সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার ​নলছিটির সাবেক পিআইও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর ৫ মাসের কারাদণ্ড ১২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড কাঁঠালিয়ায় ৬৩ কেজি পলিথিন জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঘোড়াঘাটের সীমানার ৫০০ মিটার ভিতরে পলাশবাড়ী সীমানা পলক স্থাপনের চেষ্টা এলাকায় ক্ষোভ উপজেলা প্রশাসনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় পরিবেশ ও শব্দ দূষণবিরোধী মোবাইল কোর্ট: ১২ হাজার টাকা জরিমানা দর্শনা ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে পালানোর সময় এক যুবক আটক বোর্ড চ্যালেঞ্জে পাস চার ছাত্রী: তেঁতুলিয়ার বোয়ালমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

বাউফলে আ’লীগ নেতার মদপানের ছবি ভাইরাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ॥ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ উদ্দিন পিকুর মদপানের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে (২৬ জানুয়ারি) সোহেল হাওলাদার নামের এক ব্যক্তির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে আওয়ামী লীগ নেতা পিকুর মদপানের ছবিটি পোস্ট করা হয়। এরপর মুহূর্তেই ছবিটি একাধিক ব্যক্তি কপি করে তাদের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেছেন। এরপরই ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ছবিতে লুঙ্গি পরিহিত খালি গায়ে চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকুর সামনে একটি কাঁচের গ্লাস ও একটি পানির বোতল রয়েছে। তার পাশে কোনো এক ব্যক্তির হাতে মোবাইল ফোন ও তার দুই হাতের মধ্যে একটি মদের বোতল দেখা যাচ্ছে। চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকুর সামনে গ্লাসে মদ রাখা হয়েছে।

কোনো একটি যাত্রীবাহী দোতালা লঞ্চের কেবিনে এ মদের আসর বসেছিল। তখন তাদের মধ্যে যে কেউ ছবিটি তুলেছে। এ ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পরায় আওয়ামী লীগ নেতা পিকুকে নিয়ে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে।

কেউ কেউ লিখেছেন, তার (পিকু) দ্বারা এর চেয়েও খারাপ কিছু করা সম্ভব। আবার কেউ লিখেছেন, একজন ইউপি চেয়ারম্যান হিসাবে মদ্যপান করলে আপত্তি ছিলনা। কিন্তু তিনি তো একজন কলেজ অধ্যক্ষ! তার কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কি শিখবে? এর চেয়েও বাজে ভাষায় কমেন্ট করেছেন অনেকে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু বলেন, এটা আমার ছবি না। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এডিট করে ছবিটি ভাইরাল করা হয়েছে। যারা এ কাজটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তবে এ বিষয় উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাউফলে আ’লীগ নেতার মদপানের ছবি ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৯:০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

আজকের ক্রাইম ॥ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ উদ্দিন পিকুর মদপানের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে (২৬ জানুয়ারি) সোহেল হাওলাদার নামের এক ব্যক্তির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে আওয়ামী লীগ নেতা পিকুর মদপানের ছবিটি পোস্ট করা হয়। এরপর মুহূর্তেই ছবিটি একাধিক ব্যক্তি কপি করে তাদের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেছেন। এরপরই ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ছবিতে লুঙ্গি পরিহিত খালি গায়ে চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকুর সামনে একটি কাঁচের গ্লাস ও একটি পানির বোতল রয়েছে। তার পাশে কোনো এক ব্যক্তির হাতে মোবাইল ফোন ও তার দুই হাতের মধ্যে একটি মদের বোতল দেখা যাচ্ছে। চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকুর সামনে গ্লাসে মদ রাখা হয়েছে।

কোনো একটি যাত্রীবাহী দোতালা লঞ্চের কেবিনে এ মদের আসর বসেছিল। তখন তাদের মধ্যে যে কেউ ছবিটি তুলেছে। এ ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পরায় আওয়ামী লীগ নেতা পিকুকে নিয়ে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে।

কেউ কেউ লিখেছেন, তার (পিকু) দ্বারা এর চেয়েও খারাপ কিছু করা সম্ভব। আবার কেউ লিখেছেন, একজন ইউপি চেয়ারম্যান হিসাবে মদ্যপান করলে আপত্তি ছিলনা। কিন্তু তিনি তো একজন কলেজ অধ্যক্ষ! তার কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কি শিখবে? এর চেয়েও বাজে ভাষায় কমেন্ট করেছেন অনেকে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু বলেন, এটা আমার ছবি না। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এডিট করে ছবিটি ভাইরাল করা হয়েছে। যারা এ কাজটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তবে এ বিষয় উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা মন্তব্য করতে রাজি হননি।