সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ডিমলায় ইউনিয়ন ভুমি অফিসের উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর ২০২২ ১২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ গোলাম রাব্বানী ডিমলা নীলফামারী ডিমলা প্রতিনিধিঃ

ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভুমি অফিসের উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা নুর আলম এর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নবাসীর অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভুমি অফিসের উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা নুর আলম দীর্ঘদিন যাবৎ ভুমি উন্নয়ন কর’ এর নির্ধারিত ফি বাদে অতিরিক্ত উৎকোচ গ্রহণ পূর্বক খাজনার রশিদ/ চেক প্রদান করেন।

উৎকোচ ছাড়া কোন খাজনার রশিদ তিনি কাটেন না। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা বলেন আমরা তার নিকট অসহায়। কারণ আমরা অনেকে জমিজমার বিষয়ে অজ্ঞ। অনেকের মেয়ের বিয়ে দিতে হয়, আবার কেউ কেউ এক জায়গা থেকে জমি বিক্রি করে সুবিধামত অন্য জায়গায় জমি ক্রয়ের নিমিত্তে জমি কেনাবেচা করে।

তখন দলিল রেজিষ্ট্রেরির জন্য খাজনার রশিদ/চেক প্রয়োজন। বাধ্য হয়ে মানুষ তার ফাঁদে জিম্মি হয়ে পড়ে। তার কথামত খাজনার ফি ও উৎকোচ না দিলে খাজনার চেক/ রশিদ দিতে টালবাহানা করে। নানাবিধ অজুহাত ও সমস্যা দেখায়। এলাকাবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, এস এ রেকর্ড হিন্দুদের নামে থাকা সত্বেও অথবা বি এস রেকর্ড ১/১ খতিয়ানে গেলেও বেশি টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে যতসামান্য টাকার খাজনার চেক/রশিদ তিনি দিতেন।

এমন কয়েকজন ব্যক্তি মধ্যে ইউনিয়নের কালীগঞ্জ মৌজার মনিরুজ্জামান বিটুল এর নিকট হতে ১ একর জমির জন্য ১৩৭৯ হতে ১৪২৯ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত =৭৩২ টাকার খাজনার চেক/ রশিদ প্রদান করে তার নিকট ৫৫ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন তহশিলদার নুর আলম। কালীগঞ্জ মৌজার তছিরউদ্দিন নামে আরেক ব্যক্তির নিকট থেকে বি এস ১/১ খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ৯৭ শতাংশ জমির খাজনা বাবদ =৭৪৭ টাকা ও ১ একর ২৪ শতাংশ জমির খাজনা বাবদ = ৯২২ টাকার ভুমি উন্নয়ন কর গ্রহণের চেক/ রশিদ প্রদান করে অবৈধভাবে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়েছেন তহশিলদার নুর আলম।

এছাড়াও সরকারি খাসজমি কবলিয়ত বন্দোবস্ত করে দেওয়ার কথা বলে তিনি অনেকের নিকট হতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার (২১ নভেম্বর) এমনসব অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকাবাসী তার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট আবেদন করে তাকে তার অফিসে আটকে রাখেন।

পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন সরেজমিনে এসে ইউনিয়নবাসীর অভিযোগ শুনেন এবং অভিযোগের সততা পেয়ে উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা নুর আলমের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিমলায় ইউনিয়ন ভুমি অফিসের উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে

আপডেট সময় : ০১:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর ২০২২

মোঃ গোলাম রাব্বানী ডিমলা নীলফামারী ডিমলা প্রতিনিধিঃ

ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভুমি অফিসের উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা নুর আলম এর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নবাসীর অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভুমি অফিসের উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা নুর আলম দীর্ঘদিন যাবৎ ভুমি উন্নয়ন কর’ এর নির্ধারিত ফি বাদে অতিরিক্ত উৎকোচ গ্রহণ পূর্বক খাজনার রশিদ/ চেক প্রদান করেন।

উৎকোচ ছাড়া কোন খাজনার রশিদ তিনি কাটেন না। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা বলেন আমরা তার নিকট অসহায়। কারণ আমরা অনেকে জমিজমার বিষয়ে অজ্ঞ। অনেকের মেয়ের বিয়ে দিতে হয়, আবার কেউ কেউ এক জায়গা থেকে জমি বিক্রি করে সুবিধামত অন্য জায়গায় জমি ক্রয়ের নিমিত্তে জমি কেনাবেচা করে।

তখন দলিল রেজিষ্ট্রেরির জন্য খাজনার রশিদ/চেক প্রয়োজন। বাধ্য হয়ে মানুষ তার ফাঁদে জিম্মি হয়ে পড়ে। তার কথামত খাজনার ফি ও উৎকোচ না দিলে খাজনার চেক/ রশিদ দিতে টালবাহানা করে। নানাবিধ অজুহাত ও সমস্যা দেখায়। এলাকাবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, এস এ রেকর্ড হিন্দুদের নামে থাকা সত্বেও অথবা বি এস রেকর্ড ১/১ খতিয়ানে গেলেও বেশি টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে যতসামান্য টাকার খাজনার চেক/রশিদ তিনি দিতেন।

এমন কয়েকজন ব্যক্তি মধ্যে ইউনিয়নের কালীগঞ্জ মৌজার মনিরুজ্জামান বিটুল এর নিকট হতে ১ একর জমির জন্য ১৩৭৯ হতে ১৪২৯ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত =৭৩২ টাকার খাজনার চেক/ রশিদ প্রদান করে তার নিকট ৫৫ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন তহশিলদার নুর আলম। কালীগঞ্জ মৌজার তছিরউদ্দিন নামে আরেক ব্যক্তির নিকট থেকে বি এস ১/১ খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ৯৭ শতাংশ জমির খাজনা বাবদ =৭৪৭ টাকা ও ১ একর ২৪ শতাংশ জমির খাজনা বাবদ = ৯২২ টাকার ভুমি উন্নয়ন কর গ্রহণের চেক/ রশিদ প্রদান করে অবৈধভাবে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়েছেন তহশিলদার নুর আলম।

এছাড়াও সরকারি খাসজমি কবলিয়ত বন্দোবস্ত করে দেওয়ার কথা বলে তিনি অনেকের নিকট হতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার (২১ নভেম্বর) এমনসব অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকাবাসী তার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট আবেদন করে তাকে তার অফিসে আটকে রাখেন।

পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন সরেজমিনে এসে ইউনিয়নবাসীর অভিযোগ শুনেন এবং অভিযোগের সততা পেয়ে উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা নুর আলমের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান ।