সংবাদ শিরোনাম ::
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দামুড়হুদায় ১৫শ বস্তা সার জব্দ, অবৈধ পন্থায় মজুদ, গোডাউন সিলগালা পিরোজপুরে মন্দিরের ভূমিতে জামায়াত নেতার ধান চাষ! দখলের অভিযোগ মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টা মামলায় কারাগারে মাদরাসা সুপার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪ ৫০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক ইমরান জামান কাজল।

শুক্রবার (১৭ মে) জুম্মার নামাজের পরে হঠাৎ করে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ এসে সোনাডাঙ্গা থানার সৈয়দ আলী হোসেন সড়কের বাড়ি থেকে উক্ত মাদ্রাসা সুপার (প্রধান)হাসিবুর রহমান হাসিবকে গ্রেফতার করা হয়।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অহিদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকালে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। শিশুটি বর্তমানে সোনাডাঙ্গা থানার পার্শ্ববর্তী ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই শিশু ও তার ভাই প্রতিরাতে মাদরাসা সুপারের বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাতে পড়তে গেলে তিনি শিশুটির ভাইকে ওজু করতে পাঠান।

পরে একা পেয়ে শিশুটির শ্লীলতাহানি করেন। বাড়ি ফিরে শিশুটি কান্না করতে থাকে এবং একপর্যায়ে মাকে সব বলে দেয়। এ ঘটনায় রাতেই এলাকাবাসী ওই শিক্ষকের বাড়ির সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক উক্ত ঘটনা স্থানে উপস্থিত হলে,তার সঙ্গে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মোবারক হোসেনের সঙ্গে। উক্ত স্থানীয় বাসিন্দা আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদককে জানাই যে, এই মাদ্রাসা শিক্ষক ও সুপার এর পূর্বেও একাধিক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেন। কিন্তু সে সকল অভিভাবকগণ উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই মাদ্রাসা সুপার একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তাই আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ হতে বিচারিক ব্যবস্থার উপর আস্থা রেখে বলতে চাই যে এ ধরনের মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু আইন আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ব্যবস্থা করে আমাদের দেশের শিক্ষার্থী ছাত্রীদের এ ধরনের শ্লীলতাহানি বন্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার আমরা এলাকাবাসীর সকলেই কামনা করছি।

এ ব্যাপারে কথা বলতে গেলে সোনাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার মিত্র জানান,উক্ত মামলার ব্যাপারে তদন্ত করতে এলে এলাকাবাসী মাদ্রাসা সুপারের ইতি পূর্বেও একাধিক বার মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি চেষ্টা করে।কিন্তু ঐ সকল শিক্ষার্থী ছাত্রীদের অভিভাবকগণ উক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এ মাদ্রাসার শিক্ষক পুন আবৃত্তি ভাবে ছাত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এই ধরনের শ্লীলতাহানি করে যাচ্ছে।

উক্ত আসামির বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় শ্লীলতাহানি চেষ্টার দায় তার বিরুদ্ধে নারী শিশু আইনের ১০(ক)ধারায় মামলা রযু হয়।যার মামলা নাম্বার সোনাডাঙ্গা ১৭,মামলার তারিখ ১৭/৫/২৪।এবং মামলা রোজুর সময় সকাল ১০:৩০মিনিট।

পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উক্ত আসামি কে আজ বেলা ১১ ঘটিকায় বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত 2 এর নিকট উপস্থিত করানো হয়। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানতে পারে যে পারেন উক্ত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টা মামলায় কারাগারে মাদরাসা সুপার

আপডেট সময় : ১১:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

খুলনা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক ইমরান জামান কাজল।

শুক্রবার (১৭ মে) জুম্মার নামাজের পরে হঠাৎ করে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ এসে সোনাডাঙ্গা থানার সৈয়দ আলী হোসেন সড়কের বাড়ি থেকে উক্ত মাদ্রাসা সুপার (প্রধান)হাসিবুর রহমান হাসিবকে গ্রেফতার করা হয়।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অহিদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকালে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। শিশুটি বর্তমানে সোনাডাঙ্গা থানার পার্শ্ববর্তী ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই শিশু ও তার ভাই প্রতিরাতে মাদরাসা সুপারের বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাতে পড়তে গেলে তিনি শিশুটির ভাইকে ওজু করতে পাঠান।

পরে একা পেয়ে শিশুটির শ্লীলতাহানি করেন। বাড়ি ফিরে শিশুটি কান্না করতে থাকে এবং একপর্যায়ে মাকে সব বলে দেয়। এ ঘটনায় রাতেই এলাকাবাসী ওই শিক্ষকের বাড়ির সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক উক্ত ঘটনা স্থানে উপস্থিত হলে,তার সঙ্গে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মোবারক হোসেনের সঙ্গে। উক্ত স্থানীয় বাসিন্দা আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদককে জানাই যে, এই মাদ্রাসা শিক্ষক ও সুপার এর পূর্বেও একাধিক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেন। কিন্তু সে সকল অভিভাবকগণ উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই মাদ্রাসা সুপার একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তাই আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ হতে বিচারিক ব্যবস্থার উপর আস্থা রেখে বলতে চাই যে এ ধরনের মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু আইন আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ব্যবস্থা করে আমাদের দেশের শিক্ষার্থী ছাত্রীদের এ ধরনের শ্লীলতাহানি বন্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার আমরা এলাকাবাসীর সকলেই কামনা করছি।

এ ব্যাপারে কথা বলতে গেলে সোনাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার মিত্র জানান,উক্ত মামলার ব্যাপারে তদন্ত করতে এলে এলাকাবাসী মাদ্রাসা সুপারের ইতি পূর্বেও একাধিক বার মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি চেষ্টা করে।কিন্তু ঐ সকল শিক্ষার্থী ছাত্রীদের অভিভাবকগণ উক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এ মাদ্রাসার শিক্ষক পুন আবৃত্তি ভাবে ছাত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এই ধরনের শ্লীলতাহানি করে যাচ্ছে।

উক্ত আসামির বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় শ্লীলতাহানি চেষ্টার দায় তার বিরুদ্ধে নারী শিশু আইনের ১০(ক)ধারায় মামলা রযু হয়।যার মামলা নাম্বার সোনাডাঙ্গা ১৭,মামলার তারিখ ১৭/৫/২৪।এবং মামলা রোজুর সময় সকাল ১০:৩০মিনিট।

পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উক্ত আসামি কে আজ বেলা ১১ ঘটিকায় বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত 2 এর নিকট উপস্থিত করানো হয়। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানতে পারে যে পারেন উক্ত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।