১৯ মে ২০২৪, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি, রবিবার, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
পটুয়াখালীতে ফোন চাওয়ায় মায়ের বকাঝকা, এসএসসি পাস শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা আগৈলঝাড়ায় শুক্রবার রাতে স্কুল ছাত্রী ও গৃহবধুর আত্মহত্যা বরিশাল নগরী বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ট্রাফিক পুলিশের সচেতনমূলক অভিযান বাবুগঞ্জে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জনগনের ভালবাসায় এগিয়ে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী চায়না খানম ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টা মামলায় কারাগারে মাদরাসা সুপার চাঁদপাশায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফারজানা বিনতে ওহাব এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত রিকশাচালককে পিটিয়ে পা ভেঙে দেওয়া সেই পুলিশ সদস্য ক্লোজড বরিশালে স্বামীর জমানো টাকা নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী তেঁতুলিয়া হাসপাতালে অকেজো মালামাল টেন্ডারে ঘাবলা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি
নক্ষত্রের বিদায়ের দিন

নক্ষত্রের বিদায়ের দিন

আজ ৯ এপ্রিল ২০২৪।এইদিন বরিশালবাসীর প্রাণের মানুষ,গণ মানুষের নেতা,বরিশাল উন্নয়নের রুপকার,পরিচ্ছন্ননেতা এডভোকেট শওকত হোসেন হিরন এর ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী।
বরিশালের নগর পিতার চলে যাওয়ায় দিন। সবশ্রেণী পেশাার মানুষের হৃদয় জয় করে তিনি চলে গেলেন।দলের উর্ধ্বে উঠে গণমানুষের নেতা ছিলেন তিনি। বরিশালকে সাজিয়ে ছিলেন নিজের আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে। সেই স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন তিনি। ভিন্নমতের প্রিয় মানুষ হয়ে উঠেছিলেন তাঁর কর্মের মধ্যে দিয়ে। তিনি তখন বরিশাল এর মেয়র ছিলেন। আমি দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৯নং ওয়ার্ড এর মধ্যে ছিল। সেই ওয়ার্ড এ নদীর ওপার রসুলপুর বস্তি ছিল। সেখানে তখন বিদ্যুৎ ছিল না।আমি একটি নিউজ করেছিলাম ” আলোর নীচে অন্ধকার ” এই সংবাদ প্রকাশ হওয়ার ১ মাসের মধ্যে তিনি রসুলপুর এ কারেন্ট দিয়েছিলেন এবং নানাভাবে উন্নয়নের আওতায় এনেছিলেন। সরকার প্রাইমারি স্কুল টি ও পাকা করে ছিলেন। এক সময় দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল সম্পাদক ও প্রকাশক মতিন ভাই এর কাছ থেকে কিনে নিয়েছিলেন। কেউ তার বিপক্ষে কোন নিউজ করলে তাকে কাছে টেনে নিতেন, ভালোবাসা ও কাজ করে মন জয় করে নিতেন।ভিন্নমত থাকলেও সেসময় কেউ রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হতে হতোনা।তিনি মেয়র থাকাকালীন সময় একবার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বরিশাল গিয়েছিলেন তাঁকে সর্বোচ্চ সন্মান ও মর্যাদা দিয়েছিলেন। সবার সাথে নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক রাখতেন।প্রচন্ড গান পাগল মানুষ ছিলেন তিনি।আসিফ আকবর, জেমস সহ বিখ্যাত কন্ঠশিল্পীদের বরিশালে এনে বরিশালবাসীকে মুগ্ধ করতেন। তার আমলে সাংস্কৃতিক অঙ্গন বেশ জমে উঠেছিল। বরিশালে নতুন নতুন দৈনিক পত্রিকা আসতে শুরু করে তার আমলে।তিনি নেতা তৈরি করার কারখানা ছিলেন। ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে অনেক নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়েছিলো।তার স্ত্রী ও সন্তানদের রাজনীতিতে খুব একটা দেখা যেত না তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গুলোতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে উপভোগ করতেন। বরিশালবাসী হয়তো আর কোনদিন এমন নেতা পাবেন না।তার মৃত্যুর খবরে সেদিন সবাই কেঁদে ছিলেন। বরিশালের সর্বস্তরের মানুষেমানুষের অংশ গ্রহণে লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে তাঁকে শেষ বিদায় দিয়েছিলো নগরবাসী।আজ তার মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে বরিশালে। মানুষের ভালোবাসায় আলোকিত নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবেন সকলের প্রিয় হয়ে।
মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019