সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগে কারাগারে ছেলে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগে আরিফুজ্জামান মিটু (৫০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতে মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মারধরে আহত ওই বৃদ্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের বিলমান্দলা এলাকার মৃত মোবারক হোসেন মাস্টারের স্ত্রী।

এর আগে এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আলফাডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন মৌলুদা মোবারক (৬৫) নামের ওই নারী।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাবা মারা যাওয়ার পর সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিতে আরিফুজ্জামান প্রায়ই তার মাকে নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করতেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকালে আরিফুজ্জামান একটি জমি চাষ করার প্রস্তুতি নেয়। এতে তার মা আপত্তি জানালে আরিফুজ্জামান তাকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যার চেষ্টাও করেন। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

নির্যাতিত বৃদ্ধার অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. ফরহাদ শেখ আরিফুজ্জামান মিটুকে গ্রেপ্তার করে। পরে শুক্রবার সকালে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৫১ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৌলুদা মোবারক বলেন, আমার বড় ছেলে অতীতেও জমিসংক্রান্ত বিরোধে কয়েকবার আমাকে এবং আমার অন্য ছেলেদের মারধর করেছে। এ নিয়ে আলফাডাঙ্গা থানা ও ফরিদপুর আদালতে তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা করেছিলাম। পরবর্তীতে মানবিক কারণে সেসব মামলা মীমাংসা করেছি।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু তাহের বলেন, ওই বৃদ্ধার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগে কারাগারে ছেলে

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগে আরিফুজ্জামান মিটু (৫০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতে মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মারধরে আহত ওই বৃদ্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের বিলমান্দলা এলাকার মৃত মোবারক হোসেন মাস্টারের স্ত্রী।

এর আগে এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আলফাডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন মৌলুদা মোবারক (৬৫) নামের ওই নারী।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাবা মারা যাওয়ার পর সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিতে আরিফুজ্জামান প্রায়ই তার মাকে নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করতেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকালে আরিফুজ্জামান একটি জমি চাষ করার প্রস্তুতি নেয়। এতে তার মা আপত্তি জানালে আরিফুজ্জামান তাকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যার চেষ্টাও করেন। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

নির্যাতিত বৃদ্ধার অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. ফরহাদ শেখ আরিফুজ্জামান মিটুকে গ্রেপ্তার করে। পরে শুক্রবার সকালে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৫১ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৌলুদা মোবারক বলেন, আমার বড় ছেলে অতীতেও জমিসংক্রান্ত বিরোধে কয়েকবার আমাকে এবং আমার অন্য ছেলেদের মারধর করেছে। এ নিয়ে আলফাডাঙ্গা থানা ও ফরিদপুর আদালতে তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা করেছিলাম। পরবর্তীতে মানবিক কারণে সেসব মামলা মীমাংসা করেছি।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু তাহের বলেন, ওই বৃদ্ধার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।