১৬ Jun ২০২৪, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি, রবিবার, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
স্বামী বিদেশ, টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে ভাতিজার সঙ্গে উধাও চাচি সিলেট সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ বিরামপুর দিওড় ইউনিয়নে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিতরণ করেন-চেয়ারম্যান বামনডাঙ্গায় বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবীতে আবারো মানববন্ধন ও গণ অবস্থান কর্মসূচি জনপথ বিভাগ ও স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা দখল সংবাদ প্রচার করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি প্রধানমন্ত্রীর সুদক্ষ নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল -নাঈমুজ্জামান ভূইয়া মুক্তা দেহেরগতি ইউনিয়নে ঈদ উপহারের চাল পেল ১৭২৪ টি পরিবার আগৈলঝাড়ার রাজিহার ইউনিয়নে ঈদে সরকারের খাদ্য সহায়তা পেলেন ২৯৪৭ পরিবার বানারীপাড়ায় ব্যবসায়ী সালাম গোলন্দাজ হত্যা মামলা আড়াল করতে স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা
বলেন পাকিস্তানি দেন দেশি, যত কায়দায় তনির প্রতারণা

বলেন পাকিস্তানি দেন দেশি, যত কায়দায় তনির প্রতারণা

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দেশি কাপড় পাকিস্তানি বলে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে অভিজাত পাড়ার কাপড় বিক্রির প্রতিষ্ঠান ‘সানভীস বাই তনি’র বিরুদ্ধে। অভিযোগের বিপরীতে কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় রাজধানীর গুলশানে ‘সানভীস বাই তনি’র শোরুম সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (১৩ মে) গুলশানের পুলিশ প্লাজা মার্কেটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত মুখ রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। রাজধানীতে কয়েকটি শোরুম আছে তার। অনলাইনেও বিক্রি করেন পোশাক এবং কসমেটিক্স। তবে এবার আলোচনায় এলেন প্রতারণার অভিযোগে। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর বলছে, তৈরি পোশাক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে অবৈধভাবে কসমেটিক্স বিক্রি করা হতো গুলশানের আউটলেটে।

ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল জানান, এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কিছু অভিযোগ আসার পর প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে এবং এই দোকানে দেশি পোশাকগুলো বিদেশি বলে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল। তারা অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করে। কিন্তু ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়। শত শত কাস্টমার এভাবে প্রতারিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ এলে তাদের শুনানির জন্য নোটিশ করা হয়েছে। তারা সেটি দেখেও জবাব দেয়নি। তারা যেহেতু কোনো জবাব দেয়নি, উপস্থিত হয়নি, আমাদের কাছে মনে হয়েছে এসব অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। এখানে এসে সেটার প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধু ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটা সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে।

ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বলেন, আমরা আপাতত তাদের শো-রুম বন্ধ করে দিয়েছি। এখন তারা কাগজপত্র নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে হাজির হয়ে প্রমাণ দেবে। এ ছাড়া কতগুলো কাস্টমারকে এসব ড্রেস সরবরাহ করা হয়েছে সেসব তথ্য দেবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019