতে হত্যা মামলার আসামি সাবিনা ইয়াসমিনের পুত্রবধূ মেহেরুননেসা ডায়নাকে দিয়ে মামলাটি করানো হয়। আসামিরা হলেন– রিয়াজুল ইসলাম ফয়সাল (৩২), আ. আজিজ (৪৪), হাসান খান মেহেদী (৩৭), মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল (৬২), আলাউদ্দিন গোলন্দাজ (৫৪) ও সহিদুল আলম (৬০)।

হত্যা প্রচেষ্টা মামলার ৫ নম্বর সাক্ষী ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, হত্যা ও ভাঙচুর মামলার আসামি সাবিনা ইয়াসমিন তাঁর পুত্রবধূকে দিয়ে কাল্পনিক ধর্ষণচেষ্টা মামলা করিয়েছেন। হত্যা মামলার ৪ নম্বর সাক্ষী হাসান খান মেহেদীর দাবি, বাড়িতে যখন হামলা হয়, তখন প্রাণ বাঁচাতে বাসার মধ্যে অবস্থান নিয়েছিলেন তারা। খবর পেয়ে থানার ওসির নেতৃত্বে ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যান। হত্যা মামলার আসামি সাবিনা ইয়াসমিনের ছেলে সাব্বির হোসেন গোলন্দাজ নিজের স্ত্রীর জামা টেনে ছিঁড়ে ফেলে ধর্ষণ মামলার নাটক সাজান। যার প্রমাণ হিসেবে ভিডিও ফুটেজ রয়েছে।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন, থানায় রুজু হওয়া পৃথক তিনটি মামলার বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, জামাতা সোহাগের সঙ্গে মিলে ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি ব্যবসায়ী সালাম গোলন্দাজকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। পরে প্রচার করেন, সালাম গোলন্দাজ হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছেন। এর পর আনিছ মৃধা নামে একজনকে বিয়ে করেন সাবিনা ইয়াসমিন। সম্প্রতি হত্যার ঘটনা জানাজানি হলে আদালতে মামলার আবেদন করেন নিহত ব্যবসায়ীর বোন নাসিমা ইয়াসমিন।
রাহাদ সুমন,বানারীপাড়াতারিখঃ১৬-০৬-২০২৪ইং

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হত্যা মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা

আপডেট সময় : ০৬:০৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে মারা যান বরিশালের বানারীপাড়ার ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম গোলন্দাজ। এ ঘটনায় আদালতে মামলার আবেদন করেন তাঁর বোন নাসিমা ইয়াসমিন। আদালতের নির্দেশে গত ১২ জুন মামলা নেয় থানা পুলিশ। এর আগে ৭ জুন সালামের ভাই ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের মালিকানাধীন কাজলাহার গ্রামের এবিসি ব্রিকস ও সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায় হত্যা মামলার আসামিরা। এ ঘটনায় গত ১২ জুন থানায় ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেনের মামাতো বোন শাহনাজ বেগম।

মামলা দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সাক্ষীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলার করার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুন রাতে হত্যা মামলার আসামি সাবিনা ইয়াসমিনের পুত্রবধূ মেহেরুননেসা ডায়নাকে দিয়ে মামলাটি করানো হয়। আসামিরা হলেন– রিয়াজুল ইসলাম ফয়সাল (৩২), আ. আজিজ (৪৪), হাসান খান মেহেদী (৩৭), মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল (৬২), আলাউদ্দিন গোলন্দাজ (৫৪) ও সহিদুল আলম (৬০)।

হত্যা প্রচেষ্টা মামলার ৫ নম্বর সাক্ষী ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, হত্যা ও ভাঙচুর মামলার আসামি সাবিনা ইয়াসমিন তাঁর পুত্রবধূকে দিয়ে কাল্পনিক ধর্ষণচেষ্টা মামলা করিয়েছেন। হত্যা মামলার ৪ নম্বর সাক্ষী হাসান খান মেহেদীর দাবি, বাড়িতে যখন হামলা হয়, তখন প্রাণ বাঁচাতে বাসার মধ্যে অবস্থান নিয়েছিলেন তারা। খবর পেয়ে থানার ওসির নেতৃত্বে ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যান। হত্যা মামলার আসামি সাবিনা ইয়াসমিনের ছেলে সাব্বির হোসেন গোলন্দাজ নিজের স্ত্রীর জামা টেনে ছিঁড়ে ফেলে ধর্ষণ মামলার নাটক সাজান। যার প্রমাণ হিসেবে ভিডিও ফুটেজ রয়েছে।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন, থানায় রুজু হওয়া পৃথক তিনটি মামলার বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, জামাতা সোহাগের সঙ্গে মিলে ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি ব্যবসায়ী সালাম গোলন্দাজকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। পরে প্রচার করেন, সালাম গোলন্দাজ হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছেন। এর পর আনিছ মৃধা নামে একজনকে বিয়ে করেন সাবিনা ইয়াসমিন। সম্প্রতি হত্যার ঘটনা জানাজানি হলে আদালতে মামলার আবেদন করেন নিহত ব্যবসায়ীর বোন নাসিমা ইয়াসমিন।
রাহাদ সুমন,বানারীপাড়াতারিখঃ১৬-০৬-২০২৪ইং