সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

নক্ষত্রের বিদায়ের দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ ৯ এপ্রিল ২০২৪।এইদিন বরিশালবাসীর প্রাণের মানুষ,গণ মানুষের নেতা,বরিশাল উন্নয়নের রুপকার,পরিচ্ছন্ননেতা এডভোকেট শওকত হোসেন হিরন এর ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী।
বরিশালের নগর পিতার চলে যাওয়ায় দিন। সবশ্রেণী পেশাার মানুষের হৃদয় জয় করে তিনি চলে গেলেন।দলের উর্ধ্বে উঠে গণমানুষের নেতা ছিলেন তিনি। বরিশালকে সাজিয়ে ছিলেন নিজের আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে। সেই স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন তিনি। ভিন্নমতের প্রিয় মানুষ হয়ে উঠেছিলেন তাঁর কর্মের মধ্যে দিয়ে। তিনি তখন বরিশাল এর মেয়র ছিলেন। আমি দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৯নং ওয়ার্ড এর মধ্যে ছিল। সেই ওয়ার্ড এ নদীর ওপার রসুলপুর বস্তি ছিল। সেখানে তখন বিদ্যুৎ ছিল না।আমি একটি নিউজ করেছিলাম ” আলোর নীচে অন্ধকার ” এই সংবাদ প্রকাশ হওয়ার ১ মাসের মধ্যে তিনি রসুলপুর এ কারেন্ট দিয়েছিলেন এবং নানাভাবে উন্নয়নের আওতায় এনেছিলেন। সরকার প্রাইমারি স্কুল টি ও পাকা করে ছিলেন। এক সময় দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল সম্পাদক ও প্রকাশক মতিন ভাই এর কাছ থেকে কিনে নিয়েছিলেন। কেউ তার বিপক্ষে কোন নিউজ করলে তাকে কাছে টেনে নিতেন, ভালোবাসা ও কাজ করে মন জয় করে নিতেন।ভিন্নমত থাকলেও সেসময় কেউ রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হতে হতোনা।তিনি মেয়র থাকাকালীন সময় একবার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বরিশাল গিয়েছিলেন তাঁকে সর্বোচ্চ সন্মান ও মর্যাদা দিয়েছিলেন। সবার সাথে নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক রাখতেন।প্রচন্ড গান পাগল মানুষ ছিলেন তিনি।আসিফ আকবর, জেমস সহ বিখ্যাত কন্ঠশিল্পীদের বরিশালে এনে বরিশালবাসীকে মুগ্ধ করতেন। তার আমলে সাংস্কৃতিক অঙ্গন বেশ জমে উঠেছিল। বরিশালে নতুন নতুন দৈনিক পত্রিকা আসতে শুরু করে তার আমলে।তিনি নেতা তৈরি করার কারখানা ছিলেন। ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে অনেক নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়েছিলো।তার স্ত্রী ও সন্তানদের রাজনীতিতে খুব একটা দেখা যেত না তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গুলোতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে উপভোগ করতেন। বরিশালবাসী হয়তো আর কোনদিন এমন নেতা পাবেন না।তার মৃত্যুর খবরে সেদিন সবাই কেঁদে ছিলেন। বরিশালের সর্বস্তরের মানুষেমানুষের অংশ গ্রহণে লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে তাঁকে শেষ বিদায় দিয়েছিলো নগরবাসী।আজ তার মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে বরিশালে। মানুষের ভালোবাসায় আলোকিত নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবেন সকলের প্রিয় হয়ে।
মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নক্ষত্রের বিদায়ের দিন

আপডেট সময় : ০৪:০৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল ২০২৪

আজ ৯ এপ্রিল ২০২৪।এইদিন বরিশালবাসীর প্রাণের মানুষ,গণ মানুষের নেতা,বরিশাল উন্নয়নের রুপকার,পরিচ্ছন্ননেতা এডভোকেট শওকত হোসেন হিরন এর ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী।
বরিশালের নগর পিতার চলে যাওয়ায় দিন। সবশ্রেণী পেশাার মানুষের হৃদয় জয় করে তিনি চলে গেলেন।দলের উর্ধ্বে উঠে গণমানুষের নেতা ছিলেন তিনি। বরিশালকে সাজিয়ে ছিলেন নিজের আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে। সেই স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন তিনি। ভিন্নমতের প্রিয় মানুষ হয়ে উঠেছিলেন তাঁর কর্মের মধ্যে দিয়ে। তিনি তখন বরিশাল এর মেয়র ছিলেন। আমি দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৯নং ওয়ার্ড এর মধ্যে ছিল। সেই ওয়ার্ড এ নদীর ওপার রসুলপুর বস্তি ছিল। সেখানে তখন বিদ্যুৎ ছিল না।আমি একটি নিউজ করেছিলাম ” আলোর নীচে অন্ধকার ” এই সংবাদ প্রকাশ হওয়ার ১ মাসের মধ্যে তিনি রসুলপুর এ কারেন্ট দিয়েছিলেন এবং নানাভাবে উন্নয়নের আওতায় এনেছিলেন। সরকার প্রাইমারি স্কুল টি ও পাকা করে ছিলেন। এক সময় দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল সম্পাদক ও প্রকাশক মতিন ভাই এর কাছ থেকে কিনে নিয়েছিলেন। কেউ তার বিপক্ষে কোন নিউজ করলে তাকে কাছে টেনে নিতেন, ভালোবাসা ও কাজ করে মন জয় করে নিতেন।ভিন্নমত থাকলেও সেসময় কেউ রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হতে হতোনা।তিনি মেয়র থাকাকালীন সময় একবার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বরিশাল গিয়েছিলেন তাঁকে সর্বোচ্চ সন্মান ও মর্যাদা দিয়েছিলেন। সবার সাথে নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক রাখতেন।প্রচন্ড গান পাগল মানুষ ছিলেন তিনি।আসিফ আকবর, জেমস সহ বিখ্যাত কন্ঠশিল্পীদের বরিশালে এনে বরিশালবাসীকে মুগ্ধ করতেন। তার আমলে সাংস্কৃতিক অঙ্গন বেশ জমে উঠেছিল। বরিশালে নতুন নতুন দৈনিক পত্রিকা আসতে শুরু করে তার আমলে।তিনি নেতা তৈরি করার কারখানা ছিলেন। ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে অনেক নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়েছিলো।তার স্ত্রী ও সন্তানদের রাজনীতিতে খুব একটা দেখা যেত না তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গুলোতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে উপভোগ করতেন। বরিশালবাসী হয়তো আর কোনদিন এমন নেতা পাবেন না।তার মৃত্যুর খবরে সেদিন সবাই কেঁদে ছিলেন। বরিশালের সর্বস্তরের মানুষেমানুষের অংশ গ্রহণে লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে তাঁকে শেষ বিদায় দিয়েছিলো নগরবাসী।আজ তার মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে বরিশালে। মানুষের ভালোবাসায় আলোকিত নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবেন সকলের প্রিয় হয়ে।
মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা