সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানো চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৯২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের দোহাজারী পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মো. আরিফ (২৭০, মো. জসিম উদ্দিন (৩০) ও মো. তারেক (২৯)। চক্রটি রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট তৈরি চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, গ্রেপ্তার আরিফ আফরোজা নামে এক নারীকে তার বোন পরিচয় দিয়ে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের কাগজপত্র নিয়ে ডিএসবি পুলিশের কাছে আসেন। সেখানে দোহাজারী পৌরসভার ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। ঠিকানা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, ওই পৌরসভায় অবৈধভাবে জন্ম নিবন্ধন সার্ভারে প্রবেশ করে নিবন্ধন করা জন্ম নিবন্ধনের একটি এটি। যে নারীর জন্য পাসপোর্টের আবেদন করা হয়েছে। তবে ওই নারীও রোহিঙ্গা বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ‌‌তাৎক্ষণিক আরিফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, টাকার বিনিময়ে তারা রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন লোকজনকে জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট করিয়ে দেন। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গত ১১ জানুয়ারি চন্দনাইশের দোহাজারী পৌরসভার ঠিকানা ব্যবহার করে অবৈধভাবে ৩৩৬টি জন্ম নিবন্ধন সনদ বের করা হয়। এ ঘটনায় ১৫ জানুয়ারি চন্দনাইশ থানায় জিডি করে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ৩১ জানুয়ারি পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন বাদী হয়ে ৩৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আজ বৃহস্পতিবার মামলাটি তদন্তের জন্য কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে (সিটিসি) দায়িত্ব দিয়েছে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানো চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের দোহাজারী পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মো. আরিফ (২৭০, মো. জসিম উদ্দিন (৩০) ও মো. তারেক (২৯)। চক্রটি রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট তৈরি চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, গ্রেপ্তার আরিফ আফরোজা নামে এক নারীকে তার বোন পরিচয় দিয়ে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের কাগজপত্র নিয়ে ডিএসবি পুলিশের কাছে আসেন। সেখানে দোহাজারী পৌরসভার ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। ঠিকানা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, ওই পৌরসভায় অবৈধভাবে জন্ম নিবন্ধন সার্ভারে প্রবেশ করে নিবন্ধন করা জন্ম নিবন্ধনের একটি এটি। যে নারীর জন্য পাসপোর্টের আবেদন করা হয়েছে। তবে ওই নারীও রোহিঙ্গা বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ‌‌তাৎক্ষণিক আরিফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, টাকার বিনিময়ে তারা রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন লোকজনকে জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট করিয়ে দেন। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গত ১১ জানুয়ারি চন্দনাইশের দোহাজারী পৌরসভার ঠিকানা ব্যবহার করে অবৈধভাবে ৩৩৬টি জন্ম নিবন্ধন সনদ বের করা হয়। এ ঘটনায় ১৫ জানুয়ারি চন্দনাইশ থানায় জিডি করে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ৩১ জানুয়ারি পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন বাদী হয়ে ৩৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আজ বৃহস্পতিবার মামলাটি তদন্তের জন্য কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে (সিটিসি) দায়িত্ব দিয়েছে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত।