সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

অর্থ আত্মসাৎ: সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ২ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আট জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেন বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন‒ ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, ডিএমডি মাইনুল হক, জিএম ননী গোপাল নাথ, এজিএম সাইফুল হাসান ও কামরুল হোসেন খান, ডিজিএম সফিজ উদ্দিন আহমেদ, প্যারাগন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা ও পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এদের মধ্যে হুমায়ুন কবির, ননী গোপাল, সাইফুল হাসান, সাইফুল ইসলাম রাজা ও আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দুটি ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থ আত্মসাতের দায়ে তাদের প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রতারণার দায়ে আরও সাত বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে আসামি সফিজ উদ্দিন, কামরুল হোসেন ও মাইনুল হককে ৮ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থ আত্মসাতের দায়ে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড এবং প্রতারণার দায়ে তাদের আরও তিন বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

এর পাশাপাশি প্রতারণার দায়ে আট আসামিকে দুই কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ১০৩ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত, যা প্রত্যেকের কাছ থেকে সমানভাবে রাষ্ট্রের অনুকূলে আদায়যোগ্য হবে।

এদিন সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি মাইনুল হক, সফিজ উদ্দিন ও কামরুল হোসেন আদালতে হাজির ছিলেন। ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবিরসহ পাঁচজন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, দুই কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ১০৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি রমনা মডেল থানায় মামলা করে দুদক। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২২ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ৫৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

এর আগে সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের দায়ে কয়েকটি মামলায় আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন পৃথক আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অর্থ আত্মসাৎ: সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:১৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ২ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আট জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেন বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন‒ ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, ডিএমডি মাইনুল হক, জিএম ননী গোপাল নাথ, এজিএম সাইফুল হাসান ও কামরুল হোসেন খান, ডিজিএম সফিজ উদ্দিন আহমেদ, প্যারাগন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা ও পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এদের মধ্যে হুমায়ুন কবির, ননী গোপাল, সাইফুল হাসান, সাইফুল ইসলাম রাজা ও আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দুটি ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থ আত্মসাতের দায়ে তাদের প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রতারণার দায়ে আরও সাত বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে আসামি সফিজ উদ্দিন, কামরুল হোসেন ও মাইনুল হককে ৮ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থ আত্মসাতের দায়ে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড এবং প্রতারণার দায়ে তাদের আরও তিন বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

এর পাশাপাশি প্রতারণার দায়ে আট আসামিকে দুই কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ১০৩ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত, যা প্রত্যেকের কাছ থেকে সমানভাবে রাষ্ট্রের অনুকূলে আদায়যোগ্য হবে।

এদিন সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি মাইনুল হক, সফিজ উদ্দিন ও কামরুল হোসেন আদালতে হাজির ছিলেন। ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবিরসহ পাঁচজন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, দুই কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ১০৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি রমনা মডেল থানায় মামলা করে দুদক। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২২ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ৫৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

এর আগে সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের দায়ে কয়েকটি মামলায় আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন পৃথক আদালত।