লাগাতার ধর্মঘটে যাচ্ছেন নৌ শ্রমিকরা
- আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২ ৯১ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা, কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১২ লাখ টাকা করাসহ সাত দাবি আদায়ে আগামী ২৭ নভেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে সারাদেশে লাগাতার ধর্মঘট আহ্বান করেছেন নৌযান শ্রমিকরা। রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ধর্মঘটের ডাক দেয় ‘সাধারণ নৌ শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’। ধর্মঘটের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নৌযান শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বলেন, যাত্রীবাহী লঞ্চ, পণ্যবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান এ ধর্মঘটের আওতায় থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম মাস্টার। অন্যদের মধ্যে ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ড্রাইভার, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বেপারী, জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সবুজ সিকদার, নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাস্টার, নৌ শ্রমিক নেতা আনিসুর রহমান, এনায়েত হোসেন লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শ্রমিক নেতারা বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার বিধান থাকলেও সর্বশেষ মজুরি কাঠামোর মেয়াদ পার হয়েছে গত বছরের ৩০ জুন। দীর্ঘ ১৬ মাস নৌ মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দেনদরবার করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। সবকিছুর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে নৌযান শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে জানান তাঁরা।
নৌযান শ্রমিকদের অন্য দাবির মধ্যে রয়েছে- শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক ও স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে ছাড়পত্র প্রদান, সব নৌবন্দরে লাইটার জাহাজসহ অন্যান্য নৌযান রাখার জন্য পোতাশ্রয় নির্মাণ, ঘাট ইজারাদার ও মালিকদের দালাল কর্তৃক শ্রমিক হয়রানি-নির্যাতন বন্ধ, ভারতগামী জাহাজের শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস, পোর্টভিসা, নিত্যপণ্য ক্রয়ের সুবিধা ও অসুস্থ শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা; চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ট্যাঙ্কার জাহাজগুলো নিরাপদে চলাচলের সুযোগ, নৌযানের ফিটনেস ও যোগ্যতা নির্ধারণী পরীক্ষায় নৌপরিবহন অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের অনিয়ম ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ, বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষাকেন্দ্র ও নৌ আদালত স্থাপন, যাত্রীবাহী লঞ্চ শ্রমিকদের গেজেট অনুযায়ী বেতন প্রদান, বিভিন্ন ঘাট ও পন্টুনের কর্মকর্তা ও মালিকদের হয়রানি এবং শ্রমিকদের নামে মিথ্যা মামলা বন্ধ, নৌপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা বন্ধ, চট্টগ্রাম চরপাড়া ঘাটের ইজারা বাতিল, নৌপথ ড্রেজিং ও বয়া-বিকনবাতি এবং মার্কা স্থাপন করে নৌ চলাচল সঠিক রাখা ও অবৈধভাবে বালুমহাল ইজারা বন্ধ করা ইত্যাদি।























