সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন

সিলেট উপশহরে কোকা কোলা পান অজ্ঞান -৫ জন, অন্তরালে কি রহস্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেট উপশহরে ৫ জন কোকা কোলা পান করে নারী ও শিশু সহ অজ্ঞান হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সোমবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন উপশহর এলাকার এইচ ব্লকের ৩নং রোডের আলী হোসেনের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের অভিযোগ, একই এলাকার রাজু নামের এক ব্যক্তি বাসার পার্শ্ববর্তী একটি দোকান থেকে সেই কোকা-কোলা কিনে এনেছিল। সেই কোকা কোলা পান করার পরই তারা অজ্ঞান হয়ে যান। পরে কোকা- কোলা বোতলে সাদা পাউডার জাতীয় বস্তু দেখতে পান তারা।
ঘটনার পর থেকে রাজু নামের ওই যুবক পলাতক রয়েছেন। রাজু হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার বুলুই গ্রামের বাসিন্দা।
তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন হচ্ছে কে সেই রাজু কেনই? বা তাদের কোকা কোলা পান করা হলো, তাছাড়া কেন ভূক্তভোগীরা ড্রিংটি পান করলেন রাজুর সাথে তাদের কি সম্পর্ক এ প্রশ্ন এখন সিলেট জুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে।
এছাড়া ওই বাসার শামসুল হক জানান, রাজু বাসার পাশের একটি দোকান থেকে সোমবার (১০ এপ্রিল) রাতে কোকা-কোলার বোতল নিয়ে এসে এদের পান করতে দেন। সেই কাকা- কোলা পান করার পরই কামরুন্নেসা, এলমিনা, রুবিনা, লুভনা ও তামীম অজ্ঞান হয়ে যান। তৎক্ষণাৎ পরিবারের সদস্যরা তাদের ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসায় তাদের জ্ঞান ফেরে। কোকা-কোলা বোতলে সাদা পাউডার জাতীয় বস্তু রয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে এর পিছনের কারণ বলতে পারছেন না তিনি। ঘটনার পর থেকে রাজু পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন- বিষয়টি সম্পর্কে আমরা রাতে অবগত হয়েছি। খোঁজ-খবর নিচ্ছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোন অভিযোগ আসেনি বলে জানা তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেট উপশহরে কোকা কোলা পান অজ্ঞান -৫ জন, অন্তরালে কি রহস্য

আপডেট সময় : ১১:০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেট উপশহরে ৫ জন কোকা কোলা পান করে নারী ও শিশু সহ অজ্ঞান হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সোমবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন উপশহর এলাকার এইচ ব্লকের ৩নং রোডের আলী হোসেনের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের অভিযোগ, একই এলাকার রাজু নামের এক ব্যক্তি বাসার পার্শ্ববর্তী একটি দোকান থেকে সেই কোকা-কোলা কিনে এনেছিল। সেই কোকা কোলা পান করার পরই তারা অজ্ঞান হয়ে যান। পরে কোকা- কোলা বোতলে সাদা পাউডার জাতীয় বস্তু দেখতে পান তারা।
ঘটনার পর থেকে রাজু নামের ওই যুবক পলাতক রয়েছেন। রাজু হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার বুলুই গ্রামের বাসিন্দা।
তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন হচ্ছে কে সেই রাজু কেনই? বা তাদের কোকা কোলা পান করা হলো, তাছাড়া কেন ভূক্তভোগীরা ড্রিংটি পান করলেন রাজুর সাথে তাদের কি সম্পর্ক এ প্রশ্ন এখন সিলেট জুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে।
এছাড়া ওই বাসার শামসুল হক জানান, রাজু বাসার পাশের একটি দোকান থেকে সোমবার (১০ এপ্রিল) রাতে কোকা-কোলার বোতল নিয়ে এসে এদের পান করতে দেন। সেই কাকা- কোলা পান করার পরই কামরুন্নেসা, এলমিনা, রুবিনা, লুভনা ও তামীম অজ্ঞান হয়ে যান। তৎক্ষণাৎ পরিবারের সদস্যরা তাদের ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসায় তাদের জ্ঞান ফেরে। কোকা-কোলা বোতলে সাদা পাউডার জাতীয় বস্তু রয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে এর পিছনের কারণ বলতে পারছেন না তিনি। ঘটনার পর থেকে রাজু পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন- বিষয়টি সম্পর্কে আমরা রাতে অবগত হয়েছি। খোঁজ-খবর নিচ্ছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোন অভিযোগ আসেনি বলে জানা তিনি।