সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী জীবননগর ও উথলী বিজিবি হাতে ভারতীয় কীটনাশক,মদ,ভায়াগ্রাসহ মহেশপুর সীমান্তে ৬ হিজড়া আটক বাবুগঞ্জ রহমতপুর ইউনিয়নে তরুণ সমাজসেবক শিমুল সিকদারের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা

প্রেমিকের কথায় স্বামীকে তালাক, এখন লাপাত্তা প্রেমিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ের দাবিতে সহকর্মীর বাড়িতে ৪ দিন যাবত অবস্থান করছেন প্রেমিকা (২২)। তবে প্রেমিকার বাড়িতে আসার খবরে লাপাত্তা প্রেমিক ফারুক মিয়া (২৮)। ফারুক মিয়া উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামের মো. আবু বকরের ছেলে।

ওই নারী টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা। তিনি এক সন্তানের মা। মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) জাটিয়া ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামের ফারুক মিয়ার বাড়িতে অবস্থান নেন তিনি। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ওই নারী ফারুকের বাড়িতে অবস্থান করছেন। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই নারীর ভাষ্য, তিনি ফারুকের সঙ্গে ভালুকার একটি পোষাক কারখানায় কাজ করতেন। কাজ করার সুবাদে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ অবস্থায় গত এক বছর ধরে বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করেন ফারুক এবং স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি ফারুক তাকে বলেন স্বামীকে তালাক দিলে তাকে বিয়ে করবেন। ফারুকের কথায় স্বামীকে তালাক দেন তিনি।

তবে তালাক দেওয়ার পর থেকে ফারুক তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এমতাবস্থায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর ফারুককে না পেয়ে বিয়ের দাবিতে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) ফারুকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেন তিনি। তার আসার পর বাড়ি থেকে কৌশলে পালিয়ে যান ফারুক।

তিনি বলেন, ফারুক আমাকে বলেছে স্বামী-সন্তান ছেড়ে আসলে আমাকে বিয়ে করবে। আমি তার কথায় সব ছেড়ে চলে এসেছি। এখন সে আমাকে বিয়ে না করলে আমার মরণ ছাড়া উপায় নাই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই তরুণীকে ফারুক তাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। আমরা জানতে চাইলে ফারুক জানান এটা তার প্রেমিকা, বিয়ে ঠিকঠাক। বাবা-মাকে দেখানোর জন্যই নিয়ে আসছেন।

ফারুক পলাতক থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার মা মোছা. সেলিনা বলেন, আমার ছেলে কোথায় আছে জানি না। এই মেয়ে অবিবাহিত হলে চিন্তা করে দেখতাম। বিবাহিত মেয়েকে ছেলের বউ করবো না।এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিন বলেন, মেয়ের কাছ থেকে কিছু প্রমাণ দেখার পর ছেলের অভিভাবককে তাদের বিয়ে দেওয়ার কথা বলি। কিন্তু বিবাহিত হওয়ায় ফারুকের পরিবার রাজি হচ্ছে না। পরে আমি ওই তরুণীকে আইনের আশ্রয় নিতে বলি।

ওসি মো. মাজেদুর রহমান বলেন, এই বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তাকে ফারুকের বাবা মায়ের জিম্মায় রাখা হয়েছে। তার যেন কোনো অসুবিধা বা তিনি যেন নির্যাতনের শিকার না হন সেজন্য একজন গ্রাম পুলিশ তাকে দেখাশোনা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্রেমিকের কথায় স্বামীকে তালাক, এখন লাপাত্তা প্রেমিক

আপডেট সময় : ১০:১৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ের দাবিতে সহকর্মীর বাড়িতে ৪ দিন যাবত অবস্থান করছেন প্রেমিকা (২২)। তবে প্রেমিকার বাড়িতে আসার খবরে লাপাত্তা প্রেমিক ফারুক মিয়া (২৮)। ফারুক মিয়া উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামের মো. আবু বকরের ছেলে।

ওই নারী টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ি উপজেলার বাসিন্দা। তিনি এক সন্তানের মা। মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) জাটিয়া ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামের ফারুক মিয়ার বাড়িতে অবস্থান নেন তিনি। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ওই নারী ফারুকের বাড়িতে অবস্থান করছেন। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই নারীর ভাষ্য, তিনি ফারুকের সঙ্গে ভালুকার একটি পোষাক কারখানায় কাজ করতেন। কাজ করার সুবাদে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ অবস্থায় গত এক বছর ধরে বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করেন ফারুক এবং স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি ফারুক তাকে বলেন স্বামীকে তালাক দিলে তাকে বিয়ে করবেন। ফারুকের কথায় স্বামীকে তালাক দেন তিনি।

তবে তালাক দেওয়ার পর থেকে ফারুক তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এমতাবস্থায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর ফারুককে না পেয়ে বিয়ের দাবিতে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) ফারুকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেন তিনি। তার আসার পর বাড়ি থেকে কৌশলে পালিয়ে যান ফারুক।

তিনি বলেন, ফারুক আমাকে বলেছে স্বামী-সন্তান ছেড়ে আসলে আমাকে বিয়ে করবে। আমি তার কথায় সব ছেড়ে চলে এসেছি। এখন সে আমাকে বিয়ে না করলে আমার মরণ ছাড়া উপায় নাই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই তরুণীকে ফারুক তাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। আমরা জানতে চাইলে ফারুক জানান এটা তার প্রেমিকা, বিয়ে ঠিকঠাক। বাবা-মাকে দেখানোর জন্যই নিয়ে আসছেন।

ফারুক পলাতক থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার মা মোছা. সেলিনা বলেন, আমার ছেলে কোথায় আছে জানি না। এই মেয়ে অবিবাহিত হলে চিন্তা করে দেখতাম। বিবাহিত মেয়েকে ছেলের বউ করবো না।এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিন বলেন, মেয়ের কাছ থেকে কিছু প্রমাণ দেখার পর ছেলের অভিভাবককে তাদের বিয়ে দেওয়ার কথা বলি। কিন্তু বিবাহিত হওয়ায় ফারুকের পরিবার রাজি হচ্ছে না। পরে আমি ওই তরুণীকে আইনের আশ্রয় নিতে বলি।

ওসি মো. মাজেদুর রহমান বলেন, এই বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তাকে ফারুকের বাবা মায়ের জিম্মায় রাখা হয়েছে। তার যেন কোনো অসুবিধা বা তিনি যেন নির্যাতনের শিকার না হন সেজন্য একজন গ্রাম পুলিশ তাকে দেখাশোনা করছেন।