সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

ঘোড়াঘাটে হাট-বাজারে চড়া দাম ভেস্তে যাচ্ছে ধান সংগ্রহ অভিযান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহতাব উদ্দনি আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে এক কেজি ধানও সংগ্রহ হয়নি। চলতি ২২-২৩ অর্থ বছরের আমন মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে সরকারিভাবে ধান চাল সংগ্রহ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত কৃষকদের ধান দেওয়ার কোন সাড়া মেলেনি খাদ্য গুদামে। খোলা বাজারে ধান-চালের দাম বেশি পাওয়ায় সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ করেননি কৃষকরা।
যার ফলে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারিভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে আমন ধান ক্রয় । জানা গেছে, গত ১৭ নভেম্বর/২২ থেকে সরকারিভাবে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়।ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত ধান করা হবে।
কিন্তু পাইকারী বাজারে ধান-চালের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা ধান বাইরে বিক্রয় করছে। যার ফলে চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে আমন ধান ক্রয় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।, চলতি মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান প্রতি কেজি ২৮ টাকা ও চাল ৪২ টাকা দরে ধান ও টাল ক্রয় করা হবে।
৬৩৯ মে.টন ধান ও ৫৭৪ মে.টন চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এ পর্যন্ত ধান সংগ্রহ এ উপজেলায় ধান সংগ্রহ হয়নি। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার হাটবাজারে আমন ধানের দাম ভালো পেয়েছেন কৃষকেরা।তাছাড়া সরকারিভাবে খাদ্যগুদামে ১১২০ টাকা মন ধান। এ ক্ষেত্রে বেশি শুকানোসহ পরিশ্রম বেশি করতে হয়।অন্য দিকে সরকারি দামের তুলনায় হাটÑবাজারে মন প্রতি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেশী।তাই বাইরে বিক্রিতেই আগ্রহ দেখিয়েছেন তাঁরা।
সরকারি দরের চেয়ে বাজারে এখন মোটা ধান প্রতি কেজি ৩২ টাকা, আর মোটা চাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা ও চিকন চাল ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারি গুদামে ধান-চাল দিলে এবার বেশি লোকসান গুনতে হবে। এই জন্য কেউ সরকারি খাদ্য গুদামে ধান চাল দিতে আগ্রহী নয়।
তবে সরকার যদি বিষয়টি বিবেচনা করে মুল্য পুন:নির্ধারণ করে তাহলে কৃষকরা ধান দিতে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন। ঘোড়াঘাট উপজেলা অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ গোলাম মওলার সাথে কথা হলে তিনি জানান, এক জন কৃষকের কাছ থেকে এক মেট্রিক টন করে ধান ক্রয় করা হবে।
খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করতে গেলে ১৪ শতাংশ আর্দ্রতা দেখে ও চিটা বাদ দিয়ে বিক্রি করতে হয়। এবার বাইরে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা হয়তো কম পরিশ্রমে বাইরে ধান বিক্রি করেছেন। ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত ধান করার সময় নির্ধারণ করা থাকলেও উপজেলার ৪টি সরকারি গোডাউনে এখন পর্যন্ত কোন ধান সংগ্রহ হয়নি। পাইকারীতে ধানের দাম বেশি হওয়ার কারনে কৃষকরা গুদামে ধান দিতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। কৃষকরা ধান দিতে আগ্রহী হবেন বলে তিনি আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘোড়াঘাটে হাট-বাজারে চড়া দাম ভেস্তে যাচ্ছে ধান সংগ্রহ অভিযান

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩

মাহতাব উদ্দনি আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে এক কেজি ধানও সংগ্রহ হয়নি। চলতি ২২-২৩ অর্থ বছরের আমন মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে সরকারিভাবে ধান চাল সংগ্রহ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত কৃষকদের ধান দেওয়ার কোন সাড়া মেলেনি খাদ্য গুদামে। খোলা বাজারে ধান-চালের দাম বেশি পাওয়ায় সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ করেননি কৃষকরা।
যার ফলে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারিভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে আমন ধান ক্রয় । জানা গেছে, গত ১৭ নভেম্বর/২২ থেকে সরকারিভাবে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়।ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত ধান করা হবে।
কিন্তু পাইকারী বাজারে ধান-চালের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা ধান বাইরে বিক্রয় করছে। যার ফলে চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে আমন ধান ক্রয় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।, চলতি মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান প্রতি কেজি ২৮ টাকা ও চাল ৪২ টাকা দরে ধান ও টাল ক্রয় করা হবে।
৬৩৯ মে.টন ধান ও ৫৭৪ মে.টন চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এ পর্যন্ত ধান সংগ্রহ এ উপজেলায় ধান সংগ্রহ হয়নি। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার হাটবাজারে আমন ধানের দাম ভালো পেয়েছেন কৃষকেরা।তাছাড়া সরকারিভাবে খাদ্যগুদামে ১১২০ টাকা মন ধান। এ ক্ষেত্রে বেশি শুকানোসহ পরিশ্রম বেশি করতে হয়।অন্য দিকে সরকারি দামের তুলনায় হাটÑবাজারে মন প্রতি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেশী।তাই বাইরে বিক্রিতেই আগ্রহ দেখিয়েছেন তাঁরা।
সরকারি দরের চেয়ে বাজারে এখন মোটা ধান প্রতি কেজি ৩২ টাকা, আর মোটা চাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা ও চিকন চাল ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারি গুদামে ধান-চাল দিলে এবার বেশি লোকসান গুনতে হবে। এই জন্য কেউ সরকারি খাদ্য গুদামে ধান চাল দিতে আগ্রহী নয়।
তবে সরকার যদি বিষয়টি বিবেচনা করে মুল্য পুন:নির্ধারণ করে তাহলে কৃষকরা ধান দিতে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন। ঘোড়াঘাট উপজেলা অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ গোলাম মওলার সাথে কথা হলে তিনি জানান, এক জন কৃষকের কাছ থেকে এক মেট্রিক টন করে ধান ক্রয় করা হবে।
খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করতে গেলে ১৪ শতাংশ আর্দ্রতা দেখে ও চিটা বাদ দিয়ে বিক্রি করতে হয়। এবার বাইরে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা হয়তো কম পরিশ্রমে বাইরে ধান বিক্রি করেছেন। ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত ধান করার সময় নির্ধারণ করা থাকলেও উপজেলার ৪টি সরকারি গোডাউনে এখন পর্যন্ত কোন ধান সংগ্রহ হয়নি। পাইকারীতে ধানের দাম বেশি হওয়ার কারনে কৃষকরা গুদামে ধান দিতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। কৃষকরা ধান দিতে আগ্রহী হবেন বলে তিনি আশাবাদী।