সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

শীত বস্ত্র কম্বল বরাদ্দ অপ্রতুল ঘোড়াঘাটে প্রচন্ড শীতে কাহিল ছিন্নমূল ও শ্রমজীবি মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অব্যাহত শৈত্য প্রবাহে কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে কাহিল হয়ে পড়েছে ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষ ।দিনদিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। শৈত্য প্রবাহ আর বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। গত ৮দিনেও সূর্যের দেখা মেলেনি। কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে ঘোড়াঘাট উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ।দিনরাত ২৪ঘন্টা থাকছে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে কুয়াশায়।ঘনকুয়াশার কারণে রাতে চলাচলের বিঘœ ঘটছে। দিনের বেলায় দুর পাল্লার যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে দেখা গেছে। এমন ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে সর্ব স্তরের মানুষ। ্অগ্রহায়ণের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে ঘন কুয়াশা আর কন কনে শীত। এই ঠান্ডায় কাজ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। প্রয়োজন পড়েছে শীত নিবারনের জন্য শীত বস্ত্রের। বিশেষ করে শিশু ও বয়ঃবৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। শীতের প্রকোপে বাড়ছে সর্দি কাশি,নিউমোনিয়াসহ শীত জনিত রোগ। ফুটপাতসহ উপজেলার হাট-বাজারে রয়েছে গরম কাপড়ের দোকান। ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। গরম কাপড়ের ব্যবসায়ীরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কাপড়ের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অস্বাভাবিকহারে। অর্থাভাবে ছিন্নমূল, হতদরিদ্রদের পক্ষে শীত বস্ত্র সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছেনা। প্রতিদিনই বাড়ছে শীতের তীব্রতা।ধনী,মধ্য বিত্ত স্বালম্বিদের গরম কাপড় কেনার সামর্থ থাকলেও হতদরিদ্র মানুষেরা শীত বস্ত্র ক্রয় করার সামর্থ না থাকায় তারা শীতের গরম কাপড় ক্রয় করতে পারছেননা। ফলে তারা শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষা পাচ্ছেননা। ছিন্নমূল, হতদরিদ্র মানুষ খড় কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে। তারা এ ভাবেই শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকাল, সন্ধা ও রাতে সমান ভাবে পড়ছে বৃষ্টির মতো কুয়াশা। রাতের বেলায় তাপ মাত্রা কমে যাওয়ায় তীব্রতা আরোও বেড়ে যায়। গত ৮দিন থেকে সূর্যেরমুখ দেখতে পায়নি এ অঞ্চলের মানুষেরা। বিশেষ করে উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়ন ও সিংড়া ইউনিয়নের করতোয়া নদীর তীরবর্তী গ্রামের মানুষ গুলো পড়েছে বেশি বিপাকে। সরকারীভাবে ২ হাজার শীত বস্ত্র বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজার রহমান জানান, ঘোড়াঘাট পৌরসভা ও উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ২ হাজার পিচ শীত বস্ত্র কম্বল ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় থেকে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া পৌরসভা ও ইউনিয়ন গুলো থেকে অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ে দেয়া হয়। জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটো কপির মাধ্যমে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।ঘোড়াঘাট পৌরসভায় ৪০০ পিচ. ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়নে ৪০০ পিচ, ২নং পালশা ইউনিয়নে ৪০০ পিচ,সিংড়া ইউনিয়নে ৪০০ পিচ ও ঘোড়াঘাট ইউনিয়নে ৪০০ পিচ বরাদ্দ কম্বল বিতরণ হয়েছে। এ সব শীত বস্ত্র কম্বল ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী ্অফিসার মোঃ রাফিউল আলম নিজে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজার রহমান ও কাউন্সলরগণ এবং ইউপি চেয়ারম্যানদের সংগে নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্ব-স্ব পৌসভার ওয়ার্ডে এবং ইউনিয়নগুলোতে বিতরন করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শীত বস্ত্র কম্বল বরাদ্দ অপ্রতুল ঘোড়াঘাটে প্রচন্ড শীতে কাহিল ছিন্নমূল ও শ্রমজীবি মানুষ

