সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

রাজাপুরে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মাকে বেঁধে স্কুলছাত্রীকে ‘ধর্ষণ’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজাপুর প্রতিনিধি ‍॥ স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে সে রাজি হয়নি। তাই রাতে ঘরে ঢুকে গলায় ছুরি ধরে তার মাকে জিম্মি করা হয়। মায়ের হাত-পা বেঁধে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায়।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত ও তার সহযোগীকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার পর রাতেই প্রধান অভিযুক্ত মো. আলী হোসেন মোল্লাকে (২৭) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আলী হোসেন মোল্লা উপজেলার ছোট কৈবর্তখালী গ্রামের বাসিন্দা। তার সহযোগী মো. ফুহাত মীর (২২) পলাতক রয়েছেন। ফুহাত উপজেলার বড় কৈবর্তখালী গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে একই এলাকার আলী হোসেন কুপ্রস্তাব দিতেন। আলী হোসেনের সঙ্গে থাকতেন ফুহাত মীর। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের পরে কয়েকদিন ভুক্তভোগীর বাড়িসহ ওই এলাকা বিদ্যুৎহীন ছিল। গত ২৮ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে আলী হোসেন ও ফুহাত ভুক্তভোগী পরিবারের বসতবাড়ির জানালার কাঠের শিক ভেঙে ভিতরে ঢোকে। ধারাল চাকুর ভয় দেখিয়ে ছাত্রীর মায়ের হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। পরে আলী হোসেন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

তখন ফুহাত পাহারায় ছিলেন। ধর্ষণ শেষে টর্চ লাইটের আলোতে অভিযুক্তরা তাদের চেহারা দেখিয়ে ঘটনা প্রকাশ না করতে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দিয়ে চলে যান। সকালে ভুক্তভোগী পরিবারটি কাউকে কিছু না বলে আলী হোসেন ও ফুহাতের ভয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। পরে পুলিশের সহায়তায় ভুক্তভোগী পরিবার এলাকায় এসে মঙ্গলবার রাতে আলী হোসেন ও তার সহযোগী ফুহাতকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলার প্রধান আসামি আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলক চন্দ্র রায় বলেন, ‘মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজাপুরে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মাকে বেঁধে স্কুলছাত্রীকে ‘ধর্ষণ’

আপডেট সময় : ০৬:০৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২

রাজাপুর প্রতিনিধি ‍॥ স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে সে রাজি হয়নি। তাই রাতে ঘরে ঢুকে গলায় ছুরি ধরে তার মাকে জিম্মি করা হয়। মায়ের হাত-পা বেঁধে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায়।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত ও তার সহযোগীকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার পর রাতেই প্রধান অভিযুক্ত মো. আলী হোসেন মোল্লাকে (২৭) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আলী হোসেন মোল্লা উপজেলার ছোট কৈবর্তখালী গ্রামের বাসিন্দা। তার সহযোগী মো. ফুহাত মীর (২২) পলাতক রয়েছেন। ফুহাত উপজেলার বড় কৈবর্তখালী গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে একই এলাকার আলী হোসেন কুপ্রস্তাব দিতেন। আলী হোসেনের সঙ্গে থাকতেন ফুহাত মীর। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের পরে কয়েকদিন ভুক্তভোগীর বাড়িসহ ওই এলাকা বিদ্যুৎহীন ছিল। গত ২৮ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে আলী হোসেন ও ফুহাত ভুক্তভোগী পরিবারের বসতবাড়ির জানালার কাঠের শিক ভেঙে ভিতরে ঢোকে। ধারাল চাকুর ভয় দেখিয়ে ছাত্রীর মায়ের হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। পরে আলী হোসেন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

তখন ফুহাত পাহারায় ছিলেন। ধর্ষণ শেষে টর্চ লাইটের আলোতে অভিযুক্তরা তাদের চেহারা দেখিয়ে ঘটনা প্রকাশ না করতে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দিয়ে চলে যান। সকালে ভুক্তভোগী পরিবারটি কাউকে কিছু না বলে আলী হোসেন ও ফুহাতের ভয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। পরে পুলিশের সহায়তায় ভুক্তভোগী পরিবার এলাকায় এসে মঙ্গলবার রাতে আলী হোসেন ও তার সহযোগী ফুহাতকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলার প্রধান আসামি আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলক চন্দ্র রায় বলেন, ‘মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’