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ,ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অব্যাহত শৈত্য প্রবাহে কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে কাহিল হয়ে পড়েছে ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষ ।দিনদিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। শৈত্য প্রবাহ আর বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। গত ৮দিনেও সূর্যের দেখা মেলেনি। কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে ঘোড়াঘাট উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ।দিনরাত ২৪ঘন্টা থাকছে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে কুয়াশায়।ঘনকুয়াশার কারণে রাতে চলাচলের বিঘœ ঘটছে। দিনের বেলায় দুর পাল্লার যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে দেখা গেছে। এমন ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে সর্ব স্তরের মানুষ। ্অগ্রহায়ণের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে ঘন কুয়াশা আর কন কনে শীত। এই ঠান্ডায় কাজ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। প্রয়োজন পড়েছে শীত নিবারনের জন্য শীত বস্ত্রের। বিশেষ করে শিশু ও বয়ঃবৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। শীতের প্রকোপে বাড়ছে সর্দি কাশি,নিউমোনিয়াসহ শীত জনিত রোগ। ফুটপাতসহ উপজেলার হাট-বাজারে রয়েছে গরম কাপড়ের দোকান। ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। গরম কাপড়ের ব্যবসায়ীরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কাপড়ের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অস্বাভাবিকহারে। অর্থাভাবে ছিন্নমূল, হতদরিদ্রদের পক্ষে শীত বস্ত্র সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছেনা। প্রতিদিনই বাড়ছে শীতের তীব্রতা।ধনী,মধ্য বিত্ত স্বালম্বিদের গরম কাপড় কেনার সামর্থ থাকলেও হতদরিদ্র মানুষেরা শীত বস্ত্র ক্রয় করার সামর্থ না থাকায় তারা শীতের গরম কাপড় ক্রয় করতে পারছেননা। ফলে তারা শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষা পাচ্ছেননা। ছিন্নমূল, হতদরিদ্র মানুষ খড় কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে। তারা এ ভাবেই শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকাল, সন্ধা ও রাতে সমান ভাবে পড়ছে বৃষ্টির মতো কুয়াশা। রাতের বেলায় তাপ মাত্রা কমে যাওয়ায় তীব্রতা আরোও বেড়ে যায়। গত ৮দিন থেকে সূর্যেরমুখ দেখতে পায়নি এ অঞ্চলের মানুষেরা। বিশেষ করে উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়ন ও সিংড়া ইউনিয়নের করতোয়া নদীর তীরবর্তী গ্রামের মানুষ গুলো পড়েছে বেশি বিপাকে। সরকারীভাবে ২ হাজার শীত বস্ত্র বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজার রহমান জানান, ঘোড়াঘাট পৌরসভা ও উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ২ হাজার পিচ শীত বস্ত্র কম্বল ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় থেকে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া পৌরসভা ও ইউনিয়ন গুলো থেকে অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ে দেয়া হয়। জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটো কপির মাধ্যমে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।ঘোড়াঘাট পৌরসভায় ৪০০ পিচ. ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়নে ৪০০ পিচ, ২নং পালশা ইউনিয়নে ৪০০ পিচ,সিংড়া ইউনিয়নে ৪০০ পিচ ও ঘোড়াঘাট ইউনিয়নে ৪০০ পিচ বরাদ্দ কম্বল বিতরণ হয়েছে। এ সব শীত বস্ত্র কম্বল ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী ্অফিসার মোঃ রাফিউল আলম নিজে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজার রহমান ও কাউন্সলরগণ এবং ইউপি চেয়ারম্যানদের সংগে নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্ব-স্ব পৌসভার ওয়ার্ডে এবং ইউনিয়নগুলোতে বিতরন করছেন।